সুপ্রভাত ডেস্ক »
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) যদি জেলা প্রশাসক (ডিসি) রদবদলের প্রয়োজন মনে করে, তবে সরকার সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ।
তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত বা অভিমতের গুরুত্ব অনেক বেশি এবং সরকার তা সম্মান জানানোর (অনার করা) চেষ্টা করবে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এসব কথা বলেন।
গতকাল একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে মাঠ প্রশাসনের ডিসিদের বিষয়ে কিছু রদবদলের দাবি জানিয়েছে। নির্বাচনের আর মাত্র এক মাস বাকি থাকা অবস্থায় এই রদবদল সম্ভব কি না– সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমরা রদবদলের কথা তো বলছি না। তবে নির্বাচন কমিশন যদি কনভিন্সড হয়, তারা যদি মনে করেন যে রদবদলের প্রয়োজন, তাহলে তারা বলবেন, তখন আমরা সেটা বিবেচনা করব, সেইভাবে ব্যবস্থা নেব। তবে তারা কনভিন্সড হোক আগে।’
নির্বাচনের আগে মাঠ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে ড. শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, ‘আমি এখন পর্যন্ত সেরকম কিছু দেখিনি। কোথাও কোথাও কোনো কোনো সিদ্ধান্তে কেউ কেউ সন্তুষ্ট হননি, এটা হতেই পারে। আর সব ক্যান্ডিডেট-এরও পরিস্থিতিতে এক রকম ছিল না, সুতরাং কিছু কিছু পরিবর্তন হতেই পারে।’ তিনি উল্লেখ করেন, মাঠ পর্যায়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিতে হয় এবং যদি কোনো সিদ্ধান্ত সঠিক না হয়ে থাকে, তবে সেখানে আপিলের সুযোগ আছে। বর্তমানে শত শত প্রার্থী সেই সুযোগ নিচ্ছেন।
মাঠ পর্যায়ে জেলা প্রশাসকরা রিটার্নিং অফিসার হিসেবে কাজ করছেন জানিয়ে সচিব বলেন, প্রশাসনের কাজ কোনো ‘স্ট্যাটিক’ বিষয় নয়; বরং পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হয়। মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাছাইয়ের কাজ শেষ হওয়ার পর যারা সংক্ষুব্ধ হয়েছেন, তারা আইন অনুযায়ী আপিল করছেন।
প্রশাসনের পক্ষপাতের অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন, ‘এই ধরনের অভিযোগ আপনারা এর আগেও শুনেছেন, এখনো শুনছেন এবং কেউ না কেউ কোনো কারণেও সংক্ষুব্ধ হলে, তিনি এ ধরনের কথা বলে থাকেন। এখন উন্মুক্ত তথ্যপ্রবাহের যুগ, এই সময়ে সবাই সেভাবে কথা বলবেন।’ তিনি আরও আশ্বাস দেন যে, প্রশাসনে কোনো ত্রুটি থাকলে তা সমাধানের চেষ্টা করা হবে এবং প্রত্যেকটি বিষয়ে ‘মেরিট’-এর ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


















































