দলের দুঃসময়ে রাজপথে ছিলেন সেকান্দর হায়াত খাঁন

0
73

আলোচনা সভা

সংসদ সদস্য ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতারাই দলের সম্পদ। এ সম্পদ যদি অযতেœ, অবহেলায় ও অমর্যাদায় সঠিক মূল্যায়িত না হয় তাহলে তা হবে দলের জন্য অশনি সংকেত।
তিনি গতকাল বিকাল ৪টায় মোহরার জান আলী খান চৌধুরী বাড়িতে মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম সেকান্দর হায়াত খাঁন এর ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি একথাগুলো বলেন।
তিনি আরো বলেন মরহুম সেকান্দর হায়াত খাঁন দলের দুঃসময়ে বারবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে ছিলেন। তার জীবনের উপর হামলাও এসেছে। তবুও তিনি আমৃত্যু আদর্শচ্যুত হন নি।
মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি দেশ বিদেশে ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে। মনে রাখতে হবে আমরা মোটেও নিরাপদ নয়। নাগিনীরা বিষাক্ত নিঃশ্বাস ফেলছে। এখনি তাদের বিষদাঁত উপরে ফেলার সময় এসেছে।
মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন, আমাদের বড় ব্যর্থতা বর্তমান সরকারের এক যুগ ধরে নজিরবিহীন সাফল্য ও অর্জনগুলোকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে পারি নি। তাই এখনো প্রতিপক্ষ বিভ্রান্তি ছড়িয়ে, গুজব ছড়িয়ে জঙ্গিবাদী অপশক্তিকে লেলিয়ে দিয়ে প্রতিশোধ নেয়ার আস্ফালন করছে। তাই আমাদের বাঙালি জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষায় দুষ্টচক্রের বিরুদ্ধে সরাসরি অ্যাকশনে যেতে হবে। এতেই বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রয়াত জননেতা সেকান্দার হায়াত খাঁনের মত প্রয়াত নন্দিত জননেতাদের আত্মা শান্তি পাবে।
মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা জোবাইরা নার্গিস খান, আবু তাহের, হাজী বেলাল আহমদ, শামসুল আলম, নূর মোহাম্মদ নুরু, নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, জসিম উদ্দিন, খালেদ হোসেন খান মাসুক, মরহুমের পুত্র আশেক রসূল খান বাবু প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি