চবি প্রতিনিধি »
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার লক্ষ্যে তিন দাবি নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রশিবির।
বুধবার (২০ মে) দুপুর ১:৩০ মিনিটে চাকসু ভবনের সামনে থেকে এ বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়।
চাকসু ভবনের সামনে থেকে শুরু করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে দিয়ে সোহরাওয়ার্দী হলের মোড় ঘুরে জিরো পয়েন্টে এসে শেষ হয় এ মিছিল।
‘রামদা দলের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না,বাহ প্রশাসন চমৎকার,সন্ত্রাসীদের পাহারাদার,শিক্ষা সন্ত্রাস একসাথে চলে না,শিক্ষা রামদা একসাথে চলে না,হলে অস্ত্র কেন প্রশাসন জবাব দে,ছাত্রদলের সন্ত্রাস,রুখে দাও ছাত্রসমাজ’ ইত্যাদি বিভিন্ন স্লোগানে এগিয়ে চলে মিছিল।
মিছিলে উপস্থিত ছিলেন চবি ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মোহাম্মদ পারভেজ,সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল্লাহ খালেদ এবং বাইতুলমাল সম্পাদক ও চাকসু যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভূঁঞা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পদে থাকা নেতৃবৃন্দ।
মিছিল পরবর্তী সভা বক্তব্যে ছাত্রশিবিরের বাইতুলমাল সম্পাদক এবং চাকসু যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভূঁঞা বলেন,’৫ আগস্টের পরে এদেশের ছাত্রসমাজের আকাঙ্ক্ষা ছিলো,এদেশের ক্যাম্পাস হবে অস্ত্রমুক্ত।কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হলের মধ্য থেকে যখন রামদা নিয়ে বের হয় তখন তা ছাত্রসমাজের আকাঙ্ক্ষা বিনষ্ট করে।’
চবি ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল্লাহ খালেদ বলেন,’এর আগে ফরহাদ হলে একজন ছাত্র ছুরি নিয়ে আটক হয়েছে।
শাহজালাল হলেও মাদক হাতে শিক্ষার্থী আটক হয়েছে।কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয় নাই।ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার পরেও প্রভোস্ট সিসিটিভি ফুটেজ দেখাতে রাজি হয় নাই। শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত না হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এর মূল্য দিতে হবে।’
সবশেষে বক্তব্যে ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মোহাম্মদ পারভেজ বলেন,’আমরা দেখেছি পুরাতন প্রশাসন এবং বর্তমান প্রশাসন সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয় দেয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে নাই। আমি প্রশাসনকে উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলতে চাই,আমাদের তিন দফা দাবি যদি ক্যাম্পাস বন্ধের আগে বাস্তবায়ন না হয়,তাহলে আমরা কঠোর থেকে কঠোরতর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবো।’
তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন,’আপনাদের চোখ-কান খোলা রেখে চলতে হবে।কারা শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের জন্য রাজনীতি করে আর কারা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার জন্য রাজনীতি করে আপনাদের বুঝতে হবে।’
তিন দফা দাবিগুলো হলো অস্ত্র ও মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস, অভিযুক্ত অস্ত্রধারীর স্থায়ী বহিষ্কার এবং সম্পুর্ণ ক্যাম্পাস সিসিটিভির আওতায় আনা।


















































