সুপ্রভাত ডেস্ক »
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপি ও বিভিন্ন অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে ঢাকা-৮ আসনের ফলাফল পুনর্গণনার দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছেন ১১ দলীয় ঐক্যের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর এ আবেদন করেন তিনি।
অভিযোগপত্রে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। একই আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ও তার নেতা-কর্মী, এজেন্ট এবং পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে ব্যাপক ভোট কারচুপি ও অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে।
নাসীরুদ্দীনের অভিযোগ, ভোটগ্রহণ ও গণনার সময় প্রভাব বিস্তার, ফল আটকে রাখা, বাতিল করা ভোট গণনাভুক্ত করা এবং বিভিন্ন কেন্দ্রে অনিয়মের ঘটনা ঘটে।
তিনি দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার ও রিটার্নিং অফিসারও এসব অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন এবং প্রকৃত ফল উপেক্ষা করে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালাসহ প্রযোজ্য নির্বাচন আইন লঙ্ঘন করে ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তিনি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, দায়ী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, সার্বিক বিবেচনায় আমরা ঢাকা-৮ আসনের উল্লিখিত অনিয়ম, কারচুপি ও বেআইনি প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে ফল অনুকূলে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কথা জানিয়েছি। এবং মির্জা আব্বাস, তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।
আবেদনে আরও বলা হয়, আমরা ঢাকা-৮ আসনে ভোট পুনঃগণনার দাবি জানাচ্ছি এবং আইনানুগভাবে বাতিল ঘোষিত ভোট পুনর্বিবেচনা করে নতুন করে ফল প্রকাশের অনুরোধ করছি। পুনর্গণনা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা-৮ আসনের শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন থেকে বিরত থাকার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি এবং আইনানুগ কর্তব্য পালনের মাধ্যমে কমিশনকে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি।
অভিযোগপত্রে নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী ঢাকা-৮ আসনের ১১টি কেন্দ্রের বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরেন।



















































