সুপ্রভাত ডেস্ক »
আর কয়েক ঘণ্টা পরেই বাংলাদেশের ফুটবলে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে ৷ নারী এশিয়ান কাপে ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষ সর্বাধিক নয়বারের চ্যাম্পিয়ন চীন। আজ (মঙ্গলবার) সিডনির কমনওয়েলথ ব্যাংক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা আর স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় খেলা মাঠে গড়াবে।
বাংলাদেশের অধিনায়ক আফিদা খন্দকার ঐতিহাসিক ম্যাচের আগে কোনো চাপ নিচ্ছেন না। দেশের মানুষ সবাই তাদের দিকে তাকিয়ে থাকলেও সেটা দেখছেন অনুপ্রেরণা হিসেবে, ‘না, আমাদের আসলে প্রেশার নাই। কারণ আমরা দেশের জন্য খেলতে আসছি। দেশের মানুষের প্রত্যাশা থাকবেই। আমরা দেশকে রিপ্রেজেন্ট করি তো আমাদের প্রেশার নেই।’ চীনের কোচ আন্তে গতকাল (সোমবার) সংবাদ সম্মেলনে আফিদার মতো করেই বলেছেন, ‘বাংলাদেশের এ ম্যাচে হারানোর কিছু নেই।’

বাংলাদেশের ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলার বাস্তবিক মানুষ। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে নারী ফুটবলের সবচেয়ে বড় বা সবচেয়ে ঐতিহাসিক একটি ম্যাচ। মেয়েরা যোগ্যতা অর্জনের জন্য অসাধারণ কাজ করেছে, এর পেছনে অনেক কঠোর পরিশ্রম ছিল। আমরা আজ এখানে এসেছি এবং আশা করি আমরা ভবিষ্যতের ইভেন্টগুলোর জন্য একটি ভিত্তি এবং পদচিহ্ন রেখে যেতে পারব। কারণ এ ধরনের টুর্নামেন্টেই আপনি আসলে প্রতিযোগিতা করতে চাইবেন।’
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশ মিয়ানমারকে হারিয়েছিল। তখন মিয়ানমারের র্যাঙ্কিং ছিল ৫৫। সেটা অনুপ্রেরণা থাকলেও চীন অনেক কঠিন প্রতিপক্ষ এটা ভোলেননি বাটলার, ‘ফুটবল কোনো রকেট সায়েন্স নয়, এটি বোঝার জন্য আমাদের পারমাণবিক পদার্থবিদ হতে হবে না। বাস্তব সত্য হলো– যদি আপনি না দৌড়ান, বল দখলে থাকা বা না থাকা অবস্থায় কঠোর পরিশ্রম না করেন, তবে আপনাকে মাশুল দিতে হবে। এই চীন দলটিকে যদি আপনি সময় এবং জায়গা ছেড়ে দেন, তবে তারা আপনাকে শাস্তি দেবে। তারা ভালো খেলোয়াড়, তাদের পর্যাপ্ত অর্থায়ন আছে, তারা সুপ্রস্তুত এবং তাদের কোচিংও খুব ভালো।’

‘হয়তো আমরা তাদের একটি খারাপ দিনেও ধরতে পারি, কে জানে! আমি শুধু মনে করি আমাদের মাঠে গিয়ে আমাদের নিজেদের খেলাটা খেলতে হবে। আমি বড় কোনো আকাশ-কুসুম স্বপ্ন দেখছি না, আমি এই পেশায় অনেকদিন ধরে আছি এবং অনেক মহাদেশে কাজ করেছি, তবে আমি বিশ্বাস করি মাঝেমধ্যে অদ্ভুত বা অলৌকিক কিছু ঘটে যেতে পারে’, আরও যোগ করেন বাংলাদেশ কোচ।


















































