নিজস্ব প্রতিবেদক »
চট্টগ্রাম মহানগরীতে দীর্ঘদিন ধরে পাইপলাইন সংক্রান্ত জটিলতার কারণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৩৯, ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে ওয়াসার পানি সরবরাহ সম্ভব হয়নি। ফলে উপকূলীয় এ এলাকার বাসিন্দাদের লবণাক্ত পানি ও সুপেয় পানির সংকট নিয়ে বছরের পর বছর দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
দীর্ঘ দিনের এই দুর্ভোগ অবসানের জন্য এলাকাবাসির মধ্যে আশার আলো দেখিয়েছেন চট্টগ্রাম ওয়াসার নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব নেওয়া প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম।
রোববার (০৭ জুন) “চট্টগ্রাম মহানগরীর পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা স্থাপন প্রকল্প (১ম পর্যায়)” শীর্ষক প্রকল্পের সামগ্রিক কাজের অগ্রগতি সরেজমিন পরিদর্শনে প্রকল্পের পয়ঃপাইপ নেটওয়ার্ক সাইট এবং হালিশহরস্থ পয়ঃশোধনাগার নির্মাণ সাইট পরিদর্শন করেন তিনি।
এসময় চট্টগ্রাম ওয়াসা’র উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিষ্ণু কুমার সরকার, প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম, আলোচ্য প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, উপ প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রউফ সঙ্গে ছিলেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই দুর্ভোগের বিষয়টি সামনে আসলে দুর্ভোগ লাঘব করতে সেটিকে অগ্রাধিকার দিয়ে গত ৩ জুন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বরাবর চিঠি পাঠান ওয়াসার নতুন এমডি। চিঠিতে তিনি কর্ণফুলী টানেলের ইউটিলিটি ডাক্ট ব্যবহার করে পাইপলাইন স্থাপনের অনুমতি চান। ওয়াসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, বোয়ালখালীর ভাণ্ডালজুড়ি পানি সরবরাহ প্রকল্প থেকে প্রতিদিন অন্তত ২ কোটি লিটার পরিশোধিত পানি পতেঙ্গা এলাকায় সরবরাহ করা হবে।
চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম বলেন, পাইপলাইনের প্রায় সাত বছরের জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়া গেলে আগামী ছয় মাসের মধ্যে পতেঙ্গার তিনটি ওয়ার্ডের মানুষ ওয়াসার সুপেয় পানি পাবেন বলে আশা করছি।
ওয়াসা কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে পতেঙ্গা এলাকায় দৈনিক পানির চাহিদা প্রায় ১০ কোটি লিটার হলেও সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ৪ কোটি লিটার। নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এ ঘাটতি অনেকাংশে কমে আসবে।



















































