মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬
বিজনেস

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ কোটি টাকার পণ্যভর্তি কনটেইনার নিখোঁজ

নিজস্ব প্রতিবেদক >>

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় তিন কোটি টাকা মূল্যের ৬৬৮ বেল ফেব্রিক্স ভর্তি ৪০ ফুট দীর্ঘ একটি কনটেইনারের সন্ধান মিলছে না। শতভাগ রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পের জন্য আমদানি করা এসব কাঁচামালের চালানটি নির্ধারিত সময়ে খালাস করতে না পারায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

---------

জানা গেছে, সাভারের গোল্ড স্টার গার্মেন্টসের নামে আমদানি করা এমআরএসইউ-৮৬৯২৮২৭ নম্বরের কনটেইনারটি গত ১৫ আগস্ট ‘এমভি এমসিসি ডানাং’ জাহাজে করে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-২ বার্থে আসে।

পরে আমদানিকারকের পক্ষে সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান এসআরএস সিন্ডিকেট গত ২২ আগস্ট কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সার্ভারে পণ্য খালাসের জন্য বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে।

কাস্টমস ও বন্দরের যাবতীয় রাজস্ব ও চার্জ পরিশোধের পর গত ৩০ আগস্ট কনটেইনারটি খালাসের জন্য বন্দরের সিসিটি ইয়ার্ডে গেলে সেটি কিপ ডাউন ও ডেলিভারি দেওয়া সম্ভব হয়নি। তখন বন্দর কর্তৃপক্ষ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টকে কনটেইনারটি খুঁজে দেখতে বলে।

এরপর ৩০ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্নভাবে অনুসন্ধান করেও কনটেইনারটির সন্ধান পায়নি। এ সময় বিষয়টি প্রতিদিন টার্মিনাল ম্যানেজার, এটিও ও টিওকে জানানো হয়।

কনটেইনারটির সন্ধান না পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে গত ২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন এসআরএস সিন্ডিকেটের মালিক মো. হাফিজুর রহমান।

তিনি জানান, কাস্টমস ও বন্দরের সব ধরনের চার্জ পরিশোধের পর কনটেইনারটি ডেলিভারি নিতে গিয়ে সেটি পাওয়া যায়নি। এরই মধ্যে এক সপ্তাহের বেশি সময় পার হয়ে গেছে।

হাফিজুর রহমান বলেন, কনটেইনারটিতে থাকা ফেব্রিক্সের রোলগুলো শতভাগ রপ্তানিমুখী পোশাক তৈরির কাজে ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছিল। প্রায় তিন কোটি টাকা মূল্যের এসব কাপড় সময়মতো না পাওয়ায় তাদের গ্রাহক গোল্ড স্টার গার্মেন্টসও সমস্যায় পড়েছে। নির্ধারিত সময়ে রপ্তানি পণ্য বিদেশি ক্রেতার কাছে পৌঁছাতে না পারার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, বিষয়টি নিয়ে একটি চিঠি তারা পেয়েছেন। কনটেইনারটির বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।