সুপ্রভাত স্পোর্টস ডেস্ক »
২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই শেষে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা। ৪ বছর পার হয়ে আরেকটি বিশ্বকাপও শুরু হয়েছে। আলোচনাও শুরু হয়েছে এবারও আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স ফাইনাল হতে পারে কিনা। আর সেই সম্ভাব্য মহারণের আগে হুঙ্কার ছুড়েছেন ফ্রান্স অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের স্মরণীয় ফাইনালে হ্যাটট্রিক করেও শিরোপা জিততে পারেননি এমবাপে। টাইব্রেকারে জিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আর্জেন্টিনা। চার বছর পর আবারও যদি দুই দল ফাইনালে মুখোমুখি হয়, তাহলে কী হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে এমবাপে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ফ্রান্স প্রতিশোধ নিতে প্রস্তুত। ইতালীয় সাংবাদিক ফ্যাবরিজিও রোমানোর এক প্রশ্নের মন্তব্যে এমবাপে বলেন, ‘আমরা সবসময় যেমন থাকি, তেমনি জয়ের জন্য দৃঢ প্রতিজ্ঞ ও ক্ষুধার্ত থাকব।’ শুধু ভালো ফল নয়, ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যও সামনে রেখেছেন তিনি। ফরাসি তারকার ভাষায়, ‘আমরা ইতিহাস গড়তে এসেছি। এখনও সেটা করতে পারিনি। আমরা এই বিশ্বকাপ জিততে চাই।’ বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে এবারও মাঠে নেমেছে ফ্রান্স। অন্যদিকে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাও শিরোপা ধরে রাখার মিশনে শক্তিশালী দল নিয়ে এসেছে। ফলে দুই দলের আরেকটি ফাইনাল লড়াইয়ের সম্ভাবনা ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তি উত্তেজনা তৈরি করছে। এমবাপে ও মেসির আন্তর্জাতিক দ্বৈরথও ইতোমধ্যে আধুনিক ফুটবলের অন্যতম বড় গল্প হয়ে উঠেছে। ২০১৮ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে ফ্রান্স আর্জেন্টিনাকে বিদায় করেছিল। চার বছর পর কাতারের ফাইনালে সেই হার শোধ করে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের গোলসংখ্যার রেকর্ড নিয়েও চলছে দুজনের প্রতিযোগিতা। মেসির বিশ্বকাপ গোল ১৩টি, আর মাত্র চার গোল করলে তিনি মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বকালের সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবেন। অন্যদিকে মাত্র দুটি বিশ্বকাপ খেলেই এমবাপের গোল ১২টি, রেকর্ড স্পর্শ করতে তার দরকার আরও পাঁচ গোল।
টুর্নামেন্টের নকআউট সূচি অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্স নিজ নিজ গ্রুপ থেকে এগোতে পারলে তারা ভিন্ন পাশে থাকবে। ফলে শেষ ষোলো, কোয়ার্টার ফাইনাল বা সেমিফাইনালে তাদের দেখা হওয়ার সুযোগ নেই। দুই দলের পুনর্মিলনের একমাত্র সম্ভাবনা, আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনাল, যা পুনরায় মঞ্চস্থ করতে পারে ২০২২ সালের সেই ঐতিহাসিক লড়াই।




















































