সুপ্রভাত বাংলাদেশ
একটি ফোনকলও হতে পারে হাসপাতালের ব্র্যান্ডের প্রথম পরিচয়
ফ্রেশার থেকে ফিউচার লিডার: কর্মক্ষেত্রে তরুণদের নতুন বাস্তবতা
২০ বছরে কর্ণফুলী ইপিজেডে বিনিয়োগ বেড়েছে ৪১২ গুণ
  • বিজনেস
    • চট্টগ্রাম বন্দর
    • কাস্টমস
    • এনবিআর
    • শিপিং
    • ব্যাংক-বীমা
    • শেয়ারবাজার
    • করপোরেট
    • শিল্পবাণিজ্য সংবাদ
    • বিনিয়োগ
    • জ্বালানি
    • এভিয়েশন
    • টেলিকম
    • উদ্যোক্তা
    • বিশ্ব অর্থনীতি
  • মহানগর
    • সিটি কর্পোরেশন
    • সিএমপি
    • জেলা প্রশাসন
    • বিদ্যুৎ
    • হাসপাতাল
    • রেলওয়ে
    • ওয়াসা
    • সিডিএ
    • আবহাওয়া
    • কারাগার
    • গণপরিবহন
    • বাজার
    • দুর্নীতি দমন কমিশন
    • সংগঠন সংবাদ
  • বৃহত্তর চট্টগ্রাম
    • চট্টগ্রাম জেলা
      • কর্ণফুলী
      • বোয়ালখালী
      • পটিয়া
      • আনোয়ারা
      • চন্দনাইশ
      • সাতকানিয়া
      • লোহাগাড়া
      • বাঁশখালী
      • মিরসরাই
      • সন্দ্বীপ
      • সীতাকুণ্ড
      • হাটহাজারী
      • রাউজান
      • রাঙ্গুনিয়া
      • ফটিকছড়ি
    • কক্সবাজার
      • কক্সবাজার সদর
      • রামু
      • ঈদগাঁও
      • চকরিয়া
      • পেকুয়া
      • মাতামুহুরী
      • কুতুবদিয়া
      • মহেশখালী
      • উখিয়া
      • টেকনাফ
    • রাঙ্গামাটি
      • রাঙ্গামাটি সদর
      • বাঘাইছড়ি
      • বরকল
      • বিলাইছড়ি
      • জুরাছড়ি
      • লংগদু
      • কাউখালী
      • কাপ্তাই
      • নানিয়ারচর
      • রাজস্থলী
    • বান্দরবান
      • বান্দরবান সদর
      • লামা
      • আলীকদম
      • থানচি
      • নাইক্ষ্যংছড়ি
      • রোয়াংছড়ি
      • রুমা
    • খাগড়াছড়ি
      • খাগড়াছড়ি সদর
      • দীঘিনালা
      • মহালছড়ি
      • মাটিরাঙ্গা
      • পানছড়ি
      • মানিকছড়ি
      • গুইমারা
      • লক্ষ্মীছড়ি
      • রামগড়
  • জাতীয়
    • সরকার
    • সংসদ
    • প্রশাসন
    • পরিবেশ-জলবায়ু
    • প্রতিরক্ষা
    • নির্বাচন
    • নারী
  • আন্তর্জাতিক
    • এশিয়া
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • আফ্রিকা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    • ভারত
    • চীন
    • পাকিস্তান
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াতে ইসলামী
    • জাতীয় পার্টি
    • এনসিপি
    • হেফাজতে ইসলামী
    • যুবদল
    • যুবলীগ
    • ছাত্রদল
    • ছাত্রলীগ
    • ছাত্রশিবির
    • ছাত্রশক্তি
    • শ্রমিক দল
    • শ্রমিক লীগ
    • শ্রমিক ফেডারেশন
  • অপরাধ-আদালত
  • খেলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • অন্য খেলা
  • ফিচার
    • জেন-জি
    • মতামত
      • সম্পাদকীয়
      • বিশেষ সংখ্যা
    • শিল্প-সাহিত্য
    • এলাটিং বেলাটিং
    • বিনোদন-সংস্কৃতি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • খাবারদাবার
    • লাইফস্টাইল
    • ভ্রমণ
    • চাকরি
  • শিক্ষা
    • ক্যাম্পাস
  • স্বাস্থ্য
  • ভিডিও
  • English
ই-পেপার
সুপ্রভাত বাংলাদেশসুপ্রভাত বাংলাদেশ
  • বিজনেস
  • মহানগর
  • বৃহত্তর চট্টগ্রাম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অপরাধ-আদালত
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • ফিচার
  • লাইফস্টাইল
  • ভিডিও
সার্চ
  • বিজনেস
    • চট্টগ্রাম বন্দর
    • কাস্টমস
    • এনবিআর
    • শিপিং
    • ব্যাংক-বীমা
    • শেয়ারবাজার
    • করপোরেট
    • শিল্পবাণিজ্য সংবাদ
    • বিনিয়োগ
    • জ্বালানি
    • এভিয়েশন
    • টেলিকম
    • উদ্যোক্তা
    • বিশ্ব অর্থনীতি
  • মহানগর
    • সিটি কর্পোরেশন
    • সিএমপি
    • জেলা প্রশাসন
    • বিদ্যুৎ
    • হাসপাতাল
    • রেলওয়ে
    • ওয়াসা
    • সিডিএ
    • আবহাওয়া
    • কারাগার
    • গণপরিবহন
    • বাজার
    • দুর্নীতি দমন কমিশন
    • সংগঠন সংবাদ
  • বৃহত্তর চট্টগ্রাম
    • চট্টগ্রাম জেলা
    • কক্সবাজার
    • রাঙ্গামাটি
    • বান্দরবান
    • খাগড়াছড়ি
  • জাতীয়
    • সরকার
    • সংসদ
    • প্রশাসন
    • পরিবেশ-জলবায়ু
    • প্রতিরক্ষা
    • নির্বাচন
    • নারী
  • আন্তর্জাতিক
    • এশিয়া
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • আফ্রিকা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    • ভারত
    • চীন
    • পাকিস্তান
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াতে ইসলামী
    • জাতীয় পার্টি
    • এনসিপি
    • হেফাজতে ইসলামী
    • যুবদল
    • যুবলীগ
    • ছাত্রদল
    • ছাত্রলীগ
    • ছাত্রশিবির
    • ছাত্রশক্তি
    • শ্রমিক দল
    • শ্রমিক লীগ
    • শ্রমিক ফেডারেশন
  • অপরাধ-আদালত
  • খেলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • অন্য খেলা
  • ফিচার
    • জেন-জি
    • মতামত
    • শিল্প-সাহিত্য
    • এলাটিং বেলাটিং
    • বিনোদন-সংস্কৃতি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • খাবারদাবার
    • লাইফস্টাইল
    • ভ্রমণ
    • চাকরি
  • শিক্ষা
    • ক্যাম্পাস
  • স্বাস্থ্য
  • ভিডিও
ফলো করুন
© 2025-2026 Suprobhat Bangladesh. All Rights Reserved.

সম্পাদকের বাছাই

অবরুদ্ধ চুয়েট ভিসিকে ‘ছাড়িয়ে’ আনলেন ডিসি-এসপি
শতাধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ নিয়ে বিসিকের চাকরি মেলা
অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। মঙ্গলবার উপাচার্য ভবনে।
অবরুদ্ধ চুয়েট ভিসির বুকে ব্যথা, যেতে চান হাসপাতালে
ফলমণ্ডিতে অভিযান চালিয়ে তুহিন এন্টারপ্রাইজকে জরিমানা করেন ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তারা।
ফলমণ্ডিতে অভিযান, খেজুরে তেল মাখিয়ে বিক্রিতে জরিমানা
কল্পলোকের নদীর পাড়ে সাইকেল নিয়ে পর্বতারোহী ডা. বাবর আলী।
কল্পলোকে বাবর আলীকে ছিনতাইকারীদের ধাওয়া, রক্ষা পেলেন বিচক্ষণতায়
কক্সবাজার সৈকতে পাঁচ টন প্লাস্টিক বর্জ্যে তৈরি ৫০ ফুট উচ্চতার ‘প্লাস্টিক দানব’
পাঁচ টন প্লাস্টিকে কক্সবাজার সৈকতে ৫০ ফুটের ‘দানব’

করোনা পরবর্তী নতুন বাস্তবতায় বিশ্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪ মে ২০২১ ২:১৯ অপরাহ্ণ
শেয়ার

রায়হান আহমেদ তপাদার »

২০১৯ সালের ডিসেম্বরের পরের পৃথিবী আগের মতো আর থাকছে না। পরিবর্তনটা হবে অস্বাভাবিকভাবে ভিন্ন এবং মৌলিক। নতুন অনেক কিছুর জন্য প্রস্তুত হতে হবে মানব প্রজাতিকে। কিছু কিছু পরিবর্তন স্থায়ী হয়ে উঠবে।১৯৪৫ সালের মে মাসের আগের ও পরের বিশ্ব আলাদা হয়ে গিয়েছিল। করোনাভাইরাস মহাযুদ্ধের চেয়েও বেশি মাত্রায় চেনাজানা বিশ্বকে পাল্টে দিতে পারে। এই অর্থে করোনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ঘটনা।জার্মানির চ্যান্সেলর এঙ্গেলা ম্যার্কেল ১৮ মার্চ দেশবাসীর উদ্দেশে এক ভাষণে করোনা সংক্রমণকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সবচেয়ে বড় সংকট বলেছেন। বিশ্বের বর্তমান জীবিত প্রজন্ম এ রকম সর্বগ্রাসী বৈশ্বিক দুর্যোগ আর দেখেনি। প্রতিদিনই কোভিড-১৯ ক্ষয়ক্ষতির চমক দেখাচ্ছে। এর শেষ কোথায়, আমরা কেউই জানি না। প্রাথমিকভাবে মনে হয়নি চীন এত দ্রুত ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। এও মনে হয়নি, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় বিপর্যয় এত ব্যাপক হবে। তুলনামূলকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা ছিল ওই সব অঞ্চল। অথচ সেখানেই অস্তিত্বের সংকট তীব্র রূপ নিয়েছে। ইরানে সংক্রমণের ব্যাপকতারও কোনো উত্তর মেলেনি আজও। এটুকুই কেবল বোঝা গেল, যেসব দেশ ও সরকার আগে আগে সততার সঙ্গে সমস্যার রূঢ়তা চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ মাত্রায় সক্রিয় হয়েছে, তারা ভাইরাসের আগ্রাসন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে এনেছে। অন্যত্র ঘটেছে উল্টো।করোনার ক্ষয়ক্ষতি হলো চলতি দুর্যোগের মাত্র প্রথম পাঠ। ধাপে ধাপে এর পরের অধ্যায়গুলোও হাজির হতে থাকবে।
ইতিমধ্যে বিশ্বব্যাপী এই শিক্ষা হয়েছে, মানবজাতির একাংশকে বিশুদ্ধ পানি ও ন্যূনতম স্যানিটেশন সুবিধাবঞ্চিত রেখে অন্যত্র সুস্বাস্থ্যের স্বর্গ বানানো যায় না। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেনসহ বিশ্বের মুরব্বি দেশগুলোর নেতারা করোনাকালে বিশ্বকে মোটেই নেতৃত্ব দিতে পারেননি। তাঁদের তরফ থেকে এমন একটি বাক্যও পাওয়া যায়নি, যা বিশ্ববাসীকে আশ্বস্ত করতে পারে। এটা বৈশ্বিক রাজনৈতিক নেতৃত্বের পালাবদলের তাগিদ দিচ্ছে ভবিষ্যৎকে। অতীত মহামারির ইতিহাসেও এমন দৃষ্টান্ত আছে-অভিভাবকসুলভ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়ে বহু রাজত্ব নুয়ে পড়েছিল। তবে সব মহামারির শিক্ষা এক রকম নয়। এটাও অতীতেরই শিক্ষা।আপাতত যা দেখা গেল, যুক্তরাষ্ট্র সময়মতো নিজের অনেক নাগরিকের ‘ভাইরাস টেস্ট’ করাতে পারেনি, পাশাপাশি নিজেও বৈশ্বিক গভর্ন্যান্স-টেস্টে এত দিনকার অবস্থান হারিয়েছে। দেশটির ডাকে ইউরোপ যুগের পর যুগ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধে শরিক হয়েছে। অথচ ভাইরাস হানা দেওয়ামাত্র ওয়াশিংটন কোনো ধরনের মতবিনিময় ছাড়াই ঘনিষ্ঠ মিত্র ইউরোপের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। বাকি বিশ্বের জন্যও কোনো দায় বোধ করতে দেখা যায়নি দেশটির প্রেসিডেন্টকে।
এ পরিস্থিতি যেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালে ‘স্প্যানিশ-ফ্লু’র কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। সেই দুর্যোগে অস্ট্রিয়া আর জার্মানি শক্তিমত্তা হারিয়ে উত্থান ঘটেছিল ব্রিটেন ও ফ্রান্সের। তবে মহামারি কেবল রাজনীতিতে নয়, নাটকীয় পরিবর্তন আনে অর্থনীতিতেও। স্প্যানিশ-ফ্লুর পরই বিশ্বজুড়ে ফ্যাক্টরির ক্ষুধা মেটাতে নারীরা কাজে নেমেছিল। কোভিড-১৯ কী কী করবে, আমরা এখনো সামান্যই জানি তার। ২০১৯-এর ডিসেম্বরের পরের পৃথিবী আগের মতো আর থাকছে না। পরিবর্তনটা হবে অস্বাভাবিকভাবে ভিন্ন এবং মৌলিক। নতুন অনেক কিছুর জন্য প্রস্তুত হতে হবে মানব প্রজাতিকে। কিছু কিছু পরিবর্তন স্থায়ী হয়ে উঠবে।১৯৪৫ সালের মে মাসের আগের ও পরের বিশ্ব আলাদা হয়ে গিয়েছিল। করোনাভাইরাস মহাযুদ্ধের চেয়েও বেশি মাত্রায় চেনাজানা বিশ্বকে পাল্টে দিতে পারে। এই অর্থে করোনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সবচেয়ে বড় ‘রাজনৈতিক ঘটনা’।জার্মানির চ্যান্সেলর এঙ্গেলা ম্যার্কেল ১৮ মার্চ দেশবাসীর উদ্দেশে এক ভাষণে করোনা সংক্রমণকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সবচেয়ে বড় সংকট বলেছেন।
এমনকি ডলার-পাউন্ড পকেটে নিয়ে পণ্য না পাওয়ার অভিজ্ঞতা উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের অনেক নাগরিকের জন্য জীবনে এই প্রথম। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, সীমান্ত বন্ধ এবং জরুরি অবস্থার মতো ঘটনা। বিশ্বজুড়ে সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়েছে। অর্থনৈতিক গোলকায়নের জন্য এ রকম অবস্থা দীর্ঘ মেয়াদে বিপর্যয়কর। বড় ধরনের মন্দার মুখে পড়েছে সমগ্র বিশ্ব।সব দেশেই ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রণোদনার জন্য মরিয়া হয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। কেউ চাইছেন নগদ সহায়তা, কেউ কর মওকুফ। পরিস্থিতি অভূতপূর্ব। ফলে তা অভূতপূর্ব সমাধান চিন্তাই দাবি করছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থমন্ত্রীরা অধিকাংশ দেশেই হতবিহ্বল অবস্থায় আছেন। যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো সংস্থার আগে চীনের আলিবাবা আফ্রিকার ৫৪টি দেশে বিপুল পরিমাণ মাস্ক আর করোনা-পরীক্ষার সরঞ্জাম পাঠিয়ে আপাতত তার দেশকে বৈশ্বিক নেতৃত্বে এগিয়ে রাখল। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের এত দিনকার বাণিজ্যযুদ্ধ করোনার পরে যে রাজনৈতিক যুদ্ধে রূপ নিতে চলেছে, তা ইতিমধ্যে স্পষ্ট। এই দুই দেশের ঠা-াযুদ্ধ করোনার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টার গতি কমিয়ে দেবে। এটা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটা নৈরাজ্যকর অবস্থাও তৈরি করতে পারে।
অথচ এ মুহূর্তে আন্তর্জাতিক একটা স্বাস্থ্য অবকাঠামোর জরুরি চাহিদা দেখা দিয়েছে।তবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আপাতত আত্মসমর্পণ বোধ হয় ভবিতব্য। কারণ, দেশটির অ্যান্টিবায়োটিক বাজারে চীনের হিস্যা ৯৫ শতাংশ। চীন-যুক্তরাষ্ট্রের উদীয়মান দ্বন্ধ সাপ্লাই চেইনের শুরুর বিন্দুতে থাকা বড় বড় উৎপাদকের কিছু কিছু কারখানা এমন সব নিরাপদ স্থানে সরাতে বাধ্য করবে, যেখানে ওই দ্বন্ধের আঁচ লাগবে না।করোনাকালীন অভিজ্ঞতা থেকে দেশগুলো গুরুত্বপূর্ণ পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হওয়ার পুরোনো ধারণায় ফিরে যেতে পারে। বিভিন্ন দেশ আন্তর্দেশীয় পণ্য চলাচলে স্বাস্থ্য সুরক্ষাজনিত বাধা অনেক বাড়াবে। এমনকি দেশে দেশে যানবাহন থেকে হোটেল পর্যন্ত ব্যবসা করতে হলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এর ফলে পণ্যের দাম আগের চেয়ে বাড়বে। করোনা-পরবর্তী বেকারত্ব বৃদ্ধির সঙ্গে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি যুক্ত হয়ে একটা কঠিন পরিস্থিতির আভাস দেয়।আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খুব খারাপ এক আগামীর প্রস্তুতি নিতে বলেছেন সবাইকে। সঙ্গে ৫০ বিলিয়ন ডলার নিয়ে কাজে নামছে সংস্থাটি। বিশ্বব্যাংকও ১২ বিলিয়ন ডলার তহবিল গঠনের কথা বলছে।
আইএমএফ জানিয়ে দিয়েছে, বিশ্বের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ এখন পুরোই অনিশ্চিত।কোনো কোনো দেশে কমিউনিটি পর্যায়ে স্বাস্থ্য বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকা সব নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক হতে পারে ভবিষ্যতে।চলাচল ও সমাবেশে স্বাধীনতার ধারণা আগের মতো আর শর্তহীন থাকবে না। মানুষের নিরাপত্তা এবং নিরাপদ সমাজ গড়ার কথা বলেই মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। তাদের শারীরিক সংঘ এড়িয়ে অনলাইনভিত্তিক করার উদ্যোগ চলবে। অনেক দিন ধরে প্রযুক্তির রাজনীতি এ রকম উদ্যোগ চালাচ্ছিল। এবার সেটা প্রাতিষ্ঠানিকতা পাবে খানিকটা।এতে গোলার্ধের পূর্ব-পশ্চিম সর্বত্র ‘সমাজ’-এর ভূমিকা হ্রাসের ইঙ্গিত স্পষ্ট। ইতিমধ্যে শক্তিশালী হয়ে থাকা ‘রাষ্ট্র’ আরও কর্তৃত্ববাদী হয়ে উঠবে তাতে। চীনের কর্তৃত্ববাদী শাসন মডেল করোনা প্রতিরোধে কার্যকর প্রমাণিত হওয়ায় উদারনৈতিক গণতন্ত্রের ওপর অবশ্যই নতুন করে বিশেষ চাপ তৈরি হলো। উদারনৈতিক ব্যক্তিস্বাধীনতার জন্য সামনের সময়টা হবে কঠিন। তাকে রক্ষণশীল নতুন অনেক আইনের মুখে পড়তে হবে তাড়াতাড়ি। চীনা মডেলের ভক্তরা বলছেন, ভাইরাস-যুদ্ধটা জীববিদ্যার বিষয় এর মোকাবিলায় রাজনীতিবিদ্যাকে দূরে রাখা উচিত। স্পষ্ট যে আমলাতন্ত্র আবারও অনেক দিন চালকের আসনে থাকবে।এসব বিতর্কের মধ্যে ইতিবাচক একটা দিক দেখা যাচ্ছে, অনেক ভাষ্যকার করোনা-পরবর্তী বিশ্বে বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের দিকে মানুষের বাড়তি মনোযোগেরও ইঙ্গিত করছেন। এটা বিজ্ঞানসম্মত চিন্তাভাবনার নতুন এক যুগের দিকে নিয়ে যেতে পারে সভ্যতাকে। উপাত্ত-বিশ্লেষণই যখন মানুষকে প্রতিদিনকার করণীয় সম্পর্কে জানাবে। যখনই বিদায় নিক, করোনা বিশ্বায়ন ধারণাকে নতুন এক চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে যাবে। করোনা দেখিয়েছে, এতদিনকার বিশ্বায়ন টেকসই নয়। এই বিশ্বায়নের কেন্দ্রে ছিল বাণিজ্যিক স্বার্থ, রাজনৈতিক যৌথতা নয়। করোনা বিশ্বায়নের অন্ধকার অংশে আলো ফেলে দিয়েছে।করোনার সংক্রমণে রাষ্ট্রগুলো যেভাবে নিজ নিজ সীমান্ত নিয়ে সচেতন হয়ে গেল, তাতে স্পষ্ট, রাষ্ট্র উবে যাওয়ার প্রচারণা আর এগোবে না। খোদ ‘ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন’ও এককভাবে এবার কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি; বরং ইউনিয়নভুক্তরা একে অপরের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করার চেষ্টায় ছিল কঠোরভাবে। ইতিমধ্যে এই প্রবণতাকে করোনা-জাতীয়তাবাদ বলা শুরু হয়েছে। এর আরও গোছানো রূপ দেখতে শুরু করব আমরা শিগগিরই। করোনা কালে আশপাশের দেশ থেকে কোনো সাহায্য না পেয়ে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভুচিস ইউরোপীয় ঐক্যের ধারণাকে একটা রূপকথা বলে অভিহিত করে শোরগোল তুলেছেন। ইতালিও এবারের দুর্যোগে ইইউ সদস্যদেশগুলো থেকে প্রত্যাশিত সহায়তা পায়নি। এর একটা প্রতিক্রিয়া অনিবার্য ও আসন্ন। মনে হচ্ছে, ভবিষ্যতে বিশ্বজুড়ে কর্তৃত্বের কাঠামোগত ওলট-পালট ঘটতে চলেছে। যার ফলে আঞ্চলিক মেরুকরণ বাড়বে।
যেসব দেশে ফেডারেল ব্যবস্থা ছিল, সেখানেও ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন বাড়ার তাগিদ তৈরি হবে।আন্তর্দেশীয় খোলামেলা সীমান্তগুলো আর আগের মতো থাকবে না। এসব প্রবণতা বিশ্বায়নের বিরুদ্ধেই যায়। এটা একটা শূন্যতা। ভূরাজনীতিতে এই শূন্যতা কীভাবে পূরণ হবে, আমরা এখনই তার পুরোটা জানি না। কোভিড-১৯-এর আগে ইউরোপ-আমেরিকা তার স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে গর্ব করত। তাদের একাংশ এখন ভাইরাস ছড়ানোর জন্য চীনসহ বাইরের মানুষদের দায়ী করছে। এ রকম মনোভাব ভবিষ্যতে সেখানে এশিয়া-আফ্রিকার মানুষদের হীনজ্ঞান করার প্রবণতা বাড়াতে পারে। এতদিনকার বিশ্ব সমাজটি যে সংহতি, সহমর্মিতা, দূরদৃষ্টি ও সমবেদনায় মোড়ানো নয়; বরং লোভ, প্রতারণা ও ক্রুদ্ধ প্রতিযোগিতাময় ছিল, সেটাই টের পেল সবাই সুপারশপগুলোর খালি তাকের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে। সামান্য ব্যতিক্রম ছাড়া অধিকাংশ দেশেই এমনটি ঘটেছে। কোভিড-১৯ পুরো সমাজকে তাই আয়নার সামনে নগ্ন করে ফেলেছে। মানসিক অসহায়ত্বই মানুষকে এমন আচরণ করিয়ে নেয়। অনেক বাড়িই করোনাকালে টিনের খাবার আর টিস্যু পেপারের ছোটখাটো গুদামঘরের রূপ নিয়েছে। শিগগিরই এই প্রবণতা কমবে না। কমার সুযোগ নেই।
লেখক : গবেষক ও কলামিস্ট
ৎধরযধহ৫৬৭@ুধযড়ড়.পড়স

Ad image
অবরুদ্ধ চুয়েট ভিসিকে ‘ছাড়িয়ে’ আনলেন ডিসি-এসপি
শতাধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ নিয়ে বিসিকের চাকরি মেলা
অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। মঙ্গলবার উপাচার্য ভবনে।
অবরুদ্ধ চুয়েট ভিসির বুকে ব্যথা, যেতে চান হাসপাতালে
ফলমণ্ডিতে অভিযান চালিয়ে তুহিন এন্টারপ্রাইজকে জরিমানা করেন ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তারা।
ফলমণ্ডিতে অভিযান, খেজুরে তেল মাখিয়ে বিক্রিতে জরিমানা
কল্পলোকের নদীর পাড়ে সাইকেল নিয়ে পর্বতারোহী ডা. বাবর আলী।
কল্পলোকে বাবর আলীকে ছিনতাইকারীদের ধাওয়া, রক্ষা পেলেন বিচক্ষণতায়
অবরুদ্ধ চুয়েট ভিসিকে ‘ছাড়িয়ে’ আনলেন ডিসি-এসপি
তালাবদ্ধ ভবনে ২১ ঘণ্টা অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য
কল্পলোকের নদীর পাড়ে সাইকেল নিয়ে পর্বতারোহী ডা. বাবর আলী।
কল্পলোকে বাবর আলীকে ছিনতাইকারীদের ধাওয়া, রক্ষা পেলেন বিচক্ষণতায়
ফলমণ্ডিতে অভিযান চালিয়ে তুহিন এন্টারপ্রাইজকে জরিমানা করেন ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তারা।
ফলমণ্ডিতে অভিযান, খেজুরে তেল মাখিয়ে বিক্রিতে জরিমানা
কক্সবাজার সৈকতে পাঁচ টন প্লাস্টিক বর্জ্যে তৈরি ৫০ ফুট উচ্চতার ‘প্লাস্টিক দানব’
পাঁচ টন প্লাস্টিকে কক্সবাজার সৈকতে ৫০ ফুটের ‘দানব’

আর্কাইভ

আরও পড়ুন

ডিজিটাল ব্যাংকিং: সুবিধার আড়ালে গ্রাহকের নতুন ঝুঁকি

স্মার্ট মিটার, কিন্তু গ্রাহকের ভোগান্তি কেন?

একটি ফোনকলও হতে পারে হাসপাতালের ব্র্যান্ডের প্রথম পরিচয়

বয়স্কবান্ধব সমাজ ও দেশ গড়ে তুলতে হবে

সুপ্রভাত বাংলাদেশ
সুপ্রভাত বাংলাদেশ

সম্পাদক : রুশো মাহমুদ  |  প্রকাশক : মোহাম্মদ ওমর ফারুক

  • বিজনেস
  • বন্দর ও বাণিজ্য
  • মহানগর
  • বৃহত্তর চট্টগ্রাম
  • স্বদেশ
  • অপরাধ
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • বিশ্ব
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • লাইফস্টাইল
  • রাজনীতি
  • ইপেপার
  • বিশেষ সংখ্যা
  • নারী
  • বিজ্ঞাপন
  • সার্কুলেশন
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: কর্ণফুলী টাওয়ার, ই-১, পঞ্চম তলা, ৬৩ এস এস খালেদ রোড, চট্টগ্রাম ৪০০০। ফোন: 02333363044-45   E-mail : [email protected]
স্বত্ব © ২০১০-২০২৬ সুপ্রভাত বাংলাদেশ
Site Powered by DigitB
Welcome Back!

Sign in to your account

ইউজার নেইম অথবা ইমেইল ঠিকানা
পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?