সুপ্রভাত বাংলাদেশ
একটি ফোনকলও হতে পারে হাসপাতালের ব্র্যান্ডের প্রথম পরিচয়
ফ্রেশার থেকে ফিউচার লিডার: কর্মক্ষেত্রে তরুণদের নতুন বাস্তবতা
২০ বছরে কর্ণফুলী ইপিজেডে বিনিয়োগ বেড়েছে ৪১২ গুণ
  • বিজনেস
    • চট্টগ্রাম বন্দর
    • কাস্টমস
    • এনবিআর
    • শিপিং
    • ব্যাংক-বীমা
    • শেয়ারবাজার
    • করপোরেট
    • শিল্পবাণিজ্য সংবাদ
    • বিনিয়োগ
    • জ্বালানি
    • এভিয়েশন
    • টেলিকম
    • উদ্যোক্তা
    • বিশ্ব অর্থনীতি
  • মহানগর
    • সিটি কর্পোরেশন
    • সিএমপি
    • জেলা প্রশাসন
    • বিদ্যুৎ
    • হাসপাতাল
    • রেলওয়ে
    • ওয়াসা
    • সিডিএ
    • আবহাওয়া
    • কারাগার
    • গণপরিবহন
    • বাজার
    • দুর্নীতি দমন কমিশন
    • সংগঠন সংবাদ
  • বৃহত্তর চট্টগ্রাম
    • চট্টগ্রাম জেলা
      • কর্ণফুলী
      • বোয়ালখালী
      • পটিয়া
      • আনোয়ারা
      • চন্দনাইশ
      • সাতকানিয়া
      • লোহাগাড়া
      • বাঁশখালী
      • মিরসরাই
      • সন্দ্বীপ
      • সীতাকুণ্ড
      • হাটহাজারী
      • রাউজান
      • রাঙ্গুনিয়া
      • ফটিকছড়ি
    • কক্সবাজার
      • কক্সবাজার সদর
      • রামু
      • ঈদগাঁও
      • চকরিয়া
      • পেকুয়া
      • মাতামুহুরী
      • কুতুবদিয়া
      • মহেশখালী
      • উখিয়া
      • টেকনাফ
    • রাঙ্গামাটি
      • রাঙ্গামাটি সদর
      • বাঘাইছড়ি
      • বরকল
      • বিলাইছড়ি
      • জুরাছড়ি
      • লংগদু
      • কাউখালী
      • কাপ্তাই
      • নানিয়ারচর
      • রাজস্থলী
    • বান্দরবান
      • বান্দরবান সদর
      • লামা
      • আলীকদম
      • থানচি
      • নাইক্ষ্যংছড়ি
      • রোয়াংছড়ি
      • রুমা
    • খাগড়াছড়ি
      • খাগড়াছড়ি সদর
      • দীঘিনালা
      • মহালছড়ি
      • মাটিরাঙ্গা
      • পানছড়ি
      • মানিকছড়ি
      • গুইমারা
      • লক্ষ্মীছড়ি
      • রামগড়
  • জাতীয়
    • সরকার
    • সংসদ
    • প্রশাসন
    • পরিবেশ-জলবায়ু
    • প্রতিরক্ষা
    • নির্বাচন
    • নারী
  • আন্তর্জাতিক
    • এশিয়া
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • আফ্রিকা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    • ভারত
    • চীন
    • পাকিস্তান
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াতে ইসলামী
    • জাতীয় পার্টি
    • এনসিপি
    • হেফাজতে ইসলামী
    • যুবদল
    • যুবলীগ
    • ছাত্রদল
    • ছাত্রলীগ
    • ছাত্রশিবির
    • ছাত্রশক্তি
    • শ্রমিক দল
    • শ্রমিক লীগ
    • শ্রমিক ফেডারেশন
  • অপরাধ-আদালত
  • খেলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • অন্য খেলা
  • ফিচার
    • জেন-জি
    • মতামত
      • সম্পাদকীয়
      • বিশেষ সংখ্যা
    • শিল্প-সাহিত্য
    • এলাটিং বেলাটিং
    • বিনোদন-সংস্কৃতি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • খাবারদাবার
    • লাইফস্টাইল
    • ভ্রমণ
    • চাকরি
  • শিক্ষা
    • ক্যাম্পাস
  • স্বাস্থ্য
  • ভিডিও
  • English
ই-পেপার
সুপ্রভাত বাংলাদেশসুপ্রভাত বাংলাদেশ
  • বিজনেস
  • মহানগর
  • বৃহত্তর চট্টগ্রাম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অপরাধ-আদালত
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • ফিচার
  • লাইফস্টাইল
  • ভিডিও
সার্চ
  • বিজনেস
    • চট্টগ্রাম বন্দর
    • কাস্টমস
    • এনবিআর
    • শিপিং
    • ব্যাংক-বীমা
    • শেয়ারবাজার
    • করপোরেট
    • শিল্পবাণিজ্য সংবাদ
    • বিনিয়োগ
    • জ্বালানি
    • এভিয়েশন
    • টেলিকম
    • উদ্যোক্তা
    • বিশ্ব অর্থনীতি
  • মহানগর
    • সিটি কর্পোরেশন
    • সিএমপি
    • জেলা প্রশাসন
    • বিদ্যুৎ
    • হাসপাতাল
    • রেলওয়ে
    • ওয়াসা
    • সিডিএ
    • আবহাওয়া
    • কারাগার
    • গণপরিবহন
    • বাজার
    • দুর্নীতি দমন কমিশন
    • সংগঠন সংবাদ
  • বৃহত্তর চট্টগ্রাম
    • চট্টগ্রাম জেলা
    • কক্সবাজার
    • রাঙ্গামাটি
    • বান্দরবান
    • খাগড়াছড়ি
  • জাতীয়
    • সরকার
    • সংসদ
    • প্রশাসন
    • পরিবেশ-জলবায়ু
    • প্রতিরক্ষা
    • নির্বাচন
    • নারী
  • আন্তর্জাতিক
    • এশিয়া
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • আফ্রিকা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    • ভারত
    • চীন
    • পাকিস্তান
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াতে ইসলামী
    • জাতীয় পার্টি
    • এনসিপি
    • হেফাজতে ইসলামী
    • যুবদল
    • যুবলীগ
    • ছাত্রদল
    • ছাত্রলীগ
    • ছাত্রশিবির
    • ছাত্রশক্তি
    • শ্রমিক দল
    • শ্রমিক লীগ
    • শ্রমিক ফেডারেশন
  • অপরাধ-আদালত
  • খেলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • অন্য খেলা
  • ফিচার
    • জেন-জি
    • মতামত
    • শিল্প-সাহিত্য
    • এলাটিং বেলাটিং
    • বিনোদন-সংস্কৃতি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • খাবারদাবার
    • লাইফস্টাইল
    • ভ্রমণ
    • চাকরি
  • শিক্ষা
    • ক্যাম্পাস
  • স্বাস্থ্য
  • ভিডিও
ফলো করুন
© 2025-2026 Suprobhat Bangladesh. All Rights Reserved.

সম্পাদকের বাছাই

ডাকঘরে ডাকাতি: মামলা করে হুমকির মুখে পোস্টমাস্টার
অ্যান কারসনের দুটি কবিতা
পর্দা উঠল শারদীয় দুর্গোৎসবের, আজ মহাষষ্ঠী
পূজায় দ্য বাস্কেটে বিশেষ ছাড়
মাছের বাজারে অস্থিরতা, চড়া নিত্যপণ্যের দাম
শিশু বিশেষজ্ঞ মনজুর মোর্শেদ আর নেই
অনুমোদন মেলেনি, মেলা চালাতে এবার ‘মিনতি’

কতটুকু যেতে পারবেন জো বাইডেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ জানুয়ারি ২০২১ ৪:২১ অপরাহ্ণ
শেয়ার

আবদুল মান্নান :

বিশ্বের মুরুব্বি বলে খ্যাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২০ জানুয়ারি শপথ নিলেন ৭৮ বছর বয়সী জো বাইডেন । সাথে তাঁর ভাইস প্রেসিডেন্ট, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মহিলা ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস যাঁর মা ভারতীয় ও বাবা ক্যারিবিয়ান । বাইডেন হলেন যুক্তরাষ্টের সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্ট। রোনাল্ড রেগান যখন প্রথমবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন তখন তাঁর বয়স ছিল ৬৯ । বাইডেন তাঁকে টপকে গেলেন । যুক্তরাষ্ট্রের এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, পরবর্তীকালের ঘটনাবলি, শপথ গ্রহণ দিনের প্রস্তুতি, সব কিছু সেই দেশের ইতিহাসে একাধিক নানা তর্ক বিতর্কের জন্ম দিয়ে স্মরণ করার মতো বিষয় হয়ে থাকবে । নির্বাচনী প্রচারের শুরু থেকে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন তিনি হারতে পারেন না আর যদি তিনি না জিতেন তা হলে তিনি নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবেন না । ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় কোন শালীনতা ছিল না ।  তিনি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্রেট দলীয় প্রার্থী জো বাইডেনকে সব সময় তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে কথা বলতেন । বাইডেন দীর্ঘদিন ধরে সিনেটর ছিলেন, পরবর্তীকালে বারাক ওবামার ভাইস প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন । কমলা হ্যারিস একজন তুখোড় আইনজীবী থেকে সিনেটর হয়েছিলেন । তার বাবা মা দু’জনই উচ্চশিক্ষিত ও মার্জিত ।  সেই তুলনায় ট্রাম্পের কোন রাজনৈতিক অতীত ছিল না । তিনি একজন ব্যবসায়ী । অভিবাসী পিতামহ ছিলেন পতিতার দালাল ।   ১৯৯১ সাল হতে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ট্রাম্পের মালিকানাধীন পাঁচটি হোটেল ও ক্যাসিনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করেছিল । বাংলাদেশ হতে ট্রাম্পের কোম্পানি বিপুল পরিমাণের তৈরি পোশাক আমদানি করে ।  অন্য দশজন মার্কিনীর মতো তিনিও একজন অভিবাসীর সন্তান যা ইতোপূর্বে উল্লেখ করেছি ।  ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প ২০০৬ সালে মার্কিন নাগরিকত্ব পান ।  ছিলেন মডেল ।

২০১৬ সালে যখন ট্রাম্প ডেমোক্রেট প্রার্থী সাবেক ফার্স্ট লেডি ও বারাক ওবামার পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টনের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তখন মানুষ প্রথম তার নামের সাথে পরিচিত হয় । সকলে ধারণা করেছিল হিলারি বুঝি জিতে যাবেন । হিলারি ট্রাম্পের চেয়ে ত্রিশ লক্ষ বেশি সাধারণ ভোটারের সমর্থন পেয়েও ট্রাম্পের কাছে হেরে গিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের জটিল নির্বাচনী প্রক্রিয়ার কারণে । শুরুতে একজন অজানা ট্রাম্প কেমন প্রেসিডেন্ট হবেন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে সে প্রশ্ন ছিল অনেকের । তবে ট্রাম্প যখন তার নির্বাচনী প্রচারণা করছিলেন তখন বুঝা গিয়েছিল, নির্বাচনে বিজয় হলে কেমন প্রেসিডেন্ট হবেন তিনি । বুঝা গিয়েছিল, চারিত্রিকভাবে তিনি ছিলেন মারাত্মক একরোখা এবং নিজেকে ছাড়া অন্যকে তেমন একটা গুরুত্ব দিতেন না । তার নৈতিকতা ছিল একেবারেই অনুল্লেখ্য । তাঁর সাথে দেহ ব্যবসায়ীদের সাথে যে সম্পর্ক ছিল তা তিনি কখনো গোপন করেননি।

দেশ ও সরকার কি ভাবে পরিচালিত হয় সেই সম্পর্কে তার জ্ঞান একজন হাই স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীর সমপর্যায়েরও ছিল না । ট্রাম্পের কথাবার্তায় সবসময় মনে হতো তিনি কোন গণতান্ত্রিক দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য লড়াই করছেন না, করছেন একজন স্বৈরাচার  হওয়ার জন্য । তিনি যখন দায়িত্ব নেয়ার সময় তার বক্তৃতায় বলেন, ‘আমেরিকা হবে আমেরিকাবাসীর জন্য’ তখন বস্তুতপক্ষে তিনি ঘোষণা করেছেন আমেরিকা হবে সাদাদের, অন্যান্যরা যেমন কালো, হিসপানিক, এশীয়,  চীনা, মেক্সিকান প্রভৃতি দেশ বা অঞ্চলের মানুষের জায়গা যুক্তরাষ্ট্র নয় । ঘোষণা করেছিলেন বিশ্বায়নের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের যে সব কর্মকা- দেশের বাইরে চলে গিয়েছে তা তিনি আবার দেশে ফিরিয়ে আনবেন যা বাস্তবে তেমন একটা সম্ভব নয় ।

আজ হতে প্রায় ষাট বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সি নিয়ে লিখে রিচার্ড নিউস্টাডাট বেশ যশ ও খ্যাতি অর্জন করেছিলেন । তিনি লিখেছিলেন, হোয়াইট হাউজ কোন আনাড়িদের জায়গা নয় । চার বছর মেয়াদ কালে ট্রাম্প তার পদের মর্যাদা কখনো বুঝতে পারেননি । আচরণ করেছেন একজন নি¤œমানের আনাড়ির মতো ।  যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন মিডিয়া হিসাব করে দেখিয়েছে, ট্রাম্প গত চার বছরে গড়ে প্রতিদিন একুশটি মিথ্যা কথা বলেছেন । বিশ্লেষকরা বলেছেন অজ্ঞতা ছিল ট্রাম্পের বৈশিষ্ট্য আর নিজ দেশের সংবিধান বা ইতিহাস সম্পর্কে তাঁর কোন ধারণাই ছিল না । তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে তাঁর একান্ত বশংবদ ফক্স টিভির সংবাদ ও তথ্যের বাইরেও যে একটি বাস্তবজগত আছে তা বিশ্বাস করতে তিনি অস্বীকার করেছিলেন। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি ও সামরিকভাবে শক্তিশালী দেশের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনে তিনি সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছিলেন । তার সাথে প্রশাসনের কেউ যুক্তি দিয়ে কথা বললে বা দ্বিমত করলে তিনি তাকে তাৎক্ষণিক ছাঁটাই করতে দ্বিধা করতেন না । এর ফলে শেষের দিকে ট্রাম্পের প্রশাসন সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিল।

তার কর্মকা-ের কারণে তিনি বর্ণবাদীদের ঈশ্বর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন । ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ ছিল, তিনি নিজের স্বার্থকে রাষ্ট্রিয় নিরাপত্তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতেন । ট্রাম্প যুগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেই দেশের শিল্প কারখানা । তার অন্যতম কারণ চীনের সাথে তার সৃষ্ট বাণিজ্য যুদ্ধ (ট্রেড ওয়ার) । চীন হতে আমদানি করা সকল পণ্যের ওপর তিনি বাড়িয়ে দিলেন শুল্ক ও নানা ধরণের কর । এর ফলে তার প্রভাব পড়লো যুক্তরাষ্ট্রে প্রস্তুত বিভিন্ন  পণ্যের উৎপাদন ব্যয়ের ওপর যার ফলে এই সব পণ্যের চাহিদা কমে গেল দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে । শেষের দিকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেই দেশের গাড়িপ্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো । এর ফলে বেকারত্ব বেড়ে গেল জ্যামিতিক হারে । এটি বেশি হয়েছে ট্রাম্পের করোনা অতিমারিকে গুরুত্ব না দেয়ার কারণে । তিনি তখন এতই বেপরোয়া যে একজন প্রেসিডেন্ট হয়েও তিনি বলছেন, এই অতিমারি চীনের সৃষ্টি তাদের দেশকে কোন ক্ষতি করবে না, এতে আতংকিত হওয়ার কোন কারণ নেই । নিজের দেশের বিশেষজ্ঞ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যখন পরামর্শ দিল অতিমারি হতে সুরক্ষার জন্য মাস্ক পরতে, ট্রাম্প সকলকে অবাক করে দিয়ে নির্দেশ দিল কোন সরকারি ভবনে মাস্ক পরা যাবে না । এটা নাকি সন্ত্রাসীরা পরে । ফলে গোটা যুক্তরাষ্ট্রে এই পর্যন্ত চার লক্ষের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে করোনার কারণে । ধারণা করা হচ্ছে আরো এক লক্ষ মানুষের মৃত্যু ঘটবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে । সবাইকে অবাক করে দিয়ে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হতে প্রত্যাহার করে নিতে নির্দেশ জারি করলেন ।

শেষ পর্যন্ত নভেম্বরের নির্বাচনে বিনয়ী জো বাইডেন ও তার রানিংমেট কমলা হ্যারিস ট্রাম্পকে হারিয়ে দিলেন । ট্রাম্প বললেন, নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি হয়েছে । আসল বিজয়ী সে । মানেন না তিনি এই নির্বাচনী ফলাফল । ছাড়বেন না তিনি ক্ষমতা । উসকে দিলেন তার বর্ণবাদী গুন্ডাদের । তারা রাস্তায় বের হয়ে পড়লো আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে । আমাদের দেশের যে সকল রথি মহারথিরা সুযোগ পেলেই ছুটে যান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশে গণতন্ত্র নেই বলে নালিশ করতে, তারা এই ব্যাপারে এখন পর্যন্ত নিশ্চুপ  । গত ৬ জানুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসিতে ক্যাপিটাল বিল্ডিং -এ (বলা যেতে পারে সে দেশের সংসদ ভবন) যখন নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতা চলছিল তখন ঘটে গেল সেই দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ন্যক্কারজনক ঘটনা । ফলাফল ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতার সভায় পদাধিকার বলে সভাপতিত্ব করছিলেন ট্রাম্পের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স । কাছেই হোয়াইট হাউজ । তার কাছেই একটি পার্কে ট্রাম্পের আমন্ত্রণে জড়ো হয়েছিল  তার কয়েক হাজার উগ্র বর্ণবাদী সমর্থক । ট্রাম্প কোন রাখঢাক না করেই বললেন, ক্যাপিটাল বিল্ডিং এ তার বিজয় ছিনিয়ে নেয়ার সকল আয়োজন চলছে । সমর্থকদের আহ্বান জানালেন তারা যেন কালবিলম্ব না করে সেখানে অভিযান চালান । তিনিও তাদের সাথে থকবেন । হ্যাঁ এটি ঘটেছিল গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী যুক্তরাষ্ট্রে । পরবর্তী দৃশ্য ছিল ভয়াবহ । হাজার হাজার ট্রাম্প সমর্থক, অনেকে সশস্ত্র অবস্থায় ঝাঁপিয়ে পড়লো ক্যাপিটাল ভবনে । নিরাপত্তা কর্মীরা সম্পূর্ণ পর্যুদস্ত। ভিতরে অবস্থানরত কংগ্রেস ও সিনেটের  কয়েকশত সদস্য যে যেখানে পারলেন আত্মগোপন করলেন । একদল দুর্বৃত্ত ফাঁসির দড়ি নিয়ে মাইক পেন্সকে খুঁজতে শুরু করলো । যুক্তরাষ্ট্রে এমন একটা ঘটনা ঘটতে পারে তা সারা বিশ্বের মানুষের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছিল । যখন এই তা-ব চলছিল তখন ট্রাম্প একটি পার্টিতে মদ পান করতে করতে বেশ আনন্দ উপভোগ করছিলেন । সেদিন ঘটে যেতে পারতো এক ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ । ইতোমধ্যে সেই দিনের ঘটনার জন্য ট্রাম্প সিনেটে অভিশংসিত হয়েছেন। সেই অভিসংসনে ট্রাম্পের নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির দশজন সদস্য তার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। ট্রাম্প শুধু নিজ দেশকেই বিভাজিত করেননি, তিনি তার দলকেও বিভাজিত করেছেন । এর আগে ট্রাম্প ২০১৯ সালেও অভিশংসিত হয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে তিনি হচ্ছেন প্রথম প্রেসিডেন্ট যিনি নিজ মেয়াদকালে দু’বার অভিশংসিত হয়েছেন । এরপর সিনেটে তার বিচার হওয়া কথা । তা হলে তিনি শাস্তি পেতে পারেন । এর অর্থ হচ্ছে তিনি আর কখনো কোন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না আর হারাবেন সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবে অনেক সুযোগ সুবিধা ।

এক কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনির মধ্যে গত বিশ তারিখ জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন। সাথে তার ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। এই সময় পুরো ওয়াশিংটন ডিসিতে কার্যত কারফিউ অবস্থা বিরাজ করছিল। নিরাপত্তার জন্য আনা হয়েছিল পঁচিশ হাজার ন্যাশনাল গার্ড যা ইরাক ও আফগানিস্তানে অবস্থানরত মোট মার্কিন সৈন্যের চেয়েও বেশি। নিয়ম অনুযায়ী বিদায়ী প্রেসিডেন্ট শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন। প্রায় ২৪৪ বছরের ঐতিহ্য ভেঙে ট্রাম্প কুড়ি তারিখ সকাল ৮টা কুড়ি মিনিটে   সস্ত্রীক হোয়াইট হাউজ ছেড়ে যান। তাকে বিদায় জানাতে রেওয়াজ অনুযায়ী ভাইস প্রেসিডেন্ট বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা অন্য কোন সিনিয়র কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না।

নূূতন প্রেসিডেন্টের হাতে অনেক কাজ যার অন্যতম হচ্ছে বিভাজিত যুক্তরাষ্টে ঐক্য ফিরিয়ে আনা, এটি মোটেও সহজ নয় কারণ ট্রাম্প মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেকের সমর্থন পেয়েছিলেন । তিনি ঘোষণা করেছেন তিনি আবার ফিরবেন যা সিনেট কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত হলে সম্ভব নয় । তবে তিনি যে বর্ণবাদকে উস্কে দিয়েছেন তা সহজে মিটবে না । এই বর্ণবাদীরাই হবেন সেই দেশের আগামী দিনের উগ্র সন্ত্রাসী যা আইসিসকেও হার মানাতে পারে ।  বাইডেন দায়িত্ব নিয়েই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যার অন্যতম হচ্ছে প্যারিস জলবায়ু সমঝোতা হতে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন, সেই সিদ্ধান্ত রহিত করা । সব সরকারি প্রতিষ্ঠানে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করেছেন বাইডেন যা ট্রাম্প নিষিদ্ধ করেছিলেন । বাইডেন ঘোষণা করেছিলেন প্রথম একশত দিনে দশ কোটি মানুষকে টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করবেন । দায়িত্ব নিয়ে দেখেন টিকার তেমন কোন ব্যবস্থা নেই । বাইডেন এখন কি করবেন তা দেখার বিষয় । রাতারাতি এত বিপুল পরিমাণের টিকা উৎপাদন করা সম্ভব নয় । যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি প্রায় ভঙ্গুর । তা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে বাস্তবমুখি কৌশল প্রস্তুত করতে হবে যা খুব সহজ নয় । ৭৮ বছর বয়সী জো বাইডেন কতদূর যেতে পারবেন তা ভবিষ্যৎ বলতে পারবে । তবে তা তিনি যদি করতে না পারেন তা হলে তিনিও খুব শান্তিতে দেশ পরিচালনা করতে পারবেন না ।

সব শেষে বলতেই হয়, একটি দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো যদি তাদের মেরুদ- সোজা রাখতে পারে তা হলে অনেক ঝড়ঝাপটা সামাল দেয়া সম্ভব । যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ । বাইডেন প্রশাসনের সাফল্য কামনা করি ।  ফিরে আসুক  ট্রাম্প জামানায় হারানো যুক্তরাষ্ট্রের সব ভাল ঐতিহ্য । দেশটি আবার পরিণত হোক তেমন একটি দেশে যেমনটি চেয়েছিলেন দেশটির প্রতিষ্ঠাতারা ।

লেখক : বিশ্লেষক ও গবেষক 

Ad image
ডাকঘরে ডাকাতি: মামলা করে হুমকির মুখে পোস্টমাস্টার
অ্যান কারসনের দুটি কবিতা
পর্দা উঠল শারদীয় দুর্গোৎসবের, আজ মহাষষ্ঠী
পূজায় দ্য বাস্কেটে বিশেষ ছাড়
মাছের বাজারে অস্থিরতা, চড়া নিত্যপণ্যের দাম
শিশু বিশেষজ্ঞ মনজুর মোর্শেদ আর নেই
নিহত জান্নাতুল ফেরদৌস।
প্রথম বিয়ের কথা ফাঁস, দ্বিতীয় স্ত্রীকে খুন করে খালে ভাসিয়ে দেন স্বামী
নিখোঁজ তিন স্কুলছাত্রী এসেছিল গৃহপরিচারিকার কাজে
সতর্কতায় কাজ হয়নি, ৫০ লাখ টাকা জরিমানার মুখে আল হিদায়াহ ও উৎসব
পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৫ জন।
সাবেক এএসপির বাড়িতে ডাকাতি/ পেনশনের টাকার খবর ছিল ডাকাতদের কাছে
ডাক-রেল হয়ে চট্টগ্রামে আসছিল নিষিদ্ধ পণ্য

আর্কাইভ

আরও পড়ুন

গোলাম মোহাম্মদ ফারহাদ সারওয়ার

এআইয়ের যুগে চাকরির ভবিষ্যৎ: তরুণেরা কতটা প্রস্তুত?

ডিজিটাল ব্যাংকিং: সুবিধার আড়ালে গ্রাহকের নতুন ঝুঁকি

স্মার্ট মিটার, কিন্তু গ্রাহকের ভোগান্তি কেন?

একটি ফোনকলও হতে পারে হাসপাতালের ব্র্যান্ডের প্রথম পরিচয়

সুপ্রভাত বাংলাদেশ
সুপ্রভাত বাংলাদেশ

সম্পাদক : রুশো মাহমুদ  |  প্রকাশক : মোহাম্মদ ওমর ফারুক

  • বিজনেস
  • বন্দর ও বাণিজ্য
  • মহানগর
  • বৃহত্তর চট্টগ্রাম
  • স্বদেশ
  • অপরাধ
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • বিশ্ব
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • লাইফস্টাইল
  • রাজনীতি
  • ইপেপার
  • বিশেষ সংখ্যা
  • নারী
  • বিজ্ঞাপন
  • সার্কুলেশন
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: কর্ণফুলী টাওয়ার, ই-১, পঞ্চম তলা, ৬৩ এস এস খালেদ রোড, চট্টগ্রাম ৪০০০। ফোন: 02333363044-45   E-mail : [email protected]
স্বত্ব © ২০১০-২০২৬ সুপ্রভাত বাংলাদেশ
Site Powered by DigitB
Welcome Back!

Sign in to your account

ইউজার নেইম অথবা ইমেইল ঠিকানা
পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?