সুপ্রভাত ডেস্ক »
সারাদেশে একদিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাসে ট্রেনের ধাক্কায় ১২ জন, ফেনীতে বাস, অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে তিনজন, হবিগঞ্জে বাসের সঙ্গে পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে চারজন, নাটোরে একজন, সুনামগঞ্জে একজন, কিশোরগঞ্জে দুই বন্ধু এবং কুড়িগ্রামে একজন নিহত হয়েছেন।
কুমিল্লা
কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে যাত্রীবাহী বাসে মেইল ট্রেনের ধাক্কায় ১২ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে সাতজন পুরুষ, তিনজন নারী এবং দুই শিশু রয়েছে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার অজয় ভৌমিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন- নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার সালামত উল্লার ছেলে মো. বাবুল চৌধুরী (৫৩), ঝিনাইদহের মহেশপুরের পিন্টু মিয়ার স্ত্রী লাইজু আক্তার (২৬), তার দুই মেয়ে খাদিজা (৬) এবং মরিয়ম (৪), চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের বিল্লাল হোসেনের ছেলে সোহেল রানা (৪৬), যশোরের চৌগাছের ফকির চাঁদ বিশ্বাসের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৬২) ও তার স্ত্রী কোহিনূর বেগম (৫৫), নোয়াখালীর সুধারাম এলাকার মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে নজরুল ইসলাম রায়হান (৩৩), লক্ষ্মীপুর সদরের সিরাজউদ্দৌলার মেয়ে সায়েদা (৯), ঝিনাইদহ সদরের মুক্তার বিশ্বাসের ছেলে জোয়াদ বিশ্বাস (২০), মাগুরার মোহাম্মদপুর এলাকার ওহাব শেখের ছেলে ফচিয়ার রহমান (২৬) এবং চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মমিনুল হকের ছেলে তাজুল ইসলাম (৬৮)।
শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় মামুন পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দেয় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার দিকে যাওয়া মেইল ট্রেন। এই ধাক্কায় বাসটিকে অন্তত আধা কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায় ট্রেনটি। এতে প্রথমে ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ জনে।
ঘটনার পর চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। পরে আখাউড়া থেকে রিলিফ ট্রেন এসে উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। এছাড়াও ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব এ উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়। সকাল ৮টার দিকে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়। এ ঘটনায় রেলক্রসিংয়ের দুই গেটম্যানকে বরখাস্ত করা হয়। নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা ঘোষণা করেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ বের করতে তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
হবিগঞ্জ
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় বাসের সঙ্গে পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে নারীসহ চারজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আন্দিউড়া এলাকায় আন্দিউড়া উম্মেতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। নিহতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও একজন নারী রয়েছেন।
রোববার (২২ মার্চ) বেলা সোয়া ১১টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন ঘটনাস্থলে থাকা মাধবপুর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইউসুফ।
তিনি জানান, পিকআপ ভ্যানটি পাশে থাকা পুকুরে পড়ে আছে। এতে বাসাবাড়ির মালামাল ছিল। চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতরা পিকআপ ভ্যানের চালক ও যাত্রী। মরদেহগুলো হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তারা সিলেটের দিকে যাচ্ছিল নাকি সিলেট থেকে ফিরছিল তা বোঝা যাচ্ছে না।
ফেনী
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর রামপুর এলাকায় বাস, অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। রোববার (২২ মার্চ) ভোর ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের মরদেহ ফেনী সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা রয়েছে। হতাহতদের নাম-পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মহিপাল হাইওয়ে থানা পুলিশের ইনচার্জ আসাদুল ইসলাম জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী-রামপুর এলাকায় চট্টগ্রাম অভিমুখী একটি লেনের কাজ চলছিল। এ সময় একটি অ্যাম্বুলেন্স ধীর গতিতে পার হচ্ছিল। এমতাবস্থায় শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস অ্যাম্বুলেন্সটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়।
এ ঘটনায় বাস ও অ্যাম্বুলেন্স চালকের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হলে পেছনে মোটরসাইকেল ও আরও কিছু বাসের জট লেগে যায়। তার কিছুক্ষণ পর বেপরোয়া গতিতে আসা দোয়েল পরিবহনের একটি বাস জটলার মধ্যে ধাক্কা দেয়। এতে বাস, অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এ সময় একজন মোটরসাইকেল আরোহী, বাসের সুপারভাইজার, ও একজন যাত্রী নিহত হন।
কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লেগে নয়ন শেখ (১৬) নামে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। রোববার (২২ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের কুমারখালীর লুৎফর রহমানের ইটভাটার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নয়ন জেলার খোকসা উপজেলার মোড়াগাছা ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে ও পাইকপাড়া মির্জাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের কুমারখালীর লুৎফর ইটভাটা এলাকায় সড়কের ধারে কিছু তালগাছ রয়েছে। সেখানে পথচারীরা যানবহন থামিয়ে বিশ্রাম নিয়ে থাকেন। আবার অনেকেই যান বিনোদনের জন্য। সেখানে নয়নসহ তার বন্ধুরা মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে যায়। সেখান থেকে নয়ন মোটরসাইকেল নিয়ে খোকসার দিকে যাচ্ছিল। পথে মোটরসাইকেলের ব্রেকে চাপ দিলে পিছনের চাকা স্লিপ করে সড়কের ধারে অবস্থিত বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে নয়ন গুরুতর আহত হলে তার বন্ধুরা তাকে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নাটোর
আগামীকাল সোমবার ছিল বিয়ের নির্ধারিত দিন। বাড়িতে চলছিল উৎসবের আমেজ। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস, বিয়ের পিঁড়িতে বসা হলো না প্রকৌশলী জুলফিকার আলীর (৩০)। বিয়ের মাত্র এক দিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন তিনি। রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে নাটোরে বড়াইগ্রামে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের গড়মাটি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জুলফিকার আলী পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার নওদাপাড়া এলাকার আনছার হকের ছেলে। তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিজের বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন জুলফিকার। সোমবার তার বিয়ের দিন ধার্য ছিল। রোববার সকালে বোন ও দুলাভাইকে আনার জন্য নিজেই প্রাইভেটকার চালিয়ে পাবনার দাশুড়িয়া থেকে নাটোরের বনপাড়ার উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে বড়াইগ্রামের গড়মাটি এলাকায় পৌঁছালে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে-মুচড়ে ট্রাকের পেছনের অংশের নিচে ঢুকে যায়। গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান জুলফিকার। মুহূর্তেই বিয়ের আনন্দ রূপ নেয় বিষাদে।
বনপাড়া হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া গাড়ির ভেতর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।
কিশোরগঞ্জ
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পিকআপ ভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার (২২ মার্চ) বিকেলে কিশোরগঞ্জ-ভৈরব মহাসড়কের কুলিয়ারচর উপজেলার দাড়িয়াকান্দি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- দাড়িয়াকান্দি এলাকার বিজয় (১৮) ও তার বন্ধু জাবির হোসেন (১৮)। আহত অপর যুবককে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বাজিতপুরের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, তিন বন্ধু একটি মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা মুরগিবাহী একটি পিকআপ ভ্যান মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বিজয় ও জাবির নিহত হন।
কুলিয়ারচর হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ সুমন কুমার চৌধুরী জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে দুর্ঘটনার পরপরই পিকআপ ভ্যানটি পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সুনামগঞ্জ
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে সাফিকুল ইসলাম (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে উপজেলার গাগলী এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত যুবক শান্তিগঞ্জের মুক্তাখাই গ্রামের মৃত উকিল আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শান্তিগঞ্জের নিজ গ্রাম মুক্তাখাই থেকে সাফিকুল ইসলাম ও তার দুই বন্ধুকে নিয়ে মোটরসাইকেল করে তাহিরপুরের পর্যটন কেন্দ্র শিমুল বাগানে ঘুরতে যাওয়ার জন্য রওনা দেন। উপজেলার গাগলী এলাকায় এসে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। পরে সেখানে থাকা স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাফিকুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। তার সাথে থাকা দুই বন্ধুর মধ্যে সাইদুল ইসলামের অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় এবং একজনকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়।
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের ডিউটি অফিসার আমজাদ হোসেন বলেন, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিনজনের মধ্যে একজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে এবং একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সিলেটে রেফার করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে সাউদা খাতুন (১১) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার বাবা-মা গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে চর রাজিবপুর উপজেলার চর রাজিবপুর ইউনিয়নের বটতলা কারিগরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার হারুয়া বাড়ি পূর্বপাড়া গ্রামের মো. সাইফুল ইসলাম (৪৫) তার স্ত্রী মোছা. ঝরণা বেগম (৩১) ও মেয়ে সাউদা খাতুনকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে শ্বশুরবাড়ি রৌমারীর উদ্দেশে রওনা দেন। পথে বটতলা কারিগরপাড়া এলাকায় একটি সিমেন্টবোঝাই ট্রাককে ওভারটেক করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং তিন আরোহী সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনায় সাইফুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান। এ সময় তাদের মেয়ে সাউদা খাতুনের ডান হাত ভেঙে যায় এবং তার অবস্থা গুরুতর হলে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে রাজিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে নেওয়ার পথেই সাউদা খাতুনের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে।
চর রাজিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুসা মিয়া বলেন, দুর্ঘটনায় আহত শিশুটির মৃত্যুর খবর আমরা পেয়েছি। এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


















































