বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত

0
125

ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভা

বান্দরবান : আমাদের বান্দরবান সংবাদদাতা জানায়, বান্দরবানে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ছাত্রলীগের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে গত সোমবার সকালে বান্দরবান রাজার মাঠ থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চে এসে শেষ হয়। এসময় র‌্যালিতে ছাত্রলীগের শত শত নেতাকর্মী ব্যানার, প্ল্যাকাডর্ ফেস্টুন এবং দলীয় পতাকা বহন করে। পরে বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে বেলুন উড়িয়ে ছাত্রলীগের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজন করা হয় এক আনন্দ সমাবেশের।জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাউছার সোহাগের সভাপতিত্বে আনন্দ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম চৌধুরী। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইসলাম বেবী,যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক লক্ষীপদ দাশ,পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি অমল কান্তি দাশ,সাধারণ সম্পাদক সামশুল ইসলাম,বান্দরবান জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মে. কাউছার সোহাগ,সাধারণ সম্পাদক জনী সুশীলসহ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি সময়ের দাবিতেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সময়ের প্রয়োজন মেটাতেই এগিয়ে চলা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের। এসময় বক্তারা আরো বলেন, জন্মের প্রথম লগ্ন থেকেই ভাষার অধিকার, শিক্ষার অধিকার, বাঙালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা, দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান, সর্বোপরি স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলনের ছয় দশকের সবচেয়ে সফল সাহসী সারথি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে,সব অশুভ শক্তিকে পেছনে ফেলে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে, দেশগড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

পটিয়া : আমাদের পটিয়া প্রতিনিধি জানায়, পটিয়া ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবাষিকী কেক কেটে উদযাপন করা হয়।  পরে এক সমাবেশ সেলিম  উদ্দীনের সভাপতিত্বে পটিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ   নেতা জিয়াউল হক রুবেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মর্তুজা কামাল মুন্সি, প্রধান বক্তা ছিলেন পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল্লাহ্ (পলাশ), উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা শিমুল চক্রবর্ত্তী, শহিদুল ইসলাম শহিদ, সাব্বির আহম্মদ প্রমুখ। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। গত ৪ জানুয়ারি সকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পন করে নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং কেক কেটে দিবসের সুচনা করা হয়। পরে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি পটিয়ার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। আলোচনায় বক্তব্য রাখেন পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আ.ক.ম সামশুজ্জামান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান দেবব্রত দাশ, পটিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নাজমুল সাকের সিদ্দিকী, পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরাফাত শাকিল, বিশু দে, শহিদুল ইসলাম, সোহেল চৌধুরী, রনি দাশ, রাহেদুল ইসলাম, আরিফুর রহমান, ওমর হাসান ইমন, নাঈমুল হাসান, মঈনুদ্দিন সিজান, ইকরাম হোসেন অভি, মো. নয়ন, মো. মহিউদ্দিন, মো. খোরশেদ, রকিবুল হাসান, বিশু চক্রবর্ত্তী, প্রভাকর রায়, অন্তর চৌধুরী, চার্লি বড়ুয়া,মো. আরশেদ, জুবাইয়ের বিন রশিদ প্রমুখ। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়তে প্রত্যকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের মূল মন্ত্র ছড়িয়ে দিতে    তৃণমূল নেতৃবৃন্দকে আহবান জানান।

আনোয়ারা : আমাদের আনোয়ারা প্রতিনিধি জানায়,ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রামের আনোয়ারা সরকারি কলেজে কেক কাটা, র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে ক্যাম্পাসে কলেজের সাবেক সভাপতি ও যুবলীগের সদস্য এম. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক এম.এ মান্নান চৌধুরী ও বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ রিদুয়ানুল হক।ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম শামীমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগ নেতা মঈন উদ্দিন মাহিন, ফারুকুল ইসলাম, আনছার চৌধুরী, সাহাবু উদ্দিন, বাবলু রাজ, শহিদ আনোয়ার, করিম, শাকিল, সোহেল, মিজান, রিদয় আইচ, খসরু, বাপ্পী রাজীবসহ কলেজ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। এর আগে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে র‌্যালি সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সেখানে এসে শেষ হয়।

রাউজান : আমাদের রাউজান প্রতিনিধি জানায়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে রাউজান উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।গত ৪ ডিসেম্বর সোমবার  রাউজান মুন্সিরঘাটা চত্বরে আয়োজিত ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাউজান উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জিল্লুর রহমান মাসুদ।রাউজান উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন পিবলুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তরুণ রাজনীতিবিদ উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ফরাজ করিম চৌধুরী। বিশেষ বক্তা ছিলেন উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন তপু।প্রধান বক্তা ছিলেন উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম। বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সি. সহ সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক বশির উদ্দীন খাঁন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জমির উদ্দীন পারভেজ, সহ সভাপতি সারজু মো: নাছের, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আব্দুল জব্বার সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক শওকত হোসেন,পৌর যুবলীগের সভাপতি হাসান মোহাম্মদ রাসেল, ছাত্রলীগ নেতা আবু মোরশেদ চৌধুরী,কুতুব সিকদার, নুরুল আজম, অনুপ চক্রবর্তী, মো. আসিফ, আরমান সিকদার, ফয়সাল মাহমুদ। আওয়ামী লীগ যুবলীগ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয়। গতকাল ৪ ডিসেম্বর সোমবার সকালে ছাত্রলীগের ৭৩ তম প্রতিস্টাবার্ষিক উপলক্ষে দক্ষিন রাউজান ছাত্রলীগের উদ্যোগে পাহাড়তলী চৌমুহনী চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাউজান জলিল নগর বাস স্টেশনে উদ্দীপ্ত তরুন সংঘের উদ্যোগে অসহায় দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরন করেন তরুন আওয়ামী লীগ নেতা ফারাজ করিম চৌধুরী ।

চকরিয়া : আমাদের চকরিয়া প্রতিনিধি জানায়,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগ নানা কর্মসূচি পালন করেছে। দুপুরে কেক কাটার কর্মসূচীতে অংশ নেন কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম এমএ। চকরিয়া পৌরশহরের থানা রাস্তার মাথার সিস্টেম কমপ্লেক্সের চতুর্থ তলার বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ কর্ণারে কেক কাটার অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী, আবু মুছা, কাউছার উদ্দিন কছির, জামাল উদ্দিন, আজিজুল ইসলাম সোহেল প্রমূখ। এদিকে উপজেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, মিলাদ মাহফিল ও দোয়া মাহফিলেরও আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ মারুফ, সাধারণ সম্পাদক আকিত হোসেন সজীব, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তহিদুল ইসলাম চৌধুরী, জামশেদ উদ্দিন, হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ সুজন, রিদওয়ান পারভেজ, আজমিহি তাজিদ, করিম উলাহ, শেখ আব্দুল আজিজ, জাহেদুল ইসলাম, ডুলাহাজারা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আনাস, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াবুল হাসান, কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আবছার আকাশ, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেনসহ প্রমূখ।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য জাফর আলম ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলাদেশের ইতিহাসের সৃষ্টিলগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত  প্রত্যেকটি অর্জনে ছাত্রলীগের অংশীদারিত্ব রয়েছে। জনপ্রিয় সংগঠন হিসেবে ছাত্রলীগ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তরুণ প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।তিনি বলেন, চলতি বছর মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর প্রাক্কালে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই কারণে এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্যক্রম নিদর্শন হয়ে থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি। তাই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে জাতির পিতার আদর্শকে বুকে ধারণ করে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত থাকতে হবে।আদর্শিক পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন-শ্রম-আবেগের ফসল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৩ বছর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে চকরিয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি ও কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছেন। সোমবার ৪ জানুয়ারি বিকালে চকরিয়া সিস্টেম কমপ্লেক্স বঙ্গবন্ধু কর্ণারে চকরিয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন প্রধান অতিথি কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম।  চকরিয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান জিসানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা পারভেজ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসুচিতে  উপস্থিত ছিলেন, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ওয়ালিদ মিলটন, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কাকারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত হোসাইন, চকরিয়া উপজেলা  যুবলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম শহীদ, চকরিয়া পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি হাসানঙ্গীর হোসাইন,পৌরসভা ছাত্রলীগের স্কুল ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শাহেদ, সহসম্পাদক আলিপ, উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক জিসাদ,চকরিয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের আওতাধীন চকরিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কলেজ শাখার সভাপতি আরেফিন সিদ্দিকী, চকরিয়া পৌরসভার  ১নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি লুৎফর রহমান জুবাইর, সম্পাদক মোহাম্মদ সাগর, ৩নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ফয়সাল আলম সাগর, ৪নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি তারে কুল ইসলাম, সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক হাসান, ৫নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি মোরশেদ হোসাইন, সম্পাদক রানা হাবিব, ৮নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের আহবায়ক কপিল উদ্দিন,যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান,যুগ্ম আহবায়ক মিনহাজ উদ্দিন, ৯নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের, সভাপতি রুহুল কাদেরে সোহান ও সাবেক ৮নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এহেছানুল হক হৃদয়সহ অসংখ্য ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

দীঘিনালা : আমাদের দীঘিনালা প্রতিনিধি জানায়,দীঘিনালায় ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের  ঘটনায় দুপরে মধ্যে বাক বিত-াসহ উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি  হয়েছে। ঘটনায় ছাত্রলীগের দুপক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করেছে।ঘটনায় পরিস্থিতি সামাল দিতে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জানা যায়, গত ১৪ নভেম্বর দীঘিনালা উপজেলা ছাত্রলীগ এবং দীঘিনালা সরকারী ডিগ্রি কলেজ কমিটি ঘোষণার পর থেকেই কমিটি বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূিচ পালন করে অপর পক্ষ। ফলে গত ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে উদ্যোগ নিলে অপর পক্ষ আলাদাভাবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করার প্রস্তুতি নেয়। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে, দীঘিনালা থানা পুলিশ। পরে সকাল সাড়ে দশটায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে, পুলিশ দুপক্ষকে শান্ত করে। পরে মেহেদি-হেলালের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের একাংশ মাইনী সেতু এলাকায় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভা করে। আলোচনা সভায় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদি হাসানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মো. হেলাল ওয়াহিদ। আলোচনা সভায়  মেহেদি হাসান অভিযোগ করে জানান, আমাদের ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সব আয়োজন সম্পন্ন করা হলেও ভাড়া করা লোকজন বাধা দিয়েছে ।

এব্যাপারে উপজেলা ছাত্রলীগের একাংশের নেতা বাবলু কুমার দে জানান, বর্তমান কমিটির অধিকাংশ বিবাহিত এবং অছাত্র। তাই আমরা গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কমিটি মানিনা।দীঘিনালা থানার অফিসার ইনচার্জ উত্তম চন্দ্র দেব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করার ঘটনায় দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে।