সুপ্রভাত ডেস্ক »
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা বিশিষ্ট ইসলামী পণ্ডিত ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি) এর কুরআনিক সায়েন্সেস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর হিসাবে যোগ দিয়েছেন। সম্প্রতি আইআইইউসি তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করে।
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) কুমিরা আইআইইউসি ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন। r
১৯৮২ সালে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতিবিভাগ থেকে বিএ (অনার্স) ও ১৯৮৩ সালে একই বিষয়ে এমএ পাশ করেন। ২০০৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপ নিয়ে ‘হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর খুতবা : একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক গবেষণা ’ বিষয়ের উপর পিএইচডি সম্পন্ন করেন।
চট্টগ্রামের আলজামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়ার মহাপরিচালক আব্দুল হালিম বুখারী, জামিরউদ্দিন নানুপুরী, শাহ আহমদ শফী, জুলফিকার আহমদ নকশবন্দী তার শিক্ষকদের মধ্যে অন্যতম।
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বাংলাদেশের অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। তার এই নিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কোনো ইসলামিপণ্ডিত এই উপদেষ্টা পদে অধিষ্ঠিত হন। তিনি মাসিক আত তাওহীদের সম্পাদক, বালা গুশশরকের সহকারী সম্পাদক এবং আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের কুরআনিক সায়েন্সেস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অতিথি শিক্ষক। তিনি ওমরগণি এম.ই.এস. কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান এবং এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের খণ্ডকালীন অধ্যাপক ছিলেন।
তাছাড়া তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক প্রকাশিত ইসলামী বিশ্বকোষ দ্বিতীয় সংস্করণের ৩ থেকে ৯ খণ্ড ও সীরাত বিশ্বকোষ সম্পাদনা করেছেন। তার প্রকাশিত গ্রন্থেও সংখ্যা ২০ টি। এছাড়াও তিনি ৪টি জাতীয় পত্রিকার নিয়মিত লেখক।
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন ১৯৫৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত সাতকানিয়া উপজেলার মাদার্শা ইউনিয়নের মক্কারবাড়ির এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ একজন ইসলামি পণ্ডিতি ছলেন।
বাবুনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালইয়ে ভর্তিও মাধ্যমে তার শিক্ষাজীবনের সূচনা হয়। এখানে তিনি তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন। ১৯৬৯ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত তিনি আলজামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়ায় লেখাপড়া করেন। ১৯৭১ সালে সাতকানিয়া আলিয়া মাহমুদুল উলুম মাদ্রাসা থেকে প্রথম বিভাগে আলিম ও ১৯৭৩ সালে ফাযিল পাশ করেন। ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত চট্টগ্রাম চন্দনপুরা দারুল উলুমে হাদিস অধ্যয়ন করেন। ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে কামিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি আশরাফআলী থানভীর শিষ্য মুহাম্মদ আমিনের কাছে সহীহ বুখারী, চট্টগ্রামের মীরসরাই থানার নিজামপুর এলাকার বাসিন্দা মতিউর রহমান নিযামীর কাছে সহীহ মুসলিম, ইসমাইল আরাকানী কাসেমীর কাছে সুনান আত-তিরমিজী, নাওয়াব হাসান কাসেমীর কাছে সুনানে আবু দাউদ পড়েছেন।



















































