শৈল-সৈকত ও দেশগ্রাম

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে চলাচলের পথ ফেরত পেল গ্রামবাসী

নিজস্ব প্রতিনিধি, পটিয়া >>

চট্টগ্রামের পটিয়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর চলাচলের একমাত্র মাটির রাস্তা কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে কেটে ফেলা রাস্তাটি পুনরায় সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগের পর স্বস্তি ফিরেছে ভুক্তভোগী মানুষের মধ্যে।

---------

শনিবার সকাল থেকে উপজেলার শোভনদণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে ২ নম্বর ওয়ার্ডের আরফা করিম উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন দক্ষিণ পাশের সড়কটি সংস্কারের কাজ শুরু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শোভনদণ্ডী ইউনিয়নের আরফা করিম উচ্চ বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশের রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে সর্বসাধারণের চলাচলের একমাত্র পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সম্প্রতি স্থানীয় মুন্সি মিঞা টিপু মাটি কাটার লোক লাগিয়ে চলাচলের প্রধান রাস্তাটি কেটে নষ্ট করে দেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে চরম বিপাকে পড়েন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কৃষকসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।

রাস্তা কেটে ফেলার প্রতিবাদ জানালে স্থানীয়দের ভয়ভীতি দেখানোরও অভিযোগ ওঠে। পরে বাধ্য হয়ে স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে পটিয়া উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে শোভনদণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফরিদুল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে রাস্তাটি পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে এনে জনসাধারণের চলাচলের উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে শোভনদণ্ডী ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফরিদুল আলম বলেন, “চলাচলের রাস্তা কেটে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হয়েছিল। স্থানীয় এমপি এনামুল হক ও উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে রাস্তাটি মানুষের চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় এমপি এনামুল হক ও ইউএনওকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”

পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান বলেন, “জনসাধারণের চলাচলের কোনো রাস্তা বন্ধ করার অধিকার কারও নেই। খবর পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে রাস্তাটি উদ্ধার ও সংস্কারের ব্যবস্থা করেছি। আইন অমান্য করে কেউ জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”