সুপ্রভাত ডেস্ক »
ভোটগ্রহণের আগের দিন চট্টগ্রাম নগরীর মূল সড়কগুলো ফাঁকা হয়ে পড়েছে। সড়কের আশপাশে বেশিরভাগ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বন্দর নগরী চট্টগ্রামের প্রধান সড়কে যানবাহন চলাচল ছিল খুব কম। শাহ আমানত সেতু সংযোগ সড়কেও গাড়ির উপস্থিতি তেমন দেখা যায়নি।
সড়কে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া তেমন কাউকে বের হতে দেখা যায়নি। সড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা টহল দিচ্ছে সকাল থেকে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে বুধবার সকাল ৮টা থেকে ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে চট্টগ্রাম বন্দরের সকল অপারেশনাল কার্যক্রম। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ট্রাফিক) স্বাক্ষরিত এক দপ্তর আদেশে এ বিষয়ে জানানো হয়।
সকাল থেকে অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বন্দরকেন্দ্রিক যানবাহন চলাচল ছিল খুবই কম।
এছাড়া নগরীর রাহাত্তারপুল, বাকলিয়া, চকবাজার, জামালখান মোড়সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, যানবাহনের সংখ্যা একেবারেই কম। বেশিরভাগ রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে। এসব জায়গায় পুলিশের টহল টিম দেখা গেছে।
রাহাত্তারপুলের পথচারী সুজন আহসান বলেন, ’কিছু ওষুধ কেনার জন্য বের হয়েছি। রাস্তায় গাড়ি তেমন নেই। সকাল থেকে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবির গাড়ি টহল দিচ্ছে।’
নগরীর চকবাজার গিয়ে বেশিরভাগ দোকানপাট বন্ধ দেখা গেছে। লোক চলাচল ছিল অন্যদিনের চেয়ে অনেক কম। মোড়ে ৬ থেকে ৮ টি টেম্পু যাত্রীর জন্য অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে।
চকাবাজারে যাত্রীর অপেক্ষায় থাকা টেম্পুচালক সাইদুল ইসলাম বলেন, রাস্তায় মানুষ নাই। আগে মোড়ে গাড়ি রাখার আগেই যাত্রী পুল হয়ে যেত। গতকাল থেকে যাত্রী একদম কম।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কমিশনার হাসিব আজিজ জানান, নির্বাচন উপলক্ষে চারদিনের নিরাপত্তা পরিকল্পনা আমরা করেছি। নির্বাচন নিয়ে স্ট্রাইকিং ফোর্স ও মোবাইল টিম গতকাল থেকে কাজ শুরু করেছে। আমাদের রিজার্ভ ফোর্সও রাখা আছে। ভোটারদের আসা-যাওয়ার সার্বিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।






















































