ক্যাম্পাস

সিআইইউতে নতুন দুটি বিজনেস প্রোগ্রামের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক >>

করপোরেট ও শিল্পখাতে দক্ষ পেশাজীবীর ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে ‘এমবিএ ইন প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং’ এবং ‘বিবিএ ইন সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট’ নামে দুটি নতুন একাডেমিক প্রোগ্রাম চালু করেছে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি (সিআইইউ)।

---------

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রোগ্রাম দুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং বিভাগের অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর সাবেক সদস্য ড. এম আইয়ুব ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য পারভীন মাহমুদ, এফসিএ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিআইইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম নূরুল আবসার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. এম আইয়ুব ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি প্রধান দায়িত্ব হলো শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং সমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ততা। শিল্পখাত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সংযোগ ছাড়া উচ্চশিক্ষা তার পূর্ণ উদ্দেশ্য অর্জন করতে পারে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ জন্য তিনি শিল্প-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সিআইইউর নতুন দুটি প্রোগ্রামের সফলতা কামনা করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য পারভীন মাহমুদ বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, টেকসই উন্নয়ন এবং বিশ্বায়নের যুগে শুধু কারিগরি জ্ঞান অর্জনই যথেষ্ট নয়। তিনি বলেন, ভবিষ্যতের গ্র্যাজুয়েটদের উদ্ভাবনী, পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সক্ষম, নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন এবং আজীবন শেখার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে সিআইইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম নূরুল আবসার বলেন, এমবিএ ইন প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং প্রোগ্রামটি চট্টগ্রামে প্রথম এবং দেশের দ্বিতীয় হতে পারে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণা। তিনি বলেন, সময়োপযোগী ও বিশেষায়িত একাডেমিক প্রোগ্রাম চালুর মাধ্যমে সিআইইউ উচ্চশিক্ষায় নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।

তিনি আরও বলেন, সিআইইউ বিজনেস স্কুল বাংলাদেশে প্রথম ‘করপোরেট টক’ কর্মসূচি চালু করে, যেখানে শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। শিল্পখাত ও একাডেমিয়ার মধ্যে সহযোগিতা জোরদারে বিশ্ববিদ্যালয়টি অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

উপাচার্য বলেন, বর্তমানে প্রতিটি কোর্সে অন্তত একটি কেস স্টাডি অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় বাস্তবতা তুলে ধরতে স্থানীয় কেস স্টাডি তৈরি করা হচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গির পাশাপাশি স্থানীয় প্রেক্ষাপট সম্পর্কেও সম্যক ধারণা অর্জন করতে পারেন।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।