হেলদি সিটি গড়তে হলে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই

114

সভায় বক্তারা

সমন্বিতভাবে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণ বিষয়ক এক সভা গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় নগরীর আন্দরকিল্লার চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র কর্ণফুলী আরবান প্রকল্পের সহযোগিতায় জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় এ সভার আয়োজন করেন। ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আসিফ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ে মূল বিষয় উপস্থাপন করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র কর্ণফুলী আরবান প্রকল্প চট্টগ্রামের টেকনিক্যাল কোঅর্ডিনেটর (আইওয়াশ ও সিইএসপি ) রবার্ট কমল সরকার।
এতে অতিথি ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র এপিসি ম্যানেজার স্টিফেন হালদার রুবেন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. মোহাম্মদ নুরুল হায়দার, রতন কান্তি দেবাশীষ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এসআইএমও ডা. এস এম জাহিদ ও আইইডিসিআর’র মেডিক্যাল অফিসার ডা. সাবিজা ইয়াছমিন।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পূর্ব বাকলিয়া মা-শিশু ১০ শয্যা হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. সুপর্ণা দে, সিটি করপোরেশন আরবান ডিসপেনসারীর মেডিক্যাল অফিসার ডা. জয়ন্তী সরকার, জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়–য়া, সংবাদ সংস্থা এনএনবি’র চট্টগ্রাম প্রধান রনজিত কুমার শীল, ওয়ার্ল্ড ভিশনের প্রোগ্রাম অফিসার খ্রীস্টফার কুইয়া, কারিতাস’র প্রকল্প সমন্বয়ক ব্রাইন এন্টনিউ, ইমেজ’র ক্লিনিক ম্যানেজার রঞ্জিত কুমার শীল, কোডেক’র কোঅর্ডিনেটর জুলি বড়–য়া, জেলা ইপিআই সুপার মো. হামিদ আলী, কাজল কান্তি পাল ও পিআইডি’র তথ্য সহকারী মো. আবুল বাশার প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, সমাজের ঝুঁকিপূর্ণ ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী থেকে শুরু করে সকলের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকারের পাশাপাশি ওয়ার্ল্ড ভিশন আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সিটি করপোরেশন এলাকায় কোভিড-১৯ মোকাবেলা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, স্যানিটেশন ও সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে সরকারের সাথে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র কর্ণফুলী আরবান ও অন্যান্য বেসরকারি সংস্থা এগিয়ে আসার কারণে সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। আরবান এলাকায় শ্রমজীবী শিশুদের টেকনিক্যাল শিক্ষায় সম্পৃক্তকরণ, বাল্যবিবাহ, শিশু শ্রম, নারী-শিশু নির্যাতন রোধ ও শিশুবান্ধব নগরী গড়তে ওয়ার্ল্ড ভিশন বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে হেলদি সিটি গড়তে হলে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই।
এ জন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসক-কর্মচারীর শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিতসহ পর্যাপ্ত চিকিৎসা সামগ্রী মজুদ রাখতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে ডেপুুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আসিফ খান উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে আন্ত সমন্বয় বৃদ্ধি, ওভারলেপিং রোধ ও সরকারি মনিটরিং জোরদার করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। বিজ্ঞপ্তি