সুপ্রভাত ডেস্ক >>
চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। “সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা” শিরোনামের এই আয়োজনে মাঠপর্যায়ে সাংবাদিকদের নানা ঝুঁকি, অভিজ্ঞতা ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
গতকাল সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের হোটেল ওয়েলপার্ক রেসিডেন্সে আয়োজিত এই আয়োজনে আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের চেয়ে সাংবাদিকদের বাস্তব অভিজ্ঞতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। এতে আলোচনায় অংশ নিয়ে সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হুমকি, আইনি নোটিশ, শারীরিক ঝুঁকি এবং মানসিক চাপের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এই অনুষ্ঠানের আয়োজক সোসাইটি ফর মিডিয়া সাপোর্ট নেটওয়ার্ক (এমএসএন)।
সম্প্রতি চট্টগ্রামের ফেরদৌস শিপইয়ার্ডের ঘটনায় পর্যাপ্ত প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থার অভাবে ঘটনাস্থলের দমবন্ধ করা পরিস্থিতির কথাও উঠে আসে আলোচনায়। সাংবাদিকরা বলেন, কখন একজন সংবাদকর্মী কীভাবে ঝুঁকিতে পড়ছেন, কোন পরিস্থিতিতে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন এবং কোথায় প্রস্তুতির ঘাটতি রয়েছে, এসব বিষয়ে সহকর্মীদের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিতে পারে। মাঠের সাংবাদিকতার নিরাপত্তার অনেক পাঠই আসে বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে।
সভায় স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন এবং সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের সুপারিশও উঠে আসে। পাশাপাশি বিপদের সময় চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের পারস্পরিক সহযোগিতা ও পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
আয়োজকরা বলেন, নিরাপদ সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করতে মাঠের সাংবাদিকদের অভিজ্ঞতা, প্রত্যাশা ও বাস্তব সমস্যাগুলো নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তুলে ধরা প্রয়োজন। এজন্যই এই ধরণের আয়োজন করা হয়েছে। এই আয়োজনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হবে। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন এমএসএন-এর প্রধান সংগঠক মাইনুল ইসলাম খান ও আহ্বায়ক জিমি আমির, দৈনিক পূর্বকোণের চীফ রিপোর্টার মো. সাইফুল আলম, দীপ্ত টেলিভিশনের সংবাদকর্মী লতিফা আনসারি, জাগো নিউজের ইকবাল হোসাইন, দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের শামসুদ্দিন ইলিয়াস, পূর্বকোণের তাসনীম হাসান ও মিজানুর রহমান, প্রথম আলোর ইফতেখার ফয়সাল ও জুয়েল শীল, ডেইলী স্টারের এফ এম মিজানুর রহমান, ডেইলি সানের আবু আজাদ, এখন টেলিভিশনের আশহাবুর রহমান, কালের কণ্ঠের ফারুক মুনীর, সি প্লাসের ফরহাদ শিকদার এবং চ্যানেল ওয়ানের মরিয়ম জাহানসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।




















































