নিজস্ব প্রতিনিধি, পটিয়া »
পটিয়ায় এক প্রবাসীর বসতঘরে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সশস্ত্র ডাকাত দল পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে গেছে।
গত শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের এয়াকুবদন্ডী গ্রামের প্রবাসী আলী আব্বাসের ঘরে এ ঘটনা ঘটে। ডাকাতি শেষে পালিয়ে যাওয়ার সময় ডাকাত দল এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে ৭-৮ জনের একদল সশস্ত্র ডাকাত প্রবাসীর ঘরের মূল ফটকের তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাতরা তাৎক্ষণিক ঘরের সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। পরে তারা আলমারি থেকে ৭ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৩০ হাজার টাকা এবং একটি ব্যবহৃত মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়। আলমিরাতে চাবি লাগানো চাবি লাগানো ছিল বলে জানা গেছে।
ভোর সোয়া চারটার দিকে স্থানীয় নওয়াজী মুন্সি জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন আজান দিতে যাওয়ার সময় বিষয়টি আঁচ করতে পারেন এবং প্রতিবেশীদের জানান। পরে খবর পেয়ে সকালে পটিয়া থানা পুলিশের একটি টিম এবং দুপুর দেড়টার দিকে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
প্রবাসী আলী আব্বাসের ছেলে মোহাম্মদ আসিফ জানান, “আমাদের বাড়ির মূল ফটকে রাতে তালা লাগানো থাকে। ডাকাতরা ঠিক কিভাবে ভেতরে ঢুকল তা আমরা বুঝতে পারিনি। ভেতরে ঢুকেই তারা আমাদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আলমারি থেকে স্বর্ণ ও নগদ টাকা নিয়ে যায়।”
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বখতিয়ার উদ্দিন বকুল বলেন, “ডাকাতির ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। দুষ্কৃতকারীরা ডাকাতি শেষে পালিয়ে যাওয়ার সময় এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করতে ফাঁকা গুলি ছুড়েছে।”
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক জানান, “খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে। প্রবাসীর পরিবারের পক্ষ থেকে তালা ভেঙে ঢোকার দাবি করা হলেও প্রাথমিকভাবে তালা ভাঙার স্পষ্ট কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
















































