পৃথক অভিযানে বিভিনস্থান থেকে ইয়াবা উদ্ধার

0
116

টেকনাফ
আমাদের টেকনাফ প্রতিনিধি জানায়,টেকনাফের হ্নীলায় বিজিবি সদস্যরা অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে।বিজিবি সুত্রে জানা যায়, গত ১৪ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১০টায় টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের হ্নীলা বিওপির বিশেষ একটি টহল দল মিয়ানমার হতে মাদকের চালান আসার সংবাদ পেয়ে রঙ্গিখালী আনোয়ার প্রজেক্ট সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর এক ব্যক্তি নাফনদীর বেড়িবাঁধ অতিক্রম করে প্রধান সড়কে উঠার সময় বিজিবি জওয়ানেরা দাড়ানোর জন্য সংকেত দিলে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে একটি পুটলা ফেলে কুয়াশার সুযোগে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তখন ঘটনাস্থল তল্লাশি করে পুটলাটি উদ্ধার করে ব্যাটালিয়ন সদরে নিয়ে গণনা করে ৯০ লক্ষ টাকা মূল্যমানের ৩০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান (পিএসসি) জানান, জব্দকৃত ইয়াবা পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে ধ্বংস করার জন্য ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি
আমাদের নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি জানায়,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়ন থেকে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৬০ হাজার ১শ ৫০পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশের বিশেষ একটি টিম। সোমবার ১৪ ডিসেম্বর সকালে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।আটককৃত তিন মাদক ব্যবসায়ী হলো- ঘুমধুম ইউনিয়নের ঘোনার পাড়া ৫নম্বর ওয়ার্ডের বাদশা মিয়ার ছেলে( ১) জিয়াউল হক( ২৮) বালুখালি ২০নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের তবারক আলীর ছেলে নুর মোহাম্মদ (২০) বালুখালি ২নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হাসেম মূল্লার ছেলে (২) ছৈয়াদ কাসেম ( ২১)। এদের মধ্যে জিয়াউল হককে ঘুমধুম বেতবুনিয়া হেডম্যন পাড়া এলাকা থেকে ৪৮হাজার ৭শ ৫০পিস ইয়াবাসহ ও (৩) নুর মোহাম্মদ ঘুমধুম টিভি টাওয়ার এলাকা থেকে ৯হাজার ৫০পিস এবং ছৈয়দ কাসেম কে ঘুমধুম টিভি টাওয়ার এলাকা থেকে ১হাজার ৯শ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয় বলে এই প্রতিবেদক কে জানান নাইক্ষ্যংছড়ি থানার পুলিশের সেকেন্ড অফিসার নুরুল ইসলাম ও ঘুমধুম পুলিশ ফাড়িঁর আইসি মো. দেলোয়ার হোসেন।ওসি মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন, মাদক বিরোধী নিয়মিত অভিযান চলছে।সোমবার ১৪ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় পৃথক অভিযানে ৬০ হাজার ১শ ৫০ পিস ইয়াবাসহ তিন জনকে আটক করা হয়েছে। ইয়াবাগুলো ঘুমধুম সীমান্তে থেকে নিয়ে আসা হচ্ছিল। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলে জানান (ওসি ) মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন। ওসি আলমগীর হোসেন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের নিয়মিত অভিযান চলছে। উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে নিয়মিত তল্লাশি চালানো হচ্ছে। নিয়মিত মাদক ব্যবসায়ীরা আটক হচ্ছে।