চবি প্রতিনিধি »
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অব ডিবেট (সিইউএসডি)-এর উদ্যোগে শুরু হয়েছে ‘১৭তম থিমেটিক ডিবেট ওয়ার্কশপ অ্যান্ড কম্পিটিশন ২০২৬’।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই ) দুপুর ২টায় চবি ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ অডিটোরিয়ামে এর উদ্বোধনী সেশন অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন ঘোষণা এবং বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. এনায়েত উল্যা পাটওয়ারী, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সালেহ্ জহুর এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ.এম. মাসুদুল আজাদ চৌধুরী।
এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিইউএসডির মডারেটর ও মার্কেটিং বিভাগের প্রফেসর ড. তুনাজ্জিনা সুলতানা, চবি ছাত্র উপদেষ্টা ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন এবং দর্শন বিভাগের প্রভাষক বাপ্পারাজ হাওলাদার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন চাকসুর ভিপি মো. ইব্রাহিম হোসেন রনি, জিএস সাঈদ বিন হাবিব এবং এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক।
নবীন শিক্ষার্থীদের বিতর্কচর্চায় উদ্বুদ্ধ করার জন্য সিইউএসডির ভূয়সী প্রশংসা করেন উপাচার্য। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি উন্মুক্ত, স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক চর্চার পরিবেশ গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। একই সাথে তিনি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও ব্যক্তিত্ব বিকাশে বিতর্কসহ সকল সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও গতিশীল করতে সকল ক্লাবকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের অনুরোধ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন বলেন, ছাত্রজীবনে অর্জিত বিতর্কের দক্ষতা পরবর্তী ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং সফলতার পথে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তিনি সংগঠনটির সফলতা কামনা করেন এবং সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
বক্তব্যে অতিথিবৃন্দ যুক্তি ও চিন্তাশীল সমাজ গঠনে বিতর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং সিইউএসডির এই আয়োজনকে সাধুবাদ জানান। আগামী দিনগুলোতে এই কর্মশালা ও প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননশীলতার বিকাশে অনন্য ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এর আগে সকাল ১১টায় চার শতাধিক নবীন শিক্ষার্থীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এবং পুরোনো বিতার্কিকদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। আয়োজনকে আরও আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত করে তুলতে একটি বিশেষ প্রদর্শনী বিতর্কের আয়োজন করা হয়।





















































