শৈল-সৈকত ও দেশগ্রাম

সুয়াবিল দায়রা শরিফে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন

সুপ্রভাত ডেস্ক >>

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ, ফটিকছড়ি সুয়াবিল দায়রা শরিফ শাখার উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা, মিলাদ ও জিকিরে সেমা মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৩০ আগস্ট) সুয়াবিল দায়রা শরিফ প্রাঙ্গণে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

---------

শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবদুল আজিজ আসিফ ও মুহাম্মদ আমিরুল রিয়াজের যৌথ সঞ্চালনায় এবং শাখা সভাপতি মুহাম্মদ শাহাজান উদ্দীন শান্তের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মাহফিলে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিশরের আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ হাসান উদ্দিন হোসাইন আযহারী। প্রধান অতিথি ছিলেন শাহানশাহ্ হক ভাণ্ডারী ইবতেদায়ী মাদ্রাসার সভাপতি মুহাম্মদ বেলাল উদ্দিন কোম্পানি সাহেব।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পরিষদের সিনিয়র সদস্য ও সুয়াবিল দায়রা শরিফ শাখার প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ লোকমান হোসেন (ফকির), কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য মুহাম্মদ কাজী হারেছসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভায় বক্তারা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র জীবন, মানবিকতা, উত্তম চরিত্র ও আদর্শের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) মানুষের প্রতি দয়া, ভালোবাসা ও সহমর্মিতার শিক্ষা দিয়েছেন। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অন্যায়-জুলুম পরিহার করা এবং শান্তি, ন্যায় ও মানবতার পথে চলাই তাঁর মহান আদর্শ।

বক্তারা আরও বলেন, পরিবার, প্রতিবেশী, এতিম, দরিদ্র ও সমাজের প্রতিটি মানুষের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার বিষয়ে মহানবী (সা.) গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁর জীবনাদর্শ অনুসরণ করলেই সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ আবদুস সালাম মেম্বার, মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ বারমাসিয়া শাখার উপদেষ্টা শফিউল আলম, মুহাম্মদ ফুল মিয়া, মুহাম্মদ নুরুল আবছার, মুহাম্মদ জানে আলম, সাংবাদিক শ্যামল নন্দী, মুহাম্মদ হুমায়ুন, সরওয়ার কামাল মুন্সি, জিয়াউর রহমান, খোরশেদ আলম, শাহেদ আলী, শাহাদাৎ হোসেন বাবলুসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

মাহফিলে মিলাদ ও কিয়াম পরিচালনা করেন মাওলানা মুহাম্মদ আবু তাহের মাইজভাণ্ডারী। পরে প্রধান মেহমান মাওলানা মুহাম্মদ আবুল কাশেম ফারুকি বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।

আলোচনা সভা ও মিলাদ শেষে জিকিরে সেমা মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সেমা পরিবেশন করেন কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য মুহাম্মদ কাজী হারেছ, শিল্পী মুহাম্মদ ইউসুফ, মুহাম্মদ সেলিম ও আবদুস সত্তার।

মাহফিল শেষে দেশ, জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।