সুপ্রভাত ডেস্ক »
দ্বৈত নাগরিকত্বসংক্রান্ত জটিলতার কারণে চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এ কে এম ফজলুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) যাচাই-বাছাই শেষে এই সিদ্ধান্ত দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তবে একই আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও চট্টগ্রাম-৯ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা জিয়া উদ্দিন যাচাই-বাছাই শেষে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের ঘোষণা দেন। দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি নিষ্পত্তিকৃত না হওয়ায় তার প্রার্থিতা বৈধ বলে বিবেচিত হয়নি।
মনোনয়ন বাতিলের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ডা. এ কে এম ফজলুল হক রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘গত ২৪ ডিসেম্বর আমি আনুষ্ঠানিকভাবে দলের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছি। এর আগে আসন নিয়ে জোটগত আলোচনা চলমান থাকার কারণে দল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি। দলের সিদ্ধান্ত পেয়ে আমি আমেরিকান অ্যাম্বেসিতে দ্বৈত নাগরিকত্ব আত্মসমর্পণ করার সিদ্ধান্ত নিই। বন্ধের কারণে সঙ্গে সঙ্গে পারিনি। ২৮ ডিসেম্বর আমি দ্বৈত নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন করি। তারা আমাকে ৫ জানুয়ারি অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিয়েছেন। আশা করি ওইদিন আমার আবেদন গ্রহণ করবে অ্যাম্বেসি। সবমিলিয়ে আমি আশাবাদী, আপিল করে প্রার্থীতা ফিরে পাব ইনশাআল্লাহ।’
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের ভোটগ্রহণ ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার শেষ তারিখ ১১ জানুয়ারি। আপিলের শুনানি চলবে ১২ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।
তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন।




















































