সুপ্রভাত ডেস্ক >>
চট্টগ্রাম বন্দরকে আঞ্চলিক ট্রানজিট, রিফুয়েলিং ও লজিস্টিকসের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রে পরিণত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে।
সভাপতি আমিরুল হক স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং চট্টগ্রাম বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব কাজে লাগিয়ে দেশকে আঞ্চলিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে ট্রানজিট ও আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো সম্ভব।
চিঠিতে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহে সাত দিন (24/7) চালু রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ট্রানজিট পণ্যের জন্য প্রতিযোগিতামূলক ট্যারিফ নির্ধারণ, দ্রুত কাস্টমস কার্যক্রম, রিফুয়েলিং সুবিধা সম্প্রসারণ এবং পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা ও সেবার মান বাড়ানোর পাশাপাশি ট্রানজিট ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা গেলে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ীদের কাছে বাংলাদেশের গুরুত্ব বাড়বে। এর ফলে বৈদেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি রাজস্ব আয় ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।
চট্টগ্রামকে East-West Asian Axis for Tourism & Logistics Gateway হিসেবে গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। এর মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক বাণিজ্য ও লজিস্টিকস নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়েছে।
এ জন্য বন্দর, কাস্টমস, সড়ক, রেল ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
আমিরুল হক স্বাক্ষরিত চিঠিতে উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন হলে চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য একটি কার্যকর ট্রানজিট ও লজিস্টিকস গেটওয়ে হিসেবে নতুন ভূমিকা রাখতে পারে।




















































