বর্তমান সরকার নারীর আয়ের পথ সুগম করেছে

0
169

চকরিয়ায় সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্প উদ্বোধনে এমপি জাফর

নিজস্ব প্রতিনিধি,চকরিয়া : 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বর্ষ উপলক্ষে ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, সড়ক হবে সংস্কার’ শ্লোগানে কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার ২৫টি ইউনিয়নে এবার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন অসহায়, দুস্থ ও দিনমজুর শ্রেণির ২শ৭৮ জন শ্রমজীবী নারী। শ্রমজীবি এসব নারীর মধ্যে আড়াইশ জন আগামী পাঁচবছর পর্যন্ত ‘রুরাল এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড রোড মেইন্টেনেন্স প্রোগ্রাম’ (আরইআরএমপি-৩) প্রকল্পে এলজিইডির গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণের কাজে নিয়োজিত থাকবেন। অপরদিকে এলসিএস প্রকল্পের অধীনে আরো ২৮ জন শ্রমজীবী নারীর কর্মসংস্থান হয়েছে।এলজিইডি চকরিয়া ও পেকুয়া কার্যালয় সংশ্লিষ্টরা জানান, আরইআরএমপি-৩ প্রকল্পের অধীনে পাঁচবছর পর্যন্ত শ্রম দেয়ার বিনিময়ে প্রতিজন নারী শ্রমিক দৈনিক মজুরি হিসেবে পাবেন ২শ৫০ টাকা। তন্মধ্যে ৮০ টাকা সঞ্চয় হিসেবে কেটে রেখে পাঁচবছর পর একসঙ্গে সমুদয় টাকা পরিশোধ করা হবে। যাতে ভবিষ্যতে পরিবারগুলো আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে। অপরদিকে দুই উপজেলায় লেবার কনট্রাক্টিং সোসাইটি (এলসিএস) প্রকল্পের ২৮ জন নারী শ্রমিক একবছর দৈনিক মজুরি হিসেবে পাবেন ৩শ টাকা হারে। সেই টাকা থেকে ১শ টাকা সঞ্চয় হিসেবে কেটে রাখা হবে ভবিষ্যতে এককালীন দেয়ার জন্য। দুই উপজেলায় একসঙ্গে পহেলা অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে গ্রামীণ সড়ক সংস্কার মাসের কার্যক্রম। এদিন চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের একটি সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরুর মাধ্যমে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া- পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলম প্রকল্পের কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী কমল কান্তি পাল, সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মহসিন বাবুল, এলজিইডির দায়িত্বশীল কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ কর্মসংস্থান হওয়া শ্রমজীবী বিপুল সংখ্যক নারী। অপরদিকে একইদিন পেকুয়া উপজেলার গ্রামীণ সড়ক সংস্কার কাজ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলি মো. জাহেদুল আলম চৌধুরী, উজানটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা।

চকরিয়া উপজেলা প্রকৌশলি কমল কান্তি পাল ও পেকুয়ার প্রকৌশলী মো. জাহেদুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘দুই উপজেলার ২৫টি ইউনিয়নের ১০ জন করে পাঁচবছর পর্যন্ত এবং এলসিএস প্রকল্পে একবছর ২৮ জনসহ ২শ৭৮ নারী শ্রমিক কাজ করবেন গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণে।

বিনিময়ে সরকার নির্ধারিত দৈনিক মজুরির টাকা প্রতিমাসে শ্রমিকদের ব্যাংক হিসাবে জমা হবে। তবে সঞ্চয় হিসেবেও কিছু টাকা গচ্ছিত থাকবে, যা প্রকল্পের মেয়াদ শেষে প্রতি নারী শ্রমিককে চেকের মাধ্যমে দেওয়া হবে। চকরিয়া- পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলম বলেন,‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা হচ্ছে একজন নারীও কর্মসংস্থানহীন থাকবে না। প্রত্যেকের আয়ের পথ সুগম করা হবে। মুজিববর্ষে এলজিইডির প্রকল্পের মাধ্যমে চকরিয়া ও পেকুয়ায় দিনমজুর শ্রেণির এসব নারীকে সড়ক রক্ষণাবেক্ষণের কাজে নিয়োগ করা হয়েছে। এতে পরিবারগুলোতে অভাব-অনটন দূর হবে।’