জাদুর পাখা
মাসুম হাসান
মেঘবালিকা তোমার দেখি
নেই যে কোনো ডানা –
পথ কি আছে জানা?
তবু তুমি কেমন করে
দেশবিদেশে উড়ে –
বেরাও ঘুরেঘুরে?
দাও না এনে আমায় তুমি
এমন জাদুর পাখা –
যাবে ভেসে থাকা,
আমার ও যে ইচ্ছে করে
যেমন খুশি উড়ি,
প্রজাপতি পাখির মতো
বনবাদাড়ে ঘুরি।
গ্রীষ্মের ছুটি
সোহানুজ্জামান মেহরান
আমরা সবাই মুক্ত বিকেলবেলায়
জৈষ্ঠ্যমাসের মধুর মিলনমেলায়
গ্রীষ্মের ছুটি কাটাই মামার বাড়ি,
যাই হারিয়ে কানামাছি খেলায়
বইয়ের সাথে আজকে ছাড়াছাড়ি।
শহর ছেড়ে মামার বাড়ি এসে
ফুলের মতো পাখির মতো হেসে
চড়ছি গাছে ভরছি আমের ঝাকা,
ফিরছি ঘরে দিনের আলো শেষে
রাত্রিটুকু ভোরের আশায় থাকা।
কুসুম কুসুম দোয়েল ডাকা ভোরে
হিমেল হাওয়া নিচ্ছে আপন করে
এমনি করেই বাড়ছে ভীষণ মায়া,
মনটা আমার মামা বাড়ি ঘোরে-
ছুটি শেষে যাচ্ছি ফেলে ছায়া।
হৃদয়ে বাংলাদেশ
কাব্য কবির
বাংলাদেশের নামটা লেখা আমার হৃদয় মাঝে,
দেশটা আমার আছে যেন রূপের রানি সাজে।
পূর্বদিকে রোজ সকালে সোনার রবি ওঠে,
কিচিরমিচির পাখি ডাকে, বাগানে ফুল ফোটে।
সকালবেলা ঘুমটা ভাঙে দোয়েল পাখির শিসে,
হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান থাকি মিলেমিশে।
ভালোবাসার রুমাল দিয়ে মুছে ফেলি রাগ,
ঈদ ও পূজার আনন্দটা সবাই করি ভাগ।
দুপুরবেলা ঘুঘু ডাকে উদাস করা সুরে,
তেপান্তরে মাঠ পেরিয়ে মন যায় বহুদূরে।
চখাচখির মেলা বসে মেঘনা নদীর বাঁকে,
ডাহুক, কোড়া ঝোপেঝাড়ে ভরদুপুরে ডাকে।
দৃশ্য দেখে মুচকি হাসি, দেয় হৃদয়ে দোলা,
রূপের সেরা অপরূপা যায় না দেশকে ভোলা।
ভালো লাগে সবুজ-শ্যামল দেশমাতারই হাসি,
আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।





















































