চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই)-এর প্রাক্তন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)মরহুম আবু বকর(এ.বি.) সিদ্দিক, এফসিএমএ-এর স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল আজ সিএসই প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
গত ১৫ জুলাই তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং তাঁর কর্মময় জীবনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের লক্ষ্যে এ স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
স্মরণসভায় সিএসই-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সহকর্মীরা মরহুমের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন, অসামান্য নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়নে তাঁর অগ্রণী ভূমিকার কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
বক্তারা বলেন, এ. বি. সিদ্দিক ছিলেন একজন দূরদর্শী, সৎ, কর্মনিষ্ঠ ও প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বের অধিকারী, যিনি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের শক্ত ভিত রচনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশে অনন্য অবদান রেখেছেন। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের সিএসই-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হয়, যা পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির বিকাশ ও অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দূরদর্শী নেতৃত্ব, নিষ্ঠা এবং অটল অঙ্গীকারের মাধ্যমে তিনি সিএসইকে একটি সুসংগঠিত ও গতিশীল প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার ভিত্তি স্থাপন করেন।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে, তিনি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-সহ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও কার্যকর সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনের লক্ষ্যে বিভিন্ন বিদেশি স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতার ক্ষেত্রও সম্প্রসারিত করেছিলেন।
১৯৯৫ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে তিনি দেশব্যাপী অসংখ্য বিনিয়োগকারী সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করেন, যা বাংলাদেশের পুঁজিবাজার সম্পর্কে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাজারের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
স্মৃতিচারণে সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার (এফসিএ, এফসিএমএ) বলেন, তিনি কেবল একজন দক্ষ প্রশাসকই ছিলেন না বরং একজন স্নেহশীল অভিভাবক, প্রজ্ঞাবান পরামর্শদাতা এবং অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্ব ছিলেন।
তিনি সবসময় সহকর্মীদের মতামতকে গুরুত্ব দিতেন, ধৈর্যের সঙ্গে তাঁদের কথা শুনতেন এবং জটিল সমস্যারও বিচক্ষণতার সঙ্গে সমাধান দিতেন। তাঁর বিনয়, আন্তরিকতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব কর্মপরিবেশকে সৌহার্দ্যপূর্ণ করে তুলেছিল।
অনেক কর্মকর্তা স্মরণ করেন যে, তাঁর উৎসাহ, দিকনির্দেশনা ও আস্থাই তাঁদের পেশাগত জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে আত্মবিশ্বাস ও প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল।






















































