সুপ্রভাত ডেস্ক »
বর্ষার আগে জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। আসন্ন বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডজুড়ে খাল-নালা খনন ও পরিষ্কার কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) চসিক কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, আগামী রোববার থেকে কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম দিনে জামালখান লিচুবাগান, এনায়েত বাজার ওয়ার্ড এবং আন্দরকিল্লা সেবক কলোনিসহ তিনটি ওয়ার্ডে উদ্বোধন করা হবে।
এরপর পর্যায়ক্রমে পুরো চট্টগ্রাম নগরীতে এ কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে।
মেয়র বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ নালাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কাজে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাহী প্রকৌশলী ও পরিচ্ছন্নতা সুপারভাইজারদের সমন্বয়ে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কার্যক্রম তদারকির জন্য ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি জানান, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকার চসিককে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এ অর্থ পাওয়া গেলে অন্তত ৫০০টি ছোট নালা পরিষ্কারের পরিকল্পনা রয়েছে।
গত বছর ১৪৮টি নালা পরিষ্কার করার ফলে বর্ষায় জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়ন প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, বর্ষা মৌসুম গাছ লাগানোর উপযুক্ত সময়। প্রতিটি ওয়ার্ডে সবুজায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং গাছের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বর্ষাকালে নালা-খালে দুর্ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব ম্যানহোলে ঢাকনা বা স্ল্যাব নেই, সেগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসনে সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং নালা-ড্রেনে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) পিলারের কারণে সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সড়ক উন্নয়ন বিষয়ে মেয়র বলেন, পুরনো রাস্তার ওপর নতুন স্তর বসানোর পরিবর্তে পুরনো রাস্তা অপসারণ করে নতুন রাস্তা নির্মাণ করতে হবে। তা না হলে রাস্তা উঁচু হয়ে আশপাশের এলাকা নিচু হয়ে জলাবদ্ধতা বাড়তে পারে।

















































