সুপ্রভাত ডেস্ক »
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার মূল আসামি ফয়সালের দুটি ভিডিও বার্তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
ডিআরইউর শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘এ-ফোর বসুন্ধরা পেপার ক্র্যাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএমপি কমিশনার।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে পুলিশের বর্তমান প্রধান অগ্রাধিকার (টপ প্রায়োরিটি) হিসেবে উল্লেখ করেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, ‘জানুয়ারি মাসের ২১ বা ২২ তারিখ থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু হতে পারে। তখনই মূল জটিলতা তৈরির সম্ভাবনা থাকে। আমরা নিরপেক্ষতার সাথে কাজ করতে চাই এবং আগামী ৪০ দিন আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।’
নির্বাচনে প্রার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি জানান, কোনো প্রার্থীর জীবনের ঝুঁকি কতটা, তা স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) মাধ্যমে যাচাই করা হয়। ঝুঁকি নিশ্চিত হলে তবেই গানম্যান দেওয়া হচ্ছে। ইতিপূর্বে বেশ কয়েকজনকে গানম্যান দেওয়া হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনারদের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
ঢাকার রাজপথে ঘন ঘন অবরোধ ও জনদুর্ভোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সাজ্জাত আলী বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর ২০২৫ সালটিও বেশ উত্তাল ছিল। বিভিন্ন গোষ্ঠীর দাবিদাওয়া নিয়ে রাস্তা ব্লক করার ফলে সাধারণ মানুষ ও রোগীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। এই সংস্কৃতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসা জরুরি।’
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশের কোনো ভুল থাকলে তা অবশ্যই তুলে ধরবেন। তিনি মনে করেন, পুলিশের সাথে গণমাধ্যমের একটি মজবুত সেতুবন্ধ থাকা প্রয়োজন।
ডিএমপি কমিশনার জানান, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে লটারির মাধ্যমে ডিএমপির অফিসার ইনচার্জদের (ওসি) রদবদল করা হয়েছে। যদিও এতে কিছু প্রশাসনিক ও কৌশলগত অসুবিধা হচ্ছে, তবুও পুলিশ সদস্যরা সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে ঢাকা মহানগরীর অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
















































