সুপ্রভাত বাংলাদেশ

একটি ফোনকলও হতে পারে হাসপাতালের ব্র্যান্ডের প্রথম পরিচয়

ফ্রেশার থেকে ফিউচার লিডার: কর্মক্ষেত্রে তরুণদের নতুন বাস্তবতা

২০ বছরে কর্ণফুলী ইপিজেডে বিনিয়োগ বেড়েছে ৪১২ গুণ

  • সর্বশেষ
  • বিজনেস
    • চট্টগ্রাম বন্দর
    • কাস্টমস
    • এনবিআর
    • শিপিং
    • ব্যাংক-বীমা
    • শেয়ারবাজার
    • করপোরেট
    • শিল্পবাণিজ্য সংবাদ
    • বিনিয়োগ
    • জ্বালানি
    • এভিয়েশন
    • টেলিকম
    • উদ্যোক্তা
    • বিশ্ব অর্থনীতি
  • মহানগর
    • সিটি কর্পোরেশন
    • সিএমপি
    • জেলা প্রশাসন
    • বিদ্যুৎ
    • হাসপাতাল
    • রেলওয়ে
    • ওয়াসা
    • সিডিএ
    • আবহাওয়া
    • কারাগার
    • গণপরিবহন
    • বাজার
    • দুর্নীতি দমন কমিশন
    • সংগঠন সংবাদ
  • বৃহত্তর চট্টগ্রাম
    • চট্টগ্রাম জেলা
      • কর্ণফুলী
      • বোয়ালখালী
      • পটিয়া
      • আনোয়ারা
      • চন্দনাইশ
      • সাতকানিয়া
      • লোহাগাড়া
      • বাঁশখালী
      • মিরসরাই
      • সন্দ্বীপ
      • সীতাকুণ্ড
      • হাটহাজারী
      • রাউজান
      • রাঙ্গুনিয়া
      • ফটিকছড়ি
    • কক্সবাজার
      • কক্সবাজার সদর
      • রামু
      • ঈদগাঁও
      • চকরিয়া
      • পেকুয়া
      • মাতামুহুরী
      • কুতুবদিয়া
      • মহেশখালী
      • উখিয়া
      • টেকনাফ
    • রাঙ্গামাটি
      • রাঙ্গামাটি সদর
      • বাঘাইছড়ি
      • বরকল
      • বিলাইছড়ি
      • জুরাছড়ি
      • লংগদু
      • কাউখালী
      • কাপ্তাই
      • নানিয়ারচর
      • রাজস্থলী
    • বান্দরবান
      • বান্দরবান সদর
      • লামা
      • আলীকদম
      • থানচি
      • নাইক্ষ্যংছড়ি
      • রোয়াংছড়ি
      • রুমা
    • খাগড়াছড়ি
      • খাগড়াছড়ি সদর
      • দীঘিনালা
      • মহালছড়ি
      • মাটিরাঙ্গা
      • পানছড়ি
      • মানিকছড়ি
      • গুইমারা
      • লক্ষ্মীছড়ি
      • রামগড়
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াতে ইসলামী
    • জাতীয় পার্টি
    • এনসিপি
    • হেফাজতে ইসলামী
    • যুবদল
    • যুবলীগ
    • ছাত্রদল
    • ছাত্রলীগ
    • ছাত্রশিবির
    • ছাত্রশক্তি
    • শ্রমিক দল
    • শ্রমিক লীগ
    • শ্রমিক ফেডারেশন
  • শিক্ষা
    • ক্যাম্পাস
  • স্বাস্থ্য
  • স্বদেশ
    • জাতীয়
    • অপরাধ-আদালত
    • সরকার
    • সংসদ
    • প্রশাসন
    • পরিবেশ-জলবায়ু
    • প্রতিরক্ষা
    • নির্বাচন
    • নারী
  • আন্তর্জাতিক
    • এশিয়া
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • আফ্রিকা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    • ভারত
    • চীন
    • পাকিস্তান
  • খেলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • অন্য খেলা
  • ফিচার
    • মতামত
      • সম্পাদকীয়
      • বিশেষ সংখ্যা
    • শিল্প-সাহিত্য
    • এলাটিং বেলাটিং
    • বিনোদন-সংস্কৃতি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • খাবারদাবার
    • লাইফস্টাইল
    • ভ্রমণ
    • চাকরি
  • ভিডিও
  • English
ই-পেপার
সুপ্রভাত বাংলাদেশসুপ্রভাত বাংলাদেশ
  • বিজনেস
  • মহানগর
  • বৃহত্তর চট্টগ্রাম
  • স্বদেশ
  • রাজনীতি
  • অপরাধ-আদালত
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • ফিচার
  • লাইফস্টাইল
  • ভিডিও
সার্চ
  • সর্বশেষ
  • বিজনেস
    • চট্টগ্রাম বন্দর
    • কাস্টমস
    • এনবিআর
    • শিপিং
    • ব্যাংক-বীমা
    • শেয়ারবাজার
    • করপোরেট
    • শিল্পবাণিজ্য সংবাদ
    • বিনিয়োগ
    • জ্বালানি
    • এভিয়েশন
    • টেলিকম
    • উদ্যোক্তা
    • বিশ্ব অর্থনীতি
  • মহানগর
    • সিটি কর্পোরেশন
    • সিএমপি
    • জেলা প্রশাসন
    • বিদ্যুৎ
    • হাসপাতাল
    • রেলওয়ে
    • ওয়াসা
    • সিডিএ
    • আবহাওয়া
    • কারাগার
    • গণপরিবহন
    • বাজার
    • দুর্নীতি দমন কমিশন
    • সংগঠন সংবাদ
  • বৃহত্তর চট্টগ্রাম
    • চট্টগ্রাম জেলা
    • কক্সবাজার
    • রাঙ্গামাটি
    • বান্দরবান
    • খাগড়াছড়ি
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াতে ইসলামী
    • জাতীয় পার্টি
    • এনসিপি
    • হেফাজতে ইসলামী
    • যুবদল
    • যুবলীগ
    • ছাত্রদল
    • ছাত্রলীগ
    • ছাত্রশিবির
    • ছাত্রশক্তি
    • শ্রমিক দল
    • শ্রমিক লীগ
    • শ্রমিক ফেডারেশন
  • শিক্ষা
    • ক্যাম্পাস
  • স্বাস্থ্য
  • স্বদেশ
    • জাতীয়
    • অপরাধ-আদালত
    • সরকার
    • সংসদ
    • প্রশাসন
    • পরিবেশ-জলবায়ু
    • প্রতিরক্ষা
    • নির্বাচন
    • নারী
  • আন্তর্জাতিক
    • এশিয়া
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • আফ্রিকা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    • ভারত
    • চীন
    • পাকিস্তান
  • খেলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • অন্য খেলা
  • ফিচার
    • মতামত
    • শিল্প-সাহিত্য
    • এলাটিং বেলাটিং
    • বিনোদন-সংস্কৃতি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • খাবারদাবার
    • লাইফস্টাইল
    • ভ্রমণ
    • চাকরি
  • ভিডিও
ফলো করুন
© 2025-2026 Suprobhat Bangladesh. All Rights Reserved.

সম্পাদকের বাছাই

সিঅ্যান্ডএফ কর্মীকে মেরে বরখাস্ত বন্দরকর্মী
চট্টগ্রাম বন্দরে অনুমতি ছাড়া ছবি-ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞা
সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সম্পাদক পরিষদের উদ্বেগ
পচনশীল পণ্য ই-নিলামে বিক্রির নির্দেশ
ইউনিলিভার ও ফ্রেন্ডশিপের যৌথ উদ্যোগ
আন্তর্জাতিক মিডিয়া ফেস্টে চট্টগ্রামের একঝাঁক শিক্ষার্থী

লকডাউন না ঈদ?

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ এপ্রিল ২০২১ ১:০৯ অপরাহ্ণ
শেয়ার

আমীন আল রশীদ »

গত শনি ও রবিবার রাজধানী ও বড় বড় শহরের বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন ও লঞ্চ টার্মিনাল এবং সোমবার সকালেও ফেরিঘাটের যেসব চিত্র গণমাধ্যমে এসেছে, তাতে যে কারও মনে হতে পারে, বুঝি বা ঈদের ছুটি ঘোষিত হয়েছে অথবা দুদিন বাদেই ঈদ। কেননা, প্রতি বছর ঈদের সময়ই বাস, লঞ্চ ও রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের এরকম উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। কিন্তু না, ঈদের ছুটি নয়। গত বছরের মতো করোনাকালীন সাধারণ ছুটিও নয়। বলা হচ্ছে লকডাউন।
লকডাউন মানে সবকিছু বন্ধ। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বেরোনো নিষেধ। লকডাউন মানে জরুরি সেবা ছাড়া অন্য পেশার মানুষের অফিস বন্ধ অথবা সীমিত লোকবল দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস বা কলকারখানা চালু। লকডাউন মানে গণপরিবহনও বন্ধ। শুধু অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গণমাধ্যমের গাড়ি চলবে। কিন্তু করোনার ঊর্ধ্বমুখী গ্রোত প্রতিরোধের জন্য সরকারের লকডাউন ঘোষণার পরই ঢাকা ছাড়তে মানুষের যে ভিড় লক্ষ করা গেছে এবং নামে ‘লকডাউন’ হলেও আদতে এর ফলাফল কী হবে—তা নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
করোনা প্রতিরোধের প্রধান শর্ত হলো বাইরে বের হলে মুখে মাস্ক পরে থাকা এবং পরস্পরের থেকে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা। কিন্তু বাস, লঞ্চ ও রেলস্টেশনে হাজার হাজার মানুষ যেভাবে গায়ে গা লাগিয়ে গণপরিবহনে উঠেছেন এবং যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করেছেন, সেখানে শারীরিক দূরত্বের কোনও বালাই ছিল না। টেলিভিশনের খবরে দেখা গেছে, ওই ভিড়ের মধ্যে অনেকের মুখে মাস্ক নেই। অর্থাৎ যে করোনা প্রতিরোধের জন্য লকডাউন দেওয়া হলো, সেই করোনা আরও বেশি ছড়িয়ে দেওয়ার সব আয়োজনই সম্পন্ন হয়েছে বাস, লঞ্চ ও রেলস্টেশনে। যারা এভাবে গাদাগাদি করে ঢাকা বা বড় শহর ছাড়লেন, তাদের মধ্যে যদি ২০ শতাংশ মানুষের শরীরেও করোনাভাইরাস থেকে থাকে, তাহলে তারা এই দুদিনে আরও কত মানুষকে সংক্রমিত করলেন?
করোনায় সংক্রমিত ছিলেন না, কিন্তু নগর ছাড়তে গিয়ে এরকম ঠাসাঠাসির মধ্যে যদি সত্যিই বিপুল সংখ্যক মানুষ সংক্রমিত হয়ে থাকেন এবং বাড়ি যাওয়ার পরে যদি তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন, তারা কোথায় চিকিৎসা করাবেন? জেলা-উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোয় করোনার কি পর্যাপ্ত চিকিৎসা আছে? কারও যদি করোনা পরীক্ষার প্রয়োজন হয়, তারা কি সহজে সেখানে পরীক্ষা করাতে পারবেন? জেলা-উপজেলা শহর তো দূরে থাক, খোদ রাজধানীর বড় বড় সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালেও যখন সিট ফাঁকা নেই, চিকিৎসা পাওয়া কঠিন, অক্সিজেন সংকট, এমনকি রোগী ভর্তি করাও যাচ্ছে নাÑতখন এই লকডাউনের সুযোগে বাড়ি যেতে গিয়ে যদি নতুন করে আরও কয়েক হাজার মানুষ করোনায় সংক্রমিত হন এবং তারা যদি আরও অনেককে সংক্রমিত করতে থাকেন, তাহলে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?
কেন লকডাউন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ এভাবে দলবেঁধে ঢাকা ছাড়তে উদ্যত হলো? ঢাকায় থাকলে করোনা হবে আর ঢাকার বাইরে গেলে নিরাপদ? কারা ঢাকা ছাড়লেন? যারা গিয়েছেন তাদের সবাই কি দিনমজুর বা তাদের নিয়মিত পেশা নেই? তারা কোন আতঙ্কে বা আশঙ্কায় ঢাকা ছাড়লেন? লকডাউন হলেই মানুষকে ঢাকা ছাড়তে হবে কেন? এখানে কি তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করেন না?
লকডাউন ঘোষিত হয়েছে এক সপ্তাহের জন্য। কিন্তু মানুষ কি ধরেই নিয়েছে যে এটি দ্বিতীয় দফায় আরও এক সপ্তাহ এবং এরপর ধারাবাহিকভাবে রোজার ঈদ পর্যন্ত বাড়বে? যেহেতু রোজার ঈদ পর্যন্ত বাড়বে এবং গণপরিবহন বন্ধ থাকলে তখন বাড়ি যাওয়া যাবে না, সেই আতঙ্কে কি অনেকে নগর ছেড়েছেন?
লকডাউন মানে বিধিনিষেধের কড়াকড়ি। মানুষ কি কড়াকড়ি চায় না? তারা কি চায় এই সুযোগে জেলা উপজেলা শহর বা গ্রামে পরিবার পরিজনের সঙ্গে ছুটির আনন্দে দিনগুলো কাটাবে? করোনা এবং লকডাউন কি শুধু রাজধানীবাসীর জন্য? যারা দলবেঁধে ঢাকার বাইরে গেলেন, তারা কি ভাবছেন যে, সেসব জায়গায় লকডাউন হবে না বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অতটা কঠোর হবে না?
যেদিন লকডাউনের প্রজ্ঞাপন হলো সেদিন দুপুরে রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন ব্যবসায়ীরা। কারণ, তারা লকডাউন চান না। তাদের দাবি, গত বছরের সাধারণ ছুটিতে তাদের যে ব্যবসায়িক ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। ফলে নতুন করে লকডাউন দিলে সেই ক্ষতি আরও বাড়বে। বিশেষ করে আর কিছু দিন পরেই যেহেতু ঈদের কেনাকাটা শুরু হওয়ার কথা, সেটি ব্যর্থ হলে তাদের অনেককে পথে বসতে হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যদি করোনায় প্রতিদিন সংক্রমিত হওয়ার সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যায় এবং মৃত্যু যদি একশ’ কিংবা তারও বেশি হতে থাকে, তাহলে সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সামনে আর বিকল্প কী পথ ছিল?
বলা হচ্ছে, যেসব অফিস ও কলকারখানা চলবে, তারা নিজস্ব ব্যবস্থায় কর্মীদের আনা-নেওয়া করবেন। কিন্তু সব প্রতিষ্ঠানের কি নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা আছে? লকডাউনের প্রথম সকালে টেলিভিশনের খবরে দেখা গেছে, অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, গণপরিবহন বন্ধ কিন্তু অফিস খোলা। কীভাবে যাবো আপনি বলুন।
অদ্ভুত বিষয় হলো, ব্যাংক খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। প্রশ্ন হলো, মাত্র আড়াই ঘণ্টায় কি একটি ব্যাংকের সব লেনদেন সম্ভব? অল্প সময় খোলা রাখলে কি গ্রাহকরা ব্যাংকে কম যাবেন নাকি করোনা এই সময়ে কম ছড়াবে? বরং উল্টো হওয়ার শঙ্কা বেশি এ কারণে যে, যেহেতু অল্প সময় ব্যাংক খোলা থাকবে, অতএব একসঙ্গে অনেক লোক ভিড় করবেন এবং সেখানে শারীরিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘিত হওয়ার শঙ্কা থাকবে।
কোনোভাবেই জনগণের একটি বড় অংশ স্বাস্থ্যবিধি পুরোপুরি মানা তো দূরে থাক, মাস্কই পরে না বা পরতে আগ্রহী নয়। গণমাধ্যমে প্রতিদিন এই বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চললে মানুষ তা সামান্যই পাত্তা দেয়। জনগণের একটি বড় অংশের মনে এখনও এই ধারণা বদ্ধমূল যে, করোনা বড়লোকের রোগ; গরিবের হবে না। ফলে স্বাস্থ্যবিধি বা মাস্ক পরার আহ্বানে তারা সাড়া দিতে অনাগ্রহী। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সত্যিই সুনামির মতো ছড়িয়ে পড়েছে এবং স্বয়ং স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, পরিস্থিতি দ্রুত নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। সুতরাং, এ অবস্থায় লকডাউনের বিকল্প কি কিছু ছিল?
গণপরিবহন বন্ধ। কিন্তু বইমেলা চলবে। মেলা প্রাঙ্গণের আশপাশে যাদের বাড়ি, তারা হেঁটে যেতে পারবেন। বাকিরা কীভাবে যাবেন? লকডাউন যদি এক সপ্তাহের পরে আর না বাড়ানো হয়, তাহলে এক সপ্তাহ পর থেকে মেলা হয়তো জমবে। কিন্তু তখন রোজা শুরু হয়ে যাবে। তাছাড়া মেলার নির্ধারিত সময়ও শেষ হয়ে যাবে। তার মানে এই লকডাউনের সাতদিনে মেলায় বই বিক্রি হবে সামান্যই। তাহলে লকডাউনের মধ্যে বইমেলা চালু রাখার যুক্তিটা কী? ব্যবসায়ীরা কি মনে করছেন যে, যেহেতু এবার এমনিতেই মেলা জমেনি বা বই বিক্রি কম হয়েছে, তাই লকডাউনে সাতদিনে সামান্য কিছুও যদি বিক্রি হয়, তাতেই বা মন্দ কী?
গত বছরের সাধারণ ছুটির সময়ে গরিব ও দিনমজুরদের জন্য সরকারের তরফে খাদ্য সরবরাহের একটা উদ্যোগ ছিল। এবার সেরকম কোনও ব্যবস্থা নেই। তাহলে গরিব ও দিনমজুররা এই লকডাউনের সময়ে কী খাবেন?
পরিশেষে, মানুষ যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানে, অন্তত মাস্কটা না পরে, তাহলে সাতদিন কেন, এক মাস লকডাউন দিয়েও কোনও লাভ নেই।
লেখক : সাংবাদিক

Ad image
সিঅ্যান্ডএফ কর্মীকে মেরে বরখাস্ত বন্দরকর্মী
চট্টগ্রাম বন্দরে অনুমতি ছাড়া ছবি-ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞা
সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সম্পাদক পরিষদের উদ্বেগ
চট্টগ্রাম কাস্টম/ পচনশীল পণ্য ই-নিলামে বিক্রির নির্দেশ
ইউনিলিভার বাংলাদেশ ও ফ্রেন্ডশিপ/ ইউনিলিভার ও ফ্রেন্ডশিপের যৌথ উদ্যোগ
এলপিজি/ ১৮১০ টাকার গ্যাস ২৩০০ টাকা, তবু সংকট চট্টগ্রামে
লটারিতে ঢাকার ‘প্রাইজ পোস্টিং’ পেলেন চট্টগ্রামের তিন সাব-রেজিস্ট্রার
বুলেট হাতে ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওর দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
আনোয়ারায় অস্ত্র হাতে মহড়া দেওয়া ‘বুলেট শিবলু’ গ্রেপ্তার
বরাদ্দ প্লটের অনেকগুলোই খালি
দুদকের মামলায় চট্টগ্রাম ওয়াসার সাবেক গাড়িচালক ও স্ত্রীর কারাদণ্ড

আর্কাইভ

আরও পড়ুন

স্মার্ট মিটার, কিন্তু গ্রাহকের ভোগান্তি কেন?

একটি ফোনকলও হতে পারে হাসপাতালের ব্র্যান্ডের প্রথম পরিচয়

বয়স্কবান্ধব সমাজ ও দেশ গড়ে তুলতে হবে

সারের বদলে আসছে মাদক নিরাপত্তাহীন সীমান্ত

সুপ্রভাত বাংলাদেশ

সম্পাদক : রুশো মাহমুদ  |  প্রকাশক : মোহাম্মদ ওমর ফারুক

  • বিজনেস
  • বন্দর ও বাণিজ্য
  • মহানগর
  • বৃহত্তর চট্টগ্রাম
  • স্বদেশ
  • অপরাধ
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • বিশ্ব
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • লাইফস্টাইল
  • রাজনীতি
  • ইপেপার
  • বিশেষ সংখ্যা
  • নারী
  • বিজ্ঞাপন
  • সার্কুলেশন
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: কর্ণফুলী টাওয়ার, ৬৩ এস এস খালেদ রোড, চট্টগ্রাম ৪০০০।
ফোন: 02333363044-45   E-mail : [email protected]

স্বত্ব © ২০১০-২০২৬ সুপ্রভাত বাংলাদেশ
Welcome Back!

Sign in to your account

ইউজার নেইম অথবা ইমেইল ঠিকানা
পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?