এ মুহূর্তের সংবাদ

রাঙামাটিতে টানা বৃষ্টিপাত, ১৬ আশ্রয়কেন্দ্রে ৮০৪ জন

সুপ্রভাত ডেস্ক »

টানা পঞ্চম দিনের মতো রাঙামাটিতে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ি ঢলে সড়ক প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় জেলার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিচ্ছে জেলা প্রশাসন।

-advertise-

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত জেলার ১৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৮০৪ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

বুধবার সকালে রাঙামাটি সদরের আরশিনগর এলাকায় পাহাড়ধসে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে প্রায় ঘণ্টাখানিক যান চলাচল বন্ধ ছিল। সড়ক থেকে ধসে পড়া মাটি অপসারণের পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সম্ভাব্য পাহাড়ধসের ঝুঁকি মোকাবিলায় মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেল থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া শুরু হয়। বুধবার দুপুর পর্যন্ত রাঙামাটি পৌরসভা ও সদর উপজেলার ৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩০২ জন এবং কাউখালী, কাপ্তাই ও বাঘাইছড়ি উপজেলার ১১টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৫০২ জন আশ্রয় নিয়েছেন। সব মিলিয়ে জেলার ১৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে ৮০৪ জন অবস্থান করছেন।

‎এদিকে টানা পাঁচ দিনের বর্ষণে পাহাড়ি ঢল ও নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ‎বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা, লংগদু-দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন অংশ এবং বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলী ইউনিয়নের করেঙ্গাতলী ও পৌর এলাকার উগলছড়ি সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে।

পাহাড়ধসের আশঙ্কা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার ঝুঁকি বিবেচনায় বাঘাইছড়ি উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে সব ধরনের পর্যটন কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেখানে পর্যটকদের ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেলে দেওয়া তথ্য মতে, আবহাওয়ার পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সদস্যরা মাঠে কাজ করছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে মাইকিংসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সতর্ক করা হচ্ছে।