এ মুহূর্তের সংবাদ

কিডনি রোগ প্রতিরোধে দৃশ্যমান কার্যক্রম শুরু করবে জেলা প্রশাসন

ডিসি জাহিদ

সুপ্রভাত ডেস্ক »

কিডনি রোগ প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কার্যক্রম শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

তিনি বলেছেন, ভেজাল খাবার ও ওষুধের কারণে মানুষ কিডনি রোগের মতো জটিল ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। এ রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা এবং সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

রোববার (৭ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত ‘কিডনি রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার’ বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।

তিনি বলেন, কিডনি রোগ একটি নীরব ঘাতক। এ রোগ থেকে বাঁচতে ভেজাল খাবার পরিহার, ওজন নিয়ন্ত্রণ, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ জরুরি। আগামী দিনে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে দেশের মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দীন-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন ডা. জাহাঙ্গীর আলম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার।

স্বাগত বক্তব্যে সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কিডনি বিকল রোগ বর্তমানে একটি বড় আর্থ-সামাজিক আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। রোগটির চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল, প্রযুক্তিনির্ভর এবং দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় অধিকাংশ পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার ব্যয় বহন করা কঠিন। ফলে ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হলে রোগী ও তার পরিবারকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

সেমিনারে বক্তারা কিডনি রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ ও স্ক্রিনিং কার্যক্রম সম্প্রসারণ, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় কিডনি চিকিৎসা অন্তর্ভুক্তকরণ এবং কিডনি প্রতিস্থাপন বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তারা বলেন, কিডনি রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হলেও প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয়ের খরচ তুলনামূলক কম। তাই প্রতিরোধ ও দ্রুত শনাক্তকরণে গুরুত্ব দিলে রোগীর কষ্ট ও চিকিৎসা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।