সুপ্রভাত ডেস্ক »
মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিকম্পের প্রায় পাঁচদিন পরেও জীবিতদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। তাদের ধারণা, ধ্বংসস্তূপের ভেতর এখনও অনেকে জীবিত রয়েছেন।
নিখোঁজদের খুঁজে পেতে চেষ্টা চালাচ্ছে চীন, রাশিয়া, ভারত’সহ বিভিন্ন দেশের উদ্ধারকর্মীরা। জান্তা সরকার জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৭শ’র বেশি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শঙ্কা- দ্রুতই প্রাণহানি তিন হাজার ছাড়িয়ে যাবে। আহত হয়েছে সাড়ে চার হাজারের বেশি মানুষ। এখনও নিখোঁজ ৪৪১ জন।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের শঙ্কা, ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে মিয়ানমারে প্রাণহানি ১০ হাজার ছাড়াতে পারে। এই দুর্যোগে থাইল্যান্ডে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২৮ মার্চ) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে মিয়ানমারে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল দেশটির উত্তর-পশ্চিমের শহর সাগাইং থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে। এলাকাটি রাজধানী নেপিদো থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তরে। ভূমিকম্পটির তীব্র প্রভাব অনুভূত হয় প্রতিবেশী বাংলাদেশ, চীন, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামেও।
ভূমিকম্পের ফলে মিয়ানমারের বহু ভবন, সেতু ও রাস্তাঘাট ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট পরিষেবাও বিচ্ছিন্ন অনেক জায়গায়। ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত মিয়ানমারের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক সহায়তার আবেদন করেছে সামরিক সরকার।