অবশেষে শুরু হলো নালা পরিষ্কারের কাজ

স্পট : জামালখান

nor

নিজস্ব প্রতিবেদক »

নগরীর কোতোয়ালী থানার জামালখান এলাকার নালাগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে জমে আছে ময়লার স্তুপ। প্রায় তিন থেকে চার বছর ধরে জমে থাকা ময়লা না সরানোর কারণে মানুষকে বসবাস করতে হচ্ছিলো অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। এ বিষয়ে ৩০ জানুয়ারি ‘জামালখানে ময়লার ভাগাড়’ ও ৩১ জানুয়ারি ‘এখনো টনক নড়েনি’ নামে দুটি প্রতিবেদন সুপ্রভাত বাংলাদেশে প্রকাশিত হওয়ার পর ময়লা পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়েছে।

চসিক ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ময়লা পরিষ্কারের কাজ শুরু করেছে জানিয়ে জামালখান ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা রিপন রায় বলেন, ‘অনান্য ওর্য়াডের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তারা দিনে দুইবার ডিউটি করলে আমাকে তিনবার করতে হয়। আমরা গত দুইদিন ধরে ল্যাবওয়ানের পাশের গলিসহ জামালখানের বিভিন্ন নালা পরিষ্কার করেছি। প্রতিবছর চসিক ৬০ থেকে ৭০ জন লোক দিয়ে এসব পরিষ্কার করে। যতটুকু জানি এ বছর বর্ষার আগে জামালখানের সব নালা পরিষ্কার করা হবে।’

জামালখান ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তাদের প্রধান প্রণব শর্মা বলেন, ‘পত্রিকায় দুবার নিউজ দেখার পর আমি নিজেই ঐ নালা দেখতে গিয়েছি। নালা দেখে আমার নিজেরও খারাপ লেগেছে। নালাটির পাশে ভবনগুলো এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে ময়লাগুলো তুলে এক জায়গায় রাখার কোনো উপায় নেই। এছাড়া ভবনগুলো থেকে যেভাবে ময়লা ফেলা হচ্ছে তা ঠিক না। ভবনে বসবাসকারীদের আরো সচেতন হওয়া প্রয়োজন। আজ (গতকাল) আমাদের সচিব আসকরদিঘীর পাড়ে একটি কাজ দিয়েছে তার জন্য কাজ করা হয়নি। আসকরদিঘীর পাড়ের কাজটি শেষ হলে আমরা আবার ঐ নালা পরিষ্কারে হাত দেবো।’

ল্যাব ওয়ানের পাশের গলির মো. রশিদ নামের এক ভাড়াটিয়া বলেন, ‘দীর্ঘদিনের জমে থাকা ময়লার ভাগাড়ের কারণে এখানে বসবাস করা কষ্টকর হয়ে গিয়েছিলো। ময়লা পরিষ্কারের কাজ শুরু করায় কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছি’।

জামালখানের ময়লার ভাগাড়ের বিষয়ে জানতে চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকতা আবুল হাসেমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ‘জামালখান ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হওয়ার কথা নয়। বিষয়গুলো দেখেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর। কাউন্সিলর না পারলে আমাদের বললে আমরা ব্যবস্থা নিই। তবে জামালখান ওয়ার্ডের কাউন্সিলর একটি বড় নালা পরিষ্কারের বিষয়ে আমাদের কাছে একটি নোটিশ পাঠিয়েছেন। আমরা বিষয়টি তদারকি করে সিদ্ধান্ত নেবো। অনান্য নালায় তেমন ময়লা নেই।’