টপ নিউজ

জঙ্গল সলিমপুরে দুটি পুলিশ একাডেমি, রাউজানে সাঁড়াশি অভিযানের ঘোষণা

নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক »

চট্টগ্রামের আলোচিত জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রামের নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম। একইসঙ্গে রাউজান ও জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাস দমনে বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে শিগগিরই বড় ধরনের সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।

রোববার সকালে চট্টগ্রাম পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন এসপি মাসুদ আলম।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুর সম্পর্কে আগে তার ধারণা ছিল এটি যেন ‘দেশের ভেতর আরেক দেশ’। তবে সাম্প্রতিক যৌথ অভিযানের মাধ্যমে সেখানে প্রশাসনের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় অস্থায়ীভাবে দুটি পুলিশ ক্যাম্প পরিচালিত হচ্ছে।

এসপি বলেন, “সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেখানে দুটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি সড়ক প্রশস্তকরণ ও সরকারি দপ্তর স্থাপনের মাধ্যমে এলাকাটিকে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর আওতায় আনা হবে।”

তিনি আরও বলেন, কোনো একটি পক্ষকে সরিয়ে দিয়ে অন্য কোনো গোষ্ঠী যাতে সেখানে আধিপত্য বিস্তার করতে না পারে, সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।

রাউজানের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, সেখানে পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকাকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সক্রিয় রয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় অপরাধ ও টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনায় রাউজানের সন্ত্রাসীদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, “পরিকল্পনা ছাড়া যুদ্ধে নামা যায় না। আমরা পরিকল্পিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে রাউজানকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে চাই।” এ সময় তিনি জানান, র‍্যাবসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সন্ত্রাসীদের গতিবিধি নজরদারিতে কাজ করছে এবং খুব শিগগিরই সমন্বিত বড় ধরনের অভিযান পরিচালিত হবে।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, আনোয়ারা ও বাঁশখালী এলাকায় অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও চাঁদাবাজির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এসপি মাসুদ আলম বলেন, সংঘবদ্ধ চক্র নানা কৌশলে এসব অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে। এসব অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সদস্যদের আচরণ ও পেশাদারিত্ব নিয়েও কঠোর বার্তা দেন তিনি। বলেন, কোনো ভুক্তভোগীর অভিযোগ গ্রহণে গড়িমসি, দায়িত্বে অবহেলা কিংবা অপেশাদার আচরণের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে।

তিনি বলেন, “সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে কোনোভাবেই অসদাচরণ করা যাবে না। কোনো পুলিশ সদস্য অপরাধে জড়িত হলে তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।”

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর হাট, মহাসড়ক ও জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ নজরদারির কথাও জানান পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং চাঁদাবাজি প্রতিরোধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে থাকবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের আলোচিত জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রামের নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম। একইসঙ্গে রাউজান ও জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাস দমনে বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে শিগগিরই বড় ধরনের সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।

রোববার সকালে চট্টগ্রাম পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন এসপি মাসুদ আলম।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুর সম্পর্কে আগে তার ধারণা ছিল এটি যেন ‘দেশের ভেতর আরেক দেশ’। তবে সাম্প্রতিক যৌথ অভিযানের মাধ্যমে সেখানে প্রশাসনের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় অস্থায়ীভাবে দুটি পুলিশ ক্যাম্প পরিচালিত হচ্ছে।

এসপি বলেন, “সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেখানে দুটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি সড়ক প্রশস্তকরণ ও সরকারি দপ্তর স্থাপনের মাধ্যমে এলাকাটিকে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর আওতায় আনা হবে।”

তিনি আরও বলেন, কোনো একটি পক্ষকে সরিয়ে দিয়ে অন্য কোনো গোষ্ঠী যাতে সেখানে আধিপত্য বিস্তার করতে না পারে, সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।

রাউজানের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, সেখানে পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকাকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সক্রিয় রয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় অপরাধ ও টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনায় রাউজানের সন্ত্রাসীদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, “পরিকল্পনা ছাড়া যুদ্ধে নামা যায় না। আমরা পরিকল্পিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে রাউজানকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে চাই।” এ সময় তিনি জানান, র‍্যাবসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সন্ত্রাসীদের গতিবিধি নজরদারিতে কাজ করছে এবং খুব শিগগিরই সমন্বিত বড় ধরনের অভিযান পরিচালিত হবে।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, আনোয়ারা ও বাঁশখালী এলাকায় অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও চাঁদাবাজির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এসপি মাসুদ আলম বলেন, সংঘবদ্ধ চক্র নানা কৌশলে এসব অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে। এসব অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সদস্যদের আচরণ ও পেশাদারিত্ব নিয়েও কঠোর বার্তা দেন তিনি। বলেন, কোনো ভুক্তভোগীর অভিযোগ গ্রহণে গড়িমসি, দায়িত্বে অবহেলা কিংবা অপেশাদার আচরণের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে।

তিনি বলেন, “সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে কোনোভাবেই অসদাচরণ করা যাবে না। কোনো পুলিশ সদস্য অপরাধে জড়িত হলে তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।”

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর হাট, মহাসড়ক ও জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ নজরদারির কথাও জানান পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং চাঁদাবাজি প্রতিরোধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে থাকবে।