সুপ্রভাত ডেস্ক »
২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কানিজ ফাতেমা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে প্রকৌশলী মো. নুরুল করিমকে তিন বছর মেয়াদের জন্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র (সিডিএ) চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক ত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী তিন বছর মেয়াদে এ দায়িত্বে থাকবেন তিনি।
সেই হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া নুরুল করিমের মেয়াদ এখনও শেষ না হলেও সিডিএ’র চেয়ারম্যান হতে শোনা যাচ্ছে বেশ ক’জনের নাম।
তাঁদের মধ্যে আছেন- চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য শামসুল আলম, বর্তমান সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নিয়াজ মোহাম্মদ খান, আহমেদ উল আলম চৌধুরী রাসেল, মনজুর আলম মঞ্জু, ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কর্নেল আজিম উল্লাহ বাহার।
২০০৯ সাল থেকে যুগ্মসচিব পদমর্যাদার এই পদে চুক্তিভিত্তিক রাজনৈতিক নিয়োগ দিয়ে আসছে সরকার। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মোহাম্মদ ইউনুছের মেয়াদ চার মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর তাঁর নিয়োগ বাতিল করে প্রকৌশলী মো. নুরুল করিমকে সিডিএ চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেয়।
এসময় বোর্ড সদস্য করা হয় ৬ জনকে। তাঁরা হলেন- ইঞ্জিনিয়ার মানজারে খোরশেদ আলম, দৈনিক আমার দেশ এর আবাসিক সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি, হাজী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, স্থপতি সৈয়দা জারিনা হোসাইন, স্থপতি ফারুক আহম্মেদ, মো. সাখাওয়াত হোসাইন এবং অ্যাডভোকেট সৈয়দ কুদরত আলী।