সুপ্রভাত ডেস্ক »
বাংলাদেশের সাবেক তারকা ফুটবলার কাজী সালাউদ্দিনের বাফুফে অধ্যায় শেষ হয়েছিল ২০২৪ সালে। বাফুফেতে না থাকলেও দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল সংস্থা সাফে সভাপতি পদ ঠিকই টিকিয়ে রেখেছেন। আজ ভুটানের থিম্পুতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পুনরায় সাফ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
২০০৮ সালে বাফুফে সভাপতি হন সালাউদ্দিন। এরপরের বছরই সাফ সভাপতিও নির্বাচিত হন। ২০০৯ থেকে টানা তিনি এই পদে নির্বাচিত হয়ে যাচ্ছেন। সাফের গঠনতন্ত্রে সভাপতি দুই মেয়াদের বেশি নয়, ৭০ বছরের বেশি কেউ কমিটিতে থাকতে পারবে না এ রকম বিষয় গঠনতন্ত্রে ছিল। গত বছর গঠনতত্ত্ব সংশোধন করে এগুলো প্রত্যাহার করা হয়। তখনই নিশ্চিত ছিল সালাউদ্দিন আবার সভাপতি হচ্ছেন।
সাফে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে সদস্য দেশের সমর্থন ও প্রস্তাব লাগে। কাজী সালাউদ্দিন এবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন থেকে এই সমর্থন নেননি। দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বাফুফের বর্তমান কমিটি সালাউদ্দিনকে সমর্থন দেওয়ার মতো অবস্থায় ছিল না। তাই সালাউদ্দিন নেপাল ও ভুটান থেকে সমর্থন নিয়ে সভাপতি পদে দাঁড়িয়েছেন৷

সাফের নির্বাচনের মনোনয়ন জমা ও প্রত্যাহার মাস খানেক আগেই শেষ হয়েছে। সালাউদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হওয়া ছিল শুধু আনুষ্ঠানিকতা। আজ ভুটানের থিম্পুতে কংগ্রেসে সেই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বাফুফে সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদ আরেফ সাফের নির্বাহী সদস্য হয়েছেন।
আজ বিকেলে সাফের ড্র রয়েছে। নেপাল ফিফার নিষেধাজ্ঞায় থাকায় তারা ড্রতে নেই। আজকের কংগ্রেসে নেপালকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে টুর্নামেন্টে খেলতে পারবে অন্যথায় নয়। নেপালের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে স্বাগতিক বাংলাদেশের গ্রুপে পড়বে।

















































