সুপ্রভাত ডেস্ক »
আগামীতে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন বিএনপির দলীয় নাকি বাইরের কেউ, তা নির্ধারণ করা হবে দলের নীতি নির্ধারণী ফোরামের বৈঠকেই। সংবিধান ও প্রয়োজনীয় আইন মেনে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা শেষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে বগুড়ায় পল্লী উন্নয়ন অ্যাকাডেমির (আরডিএ) ৩৪তম বার্ষিক পরিকল্পনা সম্মেলনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।
রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করার পর বিএনপির পক্ষে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, এ বিষয়ে বিএনপি সভা করবে, স্ট্যান্ডিং কমিটির মিটিং হবে। আমাদের তো কোনো মিটিংই হয়নি এখনও। বৈঠকের পরেই বিএনপির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে। এ সময় নিজের নাম নিয়ে তৈরি হওয়া গুঞ্জনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি তা এড়িয়ে গিয়ে বলেন, দলীয় ফোরামের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
এর আগে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গবেষণায় বরাদ্দ বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক তর্কের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আমাদের কাজের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। দেশে বাজেটের বড় একটি অংশ অপচয় হলেও গবেষণার মতো মৌলিক জায়গায় পর্যাপ্ত বরাদ্দ মেলে না।
কৃষিপণ্যের উপযুক্ত মূল্য ও বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, পল্লী উন্নয়ন মানে কেবল রাস্তাঘাট আর বাড়িঘর তৈরি করা নয়, গ্রামীণ কৃষকের আর্থিক সচ্ছলতা আনা। সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের অভাবে আমাদের কৃষকেরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যদাম পান না। এই সমস্যা সমাধানে গবেষকদের সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে বাস্তবায়নের কোনো চিহ্ন না থাকলেও কাগজে-কলমে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে। তরুণদের শুধু চাকরি বা ঠিকাদারির পেছনে না ছুটে কৃষিভিত্তিক শিল্প ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বগুড়ার স্থানীয় সংসদ সদস্য, পল্লী উন্নয়ন অ্যাকাডেমি ও গবেষণাসংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
















































