সুপ্রভাত ডেস্ক »
গুমসহ হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক এমপি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
একইসঙ্গে একদিন করে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিত ও নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানকেও এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। দুজনকেই আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। তিনি ট্রাইব্যুনালকে বলেন, এ মামলায় ফজলে করিম ও জিয়াউলকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের দিন ধার্য ছিল। আমরা তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছি। পাশাপাশি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সুবিধাজনক সময়ে একদিন করে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চাই। পরে দুটি আবেদনই মঞ্জুর করেন ট্রাইব্যুনাল।
এ সময় ফজলে করিমের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম হাসান ইমাম ও জিয়াউলের পক্ষে ছিলেন নাজনীন নাহার।
এছাড়া এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময়ের আবেদন করে প্রসিকিউশন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২১ জুন প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দেওয়া হয়।
প্রসিকিউশন জানায়, ২০১০ সালে চট্টগ্রামের রাউজানের বাগোয়ান ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু জাফরকে তুলে নেওয়া হয়। গুমের পর তাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ফজলে করিম ও জিয়াউলের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন।


















































