সুপ্রভাত ডেস্ক »
দেশে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘসময় বন্ধ রাখতে হয়।
এতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হয়ে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং শিক্ষা কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চালু রাখতে এবার পৃথক ও স্থায়ী পরীক্ষা কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, মাদ্রাসা, কারিগরি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার জন্য পৃথক ও স্থায়ী পরীক্ষা কেন্দ্র নির্মাণের উদ্দেশ্যে একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা বা ফিজিবিলিটি স্টাডি প্রস্তাব বর্তমানে অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
‘প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে সমীক্ষার সুপারিশের ভিত্তিতে সারাদেশে পর্যায়ক্রমে স্থায়ী পরীক্ষা কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।’
তিনি জানান, এ ধরনের স্থায়ী পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপিত হলে পাবলিক পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে, পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং সামগ্রিকভাবে শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
মন্ত্রী আরও জানান, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক ও স্থায়ী পরীক্ষা কেন্দ্র নির্মাণের বিষয়ে বর্তমানে কোনো স্বতন্ত্র পরিকল্পনা নেই। তবে ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয়তা, বাস্তবতা ও সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের আলোকে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো- পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলে পাবলিক পরীক্ষা পরিচালনার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠাননির্ভরতা কমানো এবং শিক্ষা কার্যক্রম যাতে নির্বিঘ্নে চলমান থাকে, সে লক্ষ্যে কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
















































