সুপ্রভাত ডেস্ক >>
চাটগাঁইয়া গানের কিংবদন্তি আবদুল গফুর হালীর ৯৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়।
আবদুল গফুর হালী রিসার্চ সেন্টারের ভাইস চেয়ারম্যান ও পিএইচপি ফ্যামিলির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “আবদুল গফুর হালী চাটগাঁইয়া গানে বাঁকবদল ঘটিয়েছেন। তিনি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ও মাইজভাণ্ডারী গানের নবযুগের স্রষ্টা। তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় ভূষিত করা হোক।”
বিশেষ অতিথি ছিলেন লেখক ও গবেষক এবং ফিনল্যান্ডের হেলসিংকি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলো ড. সেলিম জাহাঙ্গীর এবং কবি ও কথাসাহিত্যিক, প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিৎ চৌধুরী।
ড. সেলিম জাহাঙ্গীর বলেন, “আবদুল গফুর হালীকে নিয়ে বিশ্ব পরিসরে মূল্যবান গবেষণা হয়েছে। তার গান জার্মান ভাষায় অনূদিত হয়েছে, এটা আমাদের বড় পাওনা।”
বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, “আবদুল গফুর হালী ছিলেন মাটির মানুষ। তিনি সুর সাধনায় চিরকাল হাসিখুশি জীবন কাটিয়েছেন। তার মতো কালজয়ী শিল্পীর যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি। গফুর হালীর সৃষ্টি সংরক্ষণ ও প্রচারে পিএইচপি ফ্যামিলির ভূমিকা অবিস্মরণীয়।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ আলম চৌধুরী, আঞ্চলিক গানের রানি কল্যাণী ঘোষ, আবদুল মান্নান কাওয়াল, ‘পাঞ্জাবিওলা’ খ্যাত শিল্পী শিরিন, নাবিলা রেহনুম এবং আবদুল গফুর হালী রিসার্চ সেন্টারের সেক্রেটারি নাসির উদ্দিন হায়দার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক সুবীর মহাজন।
গানে–কথায় জমজমাট এ আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করেন গীতা আচার্য, ডা. দীপঙ্কর দে, জিয়াউদ্দিন বাদশা, আলাউদ্দিন কাওয়াল ও নয়ন শীল। অনুষ্ঠানটি দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করে।























































