সুপ্রভাত ডেস্ক »
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কিছু অমিমাংসিত বিষয়ে মিমাংসার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আলোচনা চলছে এমন দাবি করে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখেই আইএমএফ থেকে ঋণ সহায়তা নেয়া হবে।
আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ কর্মসূচি শুরু হয় ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গত বছরের জুনে ৮০ কোটি ডলার বেড়ে ঋণ কর্মসূচির আকার ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। তবে শেষ দিকে শর্ত পূরণ না হওয়ায় ঋণ ছাড় দেয়নি আইএমএফ।
নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর আবারও আলোচনায় আসে ঋণ সহায়তার বিষয়টি। তবে শর্ত পূরণের দোলাচলে চলতে থাকে আলোচনা।
জুনের মধ্যে ঋণ ছাড়ের বিষয়ে গুঞ্জন থাকলে শর্ত পূরণ নিয়ে তৈরি হয় জটিলতা। জটিলতা কতটুকু কাটলো সে উত্তর আইএমএফের সদর দপ্তরে বৈঠক শেষে জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু।
তিনি বলেন, ‘দেশে ব্যাংকের যে সমস্যাগুলো আছে সার্বিকভাবে, ওগুলোতে তারা রোল প্লে করতে চায়। আইএমএফের সঙ্গে যে আলোচনা, সেটা অব্যাহত থাকবে। কারণ আমরা অনেকগুলো ইস্যু সলভ করেছি। কয়েকটি ইস্যু এখনো আলোচনার মধ্যে আছে, সেগুলো আমরা আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে সমাধান করার চেষ্টা করছি। তারপর সেখান থেকে সামনের দিকে এগিয়ে যাবো। এটা চলমান একটা প্রক্রিয়া।’
এর আগে আইএমএফের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় ৭ বছর পর আবারও সংস্থাটির সদস্য পদ পুনর্বহাল করেছে ভেনেজুয়েলা।
আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা গিওরগিভা জানান, এমডি নিয়োগের শর্তাদি প্রতিযোগিতামূলক করাসহ কঠিন কিছু সংস্কার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে এবার।


















































