সুপ্রভাত ডেস্ক »কর্ণফুলী উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। এ সংঘর্ষের জন্য একে অপরকে দায়ী করেছেন দুই দলের নেতারা।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ফাজিল খাঁর হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিএনপি নেতাদের দাবি, সংঘর্ষে উপজেলা যুবদলের সদস্য শাহেদুল আলম টিটু, বড়উঠান ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্য মঞ্জুর আলম, ছাত্রদল নেতা মো. ইমনসহ অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাদের নেতা আলমগীর, এনাম ও মামুনসহ ৫ জন আহত হয়েছেন।কর্ণফুলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. ওসমান বাংলানিউজকে বলেন, নির্বাচনের দিন হিন্দুপাড়ার ভোটারদের নিয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। শুক্রবার এশার নামাজ পড়তে স্থানীয় যুবদল ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা-কর্মী দৌলতপুর জামে মসজিদে গেলে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে তাদের ছয়জন কর্মী আহত হয়।
তাদের মধ্যে একজন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হবে।অন্যদিকে কর্ণফুলী জামায়াতে ইসলামীর আমীর মনির আবছার চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের বিএনপি আশ্রয় দিয়েছে। বিএনপির নেতা-কর্মীরা মাদক ব্যবসায়ীদের প্রশ্রয় দিচ্ছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আমাদের কর্মীরা নিয়মিত মিছিল ও প্রতিবাদ করে আসছিলেন। এ কারণে আমাদের দূরে রাখা হচ্ছিল। এখন তারা বিএনপির কাছে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। শুক্রবারের ঘটনায় আমাদের পাঁচজন কর্মী আহত হয়েছে।র্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুর আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।