
সুপ্রভাত ডেস্ক »
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, মেধার কোনো ভিসা লাগে না, মেধাবীরা পৃথিবীর সর্বত্র যেতে পারে। আমাদের দেশ থেকে ব্রেইন ড্রেন হয়ে যেত। আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিদেশে গেলে আর আসত না।
আজকের এই প্রেক্ষাপটে আমাদের প্রয়োজন রয়েছে ‘রিভার্স ব্রেইন ড্রেন’। যারা বিদেশে গিয়েছে, তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে, দেশকে গড়তে হবে, এই মানবসম্পদের উন্নয়ন করতে হবে।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ওরিয়েন্টেশন প্রোগামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মেধার কোনো ভিসা লাগে না। মেধাবীরা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে যেতে পারে। কিন্তু অতীতে আমাদের দেশ থেকে ব্রেইন ড্রেইন হয়েছে। মেধাবীরা বিদেশে গিয়ে আর ফিরে আসতেন না।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে মানবসম্পদের কোনো অভাব নেই। উন্নত বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশে জন্মহারের তুলনায় মৃত্যুহার বেড়ে যাওয়ায় জনসংখ্যা কমছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে জনসংখ্যা বাড়ছে। এই জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সম্পৃক্ত করা গেলে বাংলাদেশ একদিন বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, সরকার শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ বছর শিক্ষা খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ খাতে আরও বাজেট বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা আন্তর্জাতিক মানের এবং তাদের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বমানের প্রতিযোগিতামূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। অচিরেই কিউএস র্যাংকিংয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান নিশ্চিত হবে বলে আমি আশাবাদী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন (ভার্চুয়ালি), বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রীস আলী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল উপস্থিত ছিলেন।


















































