সুপ্রভাত ডেস্ক »
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, আমরা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছি। সেই স্বাক্ষরের সঙ্গে শহীদের রক্ত মিশে আছে। তাই জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষরকে বাস্তবায়ন করতে চায় সরকার।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এ আয়োজন করে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ক্ষমতার বাইরে বসে ফ্যাসিবাদকে উৎখাত করার জন্য জীবন বাজি রেখে যেভাবে আমরা সবাই মিলে লড়াই করেছিলাম, ঠিক একইভাবে সুশাসনের দায়িত্বও নিশ্চিত করতে চাই। জনগণের নির্বাচিত সংসদের মাধ্যমেই এসব কিছু করতে হবে। এর বাইরে এই লক্ষ্য অর্জন করার আর কোনো সাংবিধানিক বা নিয়মতান্ত্রিক কোনো মঞ্চ আমাদের কাছে নেই। আমরা ধীরে ধীরে সেই পথে এগিয়ে যাচ্ছি। এ কাজটি ঐক্যবদ্ধভাবেই করতে চাচ্ছি। যদি আমরা তা করতে পারি, তাহলেই কেবলমাত্র শহীদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে। শহীদের মর্যাদাকে আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে পারবো।
তিনি বলেন, দেশ চালানোর দায়িত্ব এখন আমাদের ঘাড়ে। সংসদকে সক্রিয় করার দায়িত্বও আমাদের। এছাড়া বিচার বিভাগকে স্বকীয় মর্যাদায় রূপান্তরিত করাসহ দেশের সার্বভৌমত্বকে বাস্তবসম্মতভাবে সুসংহত করা ও বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে দাঁড় করানোর সকল কাজই এ সরকারকে করতে হচ্ছে। একইসঙ্গে বিশাল জনগোষ্ঠীর ক্রমবর্ধমান শিক্ষিত বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। অতএব এসব কাজে আমাদের সবারই সহযোগিতা লাগবে। আমরা চাই সংসদে ও রাজনীতিতে যারা সহযোগিতা করার কথা, তারা সহযোগিতা করবেন।
তিনি আরও বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠার এই কাজ করার জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গণতান্ত্রিক সব শক্তিকে আমরা ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করবো। কিন্তু জনগণের কাছে যদি প্রমাণ হয় কারো বিভ্রান্তি বা অশ্লীলতা মাত্রার বাইরে চলে যাচ্ছে, বা কেউ কেউ বিভিন্ন আদর্শের নামে অন্য কারো চক্রান্তকে বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব নিচ্ছেন- সেক্ষেত্রেও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই আমাদের সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। এই পুরো কাজে সচেতন সাংবাদিকরা পাশে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন বলে আমরা আশাবাদী।

















































