নিজস্ব প্রতিবেদক >>
নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম বন্দরের মূল শিপিং চ্যানেল ও বহির্নোঙর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। অভিযানে প্রায় ১২ হাজার মিটার অবৈধ জাল ও জাল স্থাপনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করে অপসারণ করা হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ‘কাণ্ডারী-১২’ ও চারটি স্থানীয় বোট অংশ নেয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজও অভিযানে সক্রিয় সহযোগিতা করে।
অভিযানকালে শিপিং চ্যানেল থেকে সুতার জাল, রং জাল ও বহুবিধ জালসহ প্রায় ১২ হাজার মিটার অবৈধ জাল উদ্ধার করা হয়। এসব জাল জাহাজ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছিল এবং বন্দরের নৌ-নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছিল। উদ্ধার করা জাল ও সরঞ্জাম পরবর্তীতে ধ্বংস করা হয়।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামীম বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপদ নৌ চলাচল ও জাহাজের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। শিপিং চ্যানেল ও বহির্নোঙর এলাকায় কোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বা প্রতিবন্ধকতা বরদাশত করা হবে না। নৌ-নিরাপত্তা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “সংশ্লিষ্ট জেলে ও নৌযান মালিকদের নির্ধারিত নৌ-চলাচল রুট মেনে চলার পাশাপাশি বন্দরের চ্যানেলে জাল বা অন্য কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।”
অভিযান চলাকালে বহির্নোঙরে অবস্থানরত ফিশিং বোটগুলোকে চ্যানেল এলাকা থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং পুনরায় সেখানে জাল স্থাপন না করতে মাঝিমাল্লাদের সতর্ক করা হয়।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরের নেভিগেশনাল সেফটি বজায় রাখা, জাহাজ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং কর্ণফুলী চ্যানেল ও বহির্নোঙরে অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সঙ্গে সমন্বিত অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।




















































