নিজস্ব প্রতিনিধি, চকরিয়া >>
কক্সবাজারের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে একটি লেগুনা দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। এতে ঘটনাস্থলে একজন এবং আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে ও চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজনসহ মোট চারজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই লেগুনার যাত্রী। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী নয়াপাড়া বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকালে ঈদগাঁও থেকে যাত্রী নিয়ে একটি নম্বরবিহীন জিটু (লেগুনা) চকরিয়ার দিকে যাচ্ছিল। ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা লাল-সবুজ পরিবহনের একটি এসি বাসের (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৮০৯০) সঙ্গে লেগুনাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে লেগুনার ছাদ ভেঙে আলাদা হয়ে যায় এবং গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
দুর্ঘটনায় লেগুনায় থাকা একজন যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। অপর আটজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজন মারা যান।
মালুমঘাট হাইওয়ে থানার এসআই মো. শামসুজ্জামান বলেন, যাত্রীবাহী বাস ও লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন যাত্রী নিহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন—চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের সেগুনবাগিচা এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (২৫), খুটাখালী নতুন অফিস এলাকার আমিনুল হকের ছেলে মো. জিয়াবুল হক (২৫), ফুলছড়ি শিয়াপাড়া এলাকার মৃত মনজুর আলমের ছেলে মো. শাহেদ (২৭) এবং ঈদগাঁও উপজেলার পশ্চিম গর্জনিয়া এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম (২৮)।
আহত জিয়াবুল করিম (৪০), মো. সরোয়ার (১৯), সৈয়দ আলম (৫০) ও মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৫) মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে এবং সৈয়দ করিম (৩০) কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এসআই শামসুজ্জামান আরও বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও লেগুনা জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপাররা পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।




















































