‘সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে’

২০ পূজা মণ্ডপে অনুদান দিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেল

আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার বিকালে নগরীর ওয়াসা মোড়ে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে চট্টগ্রাম-৯ আসনের অন্তর্গত ১২০টি পূজা মণ্ডপে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ১২ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
অনুদান প্রদান ও শারদ শুভেচ্ছা বিনিময় উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘আবহমানকাল ধরে এ দেশের হিন্দু সম্প্রদায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে নানা উপাচার ও অনুষ্ঠানাদির মাধ্যমে দুর্গা পূজা উদযাপন করে আসছে। দুর্গা পূজা কেবল ধর্মীয় উৎসব নয়, সামাজিক উৎসবও। দুর্গোৎসব উপলক্ষে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, পরিবার-পরিজন, পাড়া-প্রতিবেশী একত্রিত হন, মিলিত হন আনন্দ-উৎসবে। তাই এ উৎসব সার্বজনীন।’
বাংলাদেশে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাই যার যার ধর্ম যথাযথভাবে পালন করে এবং একে অন্যের ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উৎসবে সামিল হয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানসমূহকে সার্বজনীন করে তুলেন।
শিক্ষা উপমন্ত্রী আরো বলেন, মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ আছে তারা সব সময় সুযোগের সন্ধানে থাকে, এক ধর্মের সাথে অন্য ধর্মের সংঘাত লাগিয়ে তারা নিজেদের অসৎ ফায়দা হাসিল করতে চাই। এই বাংলাদেশ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ। এই দেশে যারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করবে তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। এদের বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
শিক্ষা উপমন্ত্রী দেশবাসীকে শারদ শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এইবারের শারদীয় দুর্গোৎসব সকলের জীবনে মঙ্গল ও সুখ বয়ে আনুক এই কামনা করি।
তিনি পূজা মণ্ডপে যাওয়ার সময় মাস্ক পরিধান করে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে যথাসম্ভব ভিড় এগিয়ে চলতে দর্শনার্থীদের প্রতি অনুরোধ জানান।
নগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি লায়ন আশীষ কুমার ভট্টাচার্য এর সভাপতিত্বে ও নগর পূজা উদযাপন পরিষদের শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক রাহুল দাশ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিল্লোল সেন উজ্জ্বল। আরও বক্তব্য রাখেন নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, উপ দপ্তর সম্পাদক কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, কাউন্সিলর সলিমুল্লাহ বাচ্চু, হাজ্বী নুরুল হক, শৈবাল দাশ সুমন, মো. ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, আবুল হাসনাত মোহাম্মদ বেলাল, পুলক খাস্তগীর, আব্দুর ছালাম মাসুম, নগর মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর নিলু নাগ, আঞ্জুমান আরা, রুমকি সেন, নগর পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি অর্পণ কান্তি ব্যানার্জি, প্রদীপ শীল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব সেন, সজল দত্ত, অঞ্জন দত্ত, সুকান্ত মহাজন টুটুল, সিনিয়র সদস্য দেবাশীষ নাথ দেবু, শাওন ঘোষ প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি