৩৩ দিন পর মৃত্যুশূন্য চট্টগ্রাম

0
325

নতুন আক্রান্ত ২৬৩, সুস্থ হয়েছে ২৫ জন #

নিজস্ব প্রতিবেদক :
চট্টগ্রামে প্রতিদিন করোনায় এক বা একাধিক মানুষের মৃত্যু হচ্ছিল। সর্বশেষ মৃত্যুশূন্য দিন ছিল ১ জুন। শুক্রবার ৩ জুলাই চট্টগ্রামে একজনও করোনায় মারা যায়নি।
অন্যদিকে শুক্রবার চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ, ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল, শেভরন ও কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে ১ হাজার ২৩৬টি নমুনার মধ্যে করোনা পজিটিভ হয়েছে ২৬৩ জনের। এই ২৬৩ জনের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরীর ১৯৩ জন ও উপজেলার ৬৭ জন। আর এতে চট্টগ্রামে এপর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজার ৬৬৮ জন এবং এদের মধ্যে মারা গেছে ১৮৭ জন ও সুস্থ

সিভিল সার্জন থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে জানা যায়, চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট বিআইটিআইডিতে ২৬১ টি নমুনার মধ্যে ১৭টি করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে, এরমধ্যে ১২ জন মহানগরের এবং ৫ জন উপজেলার বাসিন্দা।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১৯টি নমুনার মধ্যে পজিটিভ পাওয়া গেছে ৬৩ জনের, এদের মধ্যে ২৪ জন নগরীর এবং ৩৯ জন উপজেলার বাসিন্দা।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে ৩৬৪টি নমুনার মধ্যে ৮৭ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে এবং এদের মধ্যে ৮২ জন নগরীর এবং ৫ জন উপজেলার বাসিন্দা।
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩৯টি নমুনার মধ্যে ৭ জন পজিটিভ হয়েছে, এদের মধ্যে ২ জন মহানগরীর এবং ৫ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।
ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ১৫৮টি নমুনার মধ্যে ৩৪ জনের পজিটিভ পাওয়া গেছে, এদের মধ্যে ৩১ জন নগরীর এবং ৩ জন উপজেলার বাসিন্দা। শেভরনে ৯৪ টি নমুনার মধ্যে ৫৪ জনের পজিটিভ পাওয়া গেছে, এরমধ্যে ৪৫ জন মহানগরীর এবং ৯ জন উপজেলার বাসিন্দা।
অপরদিকে কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে ১টি নমুনার মধ্যে ১ জনই পজিটিভ এবং তিনি উপজেলার বাসিন্দা।
উপজেলাগুলোতে আক্রান্ত হওয়া ৬৭ জনের মধ্যে সাতকানিয়ায় ১ জন, বাঁশখালীতে ৭ জন, চন্দনাইশে ৫ জন, পটিয়ায় ৩ জন, রাঙ্গুনিয়ায় ৩ জন, রাউজানে ১১ জন, ফটিকছড়িতে ১৭ জন, হাটহাজারিতে ১৮ জন এবং সীতাকু-ে ২ জন রয়েছেন।
এদিকে গত শুক্রবার নতুন করে ২৬৩ জন করোনা শনাক্ত হওয়ায় মোট রোগীর সংখ্যা হলো ৯,৬৬৮ জন। এর আগে ২ জুলাই ২৮২ জন, ১ জুলাই ২৭১ জন, ৩০ জুন ৩৭২ জন, ২৯ জুন ৪৪৫ জন, ২৮ জুন ৩৪৬, ২৭ জুন ৬৪ জন, ২৬ জুন ১৫৯ জন, ২৫ জুন ২৪৬ জন, ২৪ জুন ২৪১ জন, ২৩ জুন ২৮০ জন, ২২ জুন ২১৭ জন, ২১ জুন ১৯২ জন, ২০ জুন ১৯৪ জন, ১৯ জুন ১৮৭ জন, ১৮ জুন ১৪৮ জন, ১৭ জুন ১৭৮ জন, ১৬ জুন ১৭৯ জন, ১৫ জুন ১৭১ জন, ১৪ জুন ১৫১ জন, ১৩ জুন ২৬৯ জন, ১২ জুন ২২২ জন, ১১ জুন ২০৭ জন, ১০ জুন ১০৮ জন, ৯ জুন ১১৩ জন, ৮ জুন ৯৯ জন, ৭ জুন ১০৬ জন, ৬ জুন ১৫৬ জন, ৫ জুন ১৪০ জন, ৪ জুন ১৩২ জন, ৩ জুন ১৪০ জন, ২ জুন ২০৬ জন, ১ জুন ২০৮ জন, ৩১ মে ১৬০ জন, ৩০ মে ২৩৭ জন, ২৯ মে ১৫৯ জন, ২৮ মে ২২৯ জন, ২৭ মে ২১৫ জন, ২৬ মে ৯৮ জন, ২৫ মে ১০৩ জন, ২৪ মে ৬৫ জন, ২৩ মে ১৬৬ জন, ২২ মে ১৬১ জন, ২১ মে ৯২ জন, ২০ মে ২৬০ জন, ১৯মে ১২৮ জন, ১৮মে ৫৪ জন, ১৭ মে ৭৩ জন, ১৬ মে ৭৫ জন, ১৫ মে ৬৮ জন, ১৪ মে শনাক্ত হয়েছিল ৬১ জন, ১৩ মে শনাক্ত হয়েছিল ৯৫ জন, ১২ মে ৭৫ জন, ১১ মে ৬৫ জন, ১০ মে ৪৮ জন, ৯ মে শনিবার ১৩ জন, মে শুক্রবার ১১ জন, ৭ মে বৃহস্পতিবার ভেটেরিনারিতে ৩৮ জন ও বিআইটিডিতে ১৯ জন ( কক্সবাজারে একজনসহ) করোনা শনাক্ত হওয়ায় একদিনে ৫৭ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছিল চট্টগ্রামে। ৬ মে ১১ জন করোনা পজিটিভ হওয়ার আগে ৫ মে সোমবারের ভেটেরিনারি রিপোর্টের ১৩ জন, ৫ মে বিআইটিআইডি এর রিপোর্টে ৯ জন (ঢাকা, কুমিল্লা ও কক্সবাজার থেকে আসা তিনজন রোগী সহ), ৪মে ১৬ জন, ৩ মে ১৩ জন, ২ মে তিনজন, ১ মে তিনজন, ৩০ এপ্রিল একজন, ২৯ এপ্রিল ৪ জন, ২৮ এপ্রিল তিনজন, ২৭ এপ্রিল নয়জন, ২৬ এপ্রিল সাতজন (রাজবাড়ী থেকে আসে একজন), ২৫ এপ্রিল দুই জন (ঢাকা থেকে আসে একজন), ২৪ এপ্রিল একজন, ২২ এপ্রিল তিনজন, ২১ এপ্রিল একজন, ১৩ এপ্রিল চারজন, ১৮ এপ্রিল একজন, ১৭ এপ্রিল একজন, ১৬ এপ্রিল একজন, ১৫ এপ্রিল পাঁচজন, ১৪ এপ্রিল ১১ জন, ১৩ এপ্রিল দুইজন, ১২ এপ্রিল পাঁচজন, ১১ এপ্রিল দুইজন, ১০ এপ্রিল দুই জন, ৭ এপ্রিল তিনজন, ৫ এপ্রিল একজন ও ৩ এপ্রিল একজন আক্রান্ত হয়েছিল।