চবি প্রতিনিধি»
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ও চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। জার্মানির ডিডব্লিউ এ্যাকাডেমি ও সাউথ এশিয়া সেন্টার ফর মিডিয়া ইন ডেভেলপমেন্ট (সাকমিড) এ আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সেমিনার কক্ষে এ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম।
উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশ-এর সম্পাদক রুশো মাহমুদ, প্রকাশক ওমর ফারুক, সাকমিড ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য নজর ই জ্বিলানী, ডিডব্লিউ এ্যাকাডেমি এশিয়ার প্রকল্প পরিচালক ও সমন্বয়ক জিমি আমির।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন (নিপু) বলেন, নানা ভাবে ডিডব্লিউ এর সাথে আমাদের সম্পর্ক গড়িয়েছে৷ আমরা আশা করি সামনে আরও ভালো যেসব কাজ আসবে, আমরা তাদের সাথে থাকবো।
ডিডব্লিউ এ্যাকাডেমি এশিয়ার প্রকল্প পরিচালক ও সমন্বয়ক জিমি আমির বলেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য ইন্ডাস্ট্রির সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামের একটা মেলবন্ধন ঘটানো। যখন ছেলেমেয়েরা বের হয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে যায়, তারা যা দেখে সেটা একধরনের ধ্রুব চিত্র। একইসাথে ইন্ডাস্ট্রির অনেক ল্যাকিংস আছে, যা তারাও প্র্যাকটিস টা করে না।
দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক রুশো মাহমুদ বলেন, পৃথিবীর নানা দেশে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজের অনেক সুযোগ আছে। কিন্তু আমাদের দেশে এই প্রবণতা কম। পেশাগত দক্ষতার চেয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে একাডেমিক অনেক কাজ করতে হয়। এখানের ২৩৫০ একর জায়গার মধ্যে শুধুমাত্র ২১ শতাংশ জায়গা ব্যবহার করা যায়। আর সব জায়গা হচ্ছে পাহাড়ি এলাকা। কোনো কাজ করতে গেলেই আমাদের পাহাড়ে হাত দিতে হয়। এখন আমাদের তিনটা প্রকল্প শুরু করতে পারছি না কারণ গাছ কাটতে হবে। আমি ৫ টা গাছ কেটেছি, তবে ২৫০০০ গাছ লাগিয়েছি। ইতিমধ্যে ১৭ একর বনায়ন করেছি।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে তোমরা হল চাও, টিএসসি চাও, উন্মুক্ত মঞ্চ চাও। কিন্তু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব কাজ করতে গেলেই কোনো না কোনো জায়গায় আমাদের হাত দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ এনায়েত উল্ল্যা পাটওয়ারী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) জনাব হাছান মিয়া। উপস্থিত ছিলেন সাকমিডের ডেপুটি ডিরেক্টর জনাব সৈয়দ কামরুল হাসান ও সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার জনাব ইয়াসিন আহমেদ (জীবু)
























































